ফেনীতে বিডিআর বিদ্রোহের বিচার আজ শুরু : হাজির করা হবে ৬২ সদস্যকে
রফিকুল ইসলাম, ফেনী
রাঙামাটি ও সাতক্ষীরার পর ফেনীতে আজ শুরু হচ্ছে বিডিআর বিদ্রোহের বিচার। দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্করে ফেনীর ১৯ রাইফেলস ব্যাটালিয়নের সদর দফতরে স্থাপিত বিশেষ আদালত-৩ কুমিল্লা অঞ্চল-এতে এই বিচার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ রাইফেলস ব্যাটালিয়ন ফেনীতে সংঘটিত বিদ্রোহে জড়িত থাকার অভিযোগে ৬২ পোশাকধারী বিডিআর সদস্যকে চিহ্নিত করা হয়েছে ।
বিচার কাজ শুরু করার সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে গতকাল দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ফেনীতে কর্মরত সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ১৯ রাইফেলস ব্যাটালিয়ান অধিনায়ক লে. কর্নেল গাজী মোঃ সালাউদ্দিন। প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি আরও জানান, এ বিচারিক আদালতে বিডিআরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ মইনুল ইসলাম আজ বিকাল ৩টায় কোর্টের সভাপতি হিসেবে কার্যক্রম শুরু করবেন। বিচারিক আদালতের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এ সময় শপথ গ্রহণ করবেন। আগামীকাল পোশাকধারী ৬২ বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
বিচারিক কার্যক্রমে বিডিআরের কুমিল্লা সেক্টরের উপ-অধিনায়ক লে. কর্নেল নূরুজ্জামান ও মেজর মাকসুদ মহাপরিচালকের সঙ্গে থাকবেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন অ্যাটর্নি জেনারেল মনোনীত একজন প্রতিনিধি ও দুজন সরকারি কৌঁসলি। প্রাথমিকভাবে ২০ ও ২১ ডিসেম্বর ২ দিনব্যাপী এ বিচারিক কার্যক্রম চলবে। ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক প্রসিকিউটরের দায়িত্ব ও সদর কোম্পানির কোম্পানি অধিনায়ক সুবেদার জালাল আহম্মেদ বাদী হিসেবে অভিযোগ উত্থাপন করবেন। অভিযুক্ত ৬২ বিডিআর সদস্য গত ১৪ মে গ্রেফতার হয়ে ফেনী জেলা কারাগারে আটক রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিডিআর বিদ্রোহে দুটি আইনে বিচার প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে। ফৌজদারি দণ্ডবিধিতে দ্রুত বিচার আদালত ও ১৯৭২ সালের বিশেষ আদালত গঠন করে বিচার প্রক্রিয়া। দ্রুত বিচার আইনে দায়ের করা ৬৪ বিডিআর সদস্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলটি ফেনীর আদালতে চলছে।
এদিকে এ বিশেষ আদালতের নিরাপত্তার জন্য র্যাব ও পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী তলব করা হয়েছে। গত সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসক আবদুল কুদ্দুস খানের সভাপতিত্বে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বিচারিক কার্যক্রমের নিরাপত্তায় এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
অপরদিকে এ ঘটনায় দাগনভূঞা থানার সাবেক ওসি সুভাষ বড়ুয়া বাদী হয়ে ৬২ বিডিআর সদস্যসহ ৬৪ জনের বিরুদ্ধে ফেনীর আদালতে একটি মামলা করেন। ১৪ মে অভিযুক্তদের বিচারক এমদাদ উল্লাহর আদালতে হাজির করা হলে আদালত জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, বিডিআর বিদ্রোহের পর পুলিশ ও বিডিআরের পাশাপাশি বিডিআরের ননকমিশন কর্মকর্তাদের (জিসিও) সমন্বয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি কয়েকদফা ফেনীর বিডিআর বিদ্রোহ তদন্ত করে। তদন্তকালে বিডিআর বিদ্রোহের সঙ্গে ৬২ বিডিআর সদস্য জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়।
বিচার কাজ শুরু করার সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে গতকাল দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ফেনীতে কর্মরত সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ১৯ রাইফেলস ব্যাটালিয়ান অধিনায়ক লে. কর্নেল গাজী মোঃ সালাউদ্দিন। প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি আরও জানান, এ বিচারিক আদালতে বিডিআরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ মইনুল ইসলাম আজ বিকাল ৩টায় কোর্টের সভাপতি হিসেবে কার্যক্রম শুরু করবেন। বিচারিক আদালতের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এ সময় শপথ গ্রহণ করবেন। আগামীকাল পোশাকধারী ৬২ বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
বিচারিক কার্যক্রমে বিডিআরের কুমিল্লা সেক্টরের উপ-অধিনায়ক লে. কর্নেল নূরুজ্জামান ও মেজর মাকসুদ মহাপরিচালকের সঙ্গে থাকবেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন অ্যাটর্নি জেনারেল মনোনীত একজন প্রতিনিধি ও দুজন সরকারি কৌঁসলি। প্রাথমিকভাবে ২০ ও ২১ ডিসেম্বর ২ দিনব্যাপী এ বিচারিক কার্যক্রম চলবে। ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক প্রসিকিউটরের দায়িত্ব ও সদর কোম্পানির কোম্পানি অধিনায়ক সুবেদার জালাল আহম্মেদ বাদী হিসেবে অভিযোগ উত্থাপন করবেন। অভিযুক্ত ৬২ বিডিআর সদস্য গত ১৪ মে গ্রেফতার হয়ে ফেনী জেলা কারাগারে আটক রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিডিআর বিদ্রোহে দুটি আইনে বিচার প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে। ফৌজদারি দণ্ডবিধিতে দ্রুত বিচার আদালত ও ১৯৭২ সালের বিশেষ আদালত গঠন করে বিচার প্রক্রিয়া। দ্রুত বিচার আইনে দায়ের করা ৬৪ বিডিআর সদস্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলটি ফেনীর আদালতে চলছে।
এদিকে এ বিশেষ আদালতের নিরাপত্তার জন্য র্যাব ও পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী তলব করা হয়েছে। গত সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসক আবদুল কুদ্দুস খানের সভাপতিত্বে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বিচারিক কার্যক্রমের নিরাপত্তায় এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
অপরদিকে এ ঘটনায় দাগনভূঞা থানার সাবেক ওসি সুভাষ বড়ুয়া বাদী হয়ে ৬২ বিডিআর সদস্যসহ ৬৪ জনের বিরুদ্ধে ফেনীর আদালতে একটি মামলা করেন। ১৪ মে অভিযুক্তদের বিচারক এমদাদ উল্লাহর আদালতে হাজির করা হলে আদালত জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, বিডিআর বিদ্রোহের পর পুলিশ ও বিডিআরের পাশাপাশি বিডিআরের ননকমিশন কর্মকর্তাদের (জিসিও) সমন্বয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি কয়েকদফা ফেনীর বিডিআর বিদ্রোহ তদন্ত করে। তদন্তকালে বিডিআর বিদ্রোহের সঙ্গে ৬২ বিডিআর সদস্য জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


