মাহমুদুর রহমানকে হুমকি নয়, জানান দিয়েছি : নানক
স্টাফ রিপোর্টার
বিজয় দিবস উপলক্ষে যুবলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সরকারের পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর শাসনামলের মতো বর্তমান সরকার ও দলের অভ্যন্তরেও নানামুখী অস্থিরতা ও ষড়যন্ত্র চলছে। আমরা গত ১১ মাসে সরকারের অস্থিরতা মোকাবিলা করতে পারছি না। নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধির প্রবণতায় আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়িত হচ্ছে না।
গতকাল বিকালে মহানগর নাট্যমঞ্চে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী বলেন, বিএনপির হাতে রাজনৈতিক কোনো ‘ক্যাপিটাল’ নেই। কোনো ইস্যু নেই। এজন্য তারা ভারতবিরোধী প্রচারণা চালিয়ে ও সরকারের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালিয়ে আওয়ামী লীগের বদনাম করছে। যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মির্জা আজম, প্রবাসী সাংবাদিক আমিনুল হক বাদশা, কবি আসাদ চৌধুরী, যুবলীগ নেতা হারুন অর রশিদ, শহীদ সেরনিয়াবাত, জাহাঙ্গীর কবির রানা, মজিবুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মামুন অর রশিদ।
গাফফার চৌধুরী তার বক্তৃতায় আরও বলেন, বর্তমান সরকারের হাতে কোনো প্রচার মাধ্যম নেই। সবগুলো গণমাধ্যমই প্রকাশ্য বা গোপনে সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আমার দেশ, নয়া দিগন্ত, প্রথম আলো, ডেইলি স্টারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে। অপপ্রচার চালিয়ে তারা জয়কে তারেকের স্থানে বসাতে চাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চারিত্রিক ও শারীরিকভাবে হত্যার ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার এখনও বিপদমুক্ত হয়নি। আর একটি ১৫ আগস্ট ঘটতে পারে। তার বিরুদ্ধে যুবলীগ নেতাকর্মীদের অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকায় থাকতে হবে। তিনি বলেন, খাদ্যমূল্য নিশ্চিত, টেন্ডারবাজি বন্ধ এবং সন্ত্রাস দূর করতে পারলে আওয়ামী লীগ আরও ৫০ বছর ক্ষমতায় থাকতে পারবে।
মতিয়া চৌধুরী বলেন, পিলখানা ট্রাজেডি সরকারকে উত্খাত করার ষড়যন্ত্র ছিল। সেটা তারা সফলভাবে মোকাবিলা করেছেন। তার সরকার জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি একটি একটি করে পূরণ করে যাচ্ছে। জিনিসপত্রের দাম কমে এসেছে। অবশ্য মাঝে মাঝে কিছু জিনিসপত্রের দাম ওঠানামা করছে। এটাকে কেউ মূল্যবৃদ্ধি বলতে পারেন কিংবা বাজার অব্যবস্থাপনা বলতে পারেন। তবে দাম যতই বাড়ুক তা কোনোক্রমেই বিগত চারদলীয় সরকার বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়কার মতো নয়। তার মতে, মানুষ খেতে পারছে বলেই এবার বিজয় দিবসে সারাদেশে মানুষের ঢল নেমেছিল। সবার কর্মসংস্থান তার সরকার এখনও তৈরি করতে পারেননি বলেও কৃষিমন্ত্রী স্বীকার করেন।
আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডপরবর্তী অস্থিরতা তার সরকার সফলভাবে মোকাবিলা করতে পারলেও দল ও সরকারের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা মোকাবিলা করতে পারছে না। তিনি মনে করেন, দিন বদল চাইতে গেলে আগে মন বদল করতে হবে। সভা চলাকালে হৈ-হট্টগোলে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বলেন, যুবলীগ সুসংগঠিত কিন্তু সুশৃঙ্খল নয়।
মোদাচ্ছের আলী যুবলীগ নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তোমরা প্রস্তুত থাকো। ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় প্রতিটি ক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হবে। জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, জনগণের সরকারকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেয়ার জন্য বহু চেষ্টা চালানো হয়েছে। এটা এখনও অব্যাহত আছে। আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের আবারও কঠোর সমালোচনা করে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, তিনি দুর্নীতিবাজ তারেক জিয়াকে একজন কম্পিউটার বিজ্ঞানী সজীব ওয়াজেদ জয়ের লেভেলে আনতে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নামে মিথ্যাচার করছেন। আমি আর মতিয়া আপা নাকি তাকে হুমকি দিয়েছি। হুমকি নয়, আমরা মানুষকে জানান দিয়েছি। এতেই তিনি ভীত হয়ে হুমকির কথা বলছেন। আপনাকে বলে দিতে চাই—জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আপনার মিথ্যাচার প্রতিহত করা হবে।
গতকাল বিকালে মহানগর নাট্যমঞ্চে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী বলেন, বিএনপির হাতে রাজনৈতিক কোনো ‘ক্যাপিটাল’ নেই। কোনো ইস্যু নেই। এজন্য তারা ভারতবিরোধী প্রচারণা চালিয়ে ও সরকারের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালিয়ে আওয়ামী লীগের বদনাম করছে। যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মির্জা আজম, প্রবাসী সাংবাদিক আমিনুল হক বাদশা, কবি আসাদ চৌধুরী, যুবলীগ নেতা হারুন অর রশিদ, শহীদ সেরনিয়াবাত, জাহাঙ্গীর কবির রানা, মজিবুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মামুন অর রশিদ।
গাফফার চৌধুরী তার বক্তৃতায় আরও বলেন, বর্তমান সরকারের হাতে কোনো প্রচার মাধ্যম নেই। সবগুলো গণমাধ্যমই প্রকাশ্য বা গোপনে সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। আমার দেশ, নয়া দিগন্ত, প্রথম আলো, ডেইলি স্টারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে। অপপ্রচার চালিয়ে তারা জয়কে তারেকের স্থানে বসাতে চাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চারিত্রিক ও শারীরিকভাবে হত্যার ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার এখনও বিপদমুক্ত হয়নি। আর একটি ১৫ আগস্ট ঘটতে পারে। তার বিরুদ্ধে যুবলীগ নেতাকর্মীদের অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকায় থাকতে হবে। তিনি বলেন, খাদ্যমূল্য নিশ্চিত, টেন্ডারবাজি বন্ধ এবং সন্ত্রাস দূর করতে পারলে আওয়ামী লীগ আরও ৫০ বছর ক্ষমতায় থাকতে পারবে।
মতিয়া চৌধুরী বলেন, পিলখানা ট্রাজেডি সরকারকে উত্খাত করার ষড়যন্ত্র ছিল। সেটা তারা সফলভাবে মোকাবিলা করেছেন। তার সরকার জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি একটি একটি করে পূরণ করে যাচ্ছে। জিনিসপত্রের দাম কমে এসেছে। অবশ্য মাঝে মাঝে কিছু জিনিসপত্রের দাম ওঠানামা করছে। এটাকে কেউ মূল্যবৃদ্ধি বলতে পারেন কিংবা বাজার অব্যবস্থাপনা বলতে পারেন। তবে দাম যতই বাড়ুক তা কোনোক্রমেই বিগত চারদলীয় সরকার বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়কার মতো নয়। তার মতে, মানুষ খেতে পারছে বলেই এবার বিজয় দিবসে সারাদেশে মানুষের ঢল নেমেছিল। সবার কর্মসংস্থান তার সরকার এখনও তৈরি করতে পারেননি বলেও কৃষিমন্ত্রী স্বীকার করেন।
আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডপরবর্তী অস্থিরতা তার সরকার সফলভাবে মোকাবিলা করতে পারলেও দল ও সরকারের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা মোকাবিলা করতে পারছে না। তিনি মনে করেন, দিন বদল চাইতে গেলে আগে মন বদল করতে হবে। সভা চলাকালে হৈ-হট্টগোলে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বলেন, যুবলীগ সুসংগঠিত কিন্তু সুশৃঙ্খল নয়।
মোদাচ্ছের আলী যুবলীগ নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তোমরা প্রস্তুত থাকো। ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় প্রতিটি ক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হবে। জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, জনগণের সরকারকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেয়ার জন্য বহু চেষ্টা চালানো হয়েছে। এটা এখনও অব্যাহত আছে। আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের আবারও কঠোর সমালোচনা করে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, তিনি দুর্নীতিবাজ তারেক জিয়াকে একজন কম্পিউটার বিজ্ঞানী সজীব ওয়াজেদ জয়ের লেভেলে আনতে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নামে মিথ্যাচার করছেন। আমি আর মতিয়া আপা নাকি তাকে হুমকি দিয়েছি। হুমকি নয়, আমরা মানুষকে জানান দিয়েছি। এতেই তিনি ভীত হয়ে হুমকির কথা বলছেন। আপনাকে বলে দিতে চাই—জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আপনার মিথ্যাচার প্রতিহত করা হবে।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


