সাংবাদিকের প্রাণনাশের চেষ্টা সংবাদপত্রের ওপর আক্রমণ : খালেদা জিয়া : বিভিন্ন মহলের নিন্দা প্রতিবাদ
স্টাফ রিপোর্টার
দৈনিক আমার দেশ-এর বিশেষ প্রতিনিধি এম. আবদুল্লাহর ওপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এ হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর স্বৈরাচারী গোষ্ঠীর সরাসরি আক্রমণ।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেন, সরকারি দলের নেতা ও মন্ত্রীরা যখন একজন পত্রিকার সম্পাদককে প্রকাশ্যে হুমকি দেন, তখন এসব হামলাকারীর শক্তির উত্স সম্পর্কে কাউকে বলে দেয়ার প্রয়োজন পড়ে না। তিনি বলেন, আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, বর্তমান ক্ষমতাসীন মহল আগের ন্যায় বাক, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণের অপচেষ্টায় মেতে উঠেছে। তাদের এ মানসিকতা গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক হুমকি। তিনি বলেন, সংবাদপত্র রাষ্ট্র ব্যবস্থার চতুর্থ স্তম্ভ। এর স্বাধীনতা খর্ব করার চেষ্টা কখনও সফল হয়নি। অতীতে যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে, তাদের করুণ পরিণতি বরণ করতে হয়েছে। তিনি অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে পরমতসহিষ্ণু হওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি সাংবাদিক এম আবদুল্লাহর ওপর হামলাকারী সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও শাস্তি দাবি করেন।
অনুরূপ এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন আমার দেশ-এর বিশেষ প্রতিনিধি এম আবদুল্লাহর ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
জামায়াত : দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি এম আবদুল্লাহর ওপর বোমা হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপক মোঃ তাসনীম আলম।
গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এই ঘটনায়ই প্রমাণিত হচ্ছে এ সরকারের আমলে সাংবাদিকদের কোনো নিরাপত্তা নেই। এ সরকারের আমলে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ইতোমধ্যেই সরকারি দলের লোকদের হামলায় আহত হয়েছেন। বস্তুনিষ্ঠ সত্ সাংবাদিকতার পথ রুদ্ধ করার হীন উদ্দেশ্যেই সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়ে, মারধর করে, জেলে পুরে মত প্রকাশের পথ রুদ্ধ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজে এ ধরনের হামলা অকল্পনীয়। আমার দেশ পত্রিকার রিপোর্টার এম আবদুল্লাহর ওপর বোমা হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান এবং সাংবাদিকসহ দেশের সব নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি ।
অপর এক বিবৃতিতে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আজাদ এমপি বলেন, হামলার মাধ্যমে শাসক দলের ফ্যাসিবাদী মনোভাবেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
জাতীয় প্রেসক্লাব: আমার দেশ-এর বিশেষ প্রতিনিধি ও জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য এম আবদুল্লাহর ওপর হামলা ও প্রাণনাশের চেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি শওকত মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দীন সবুজ বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের এ পরিণতি দেশের মানুষের স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের কণ্ঠরোধ করে দিতে পারে। এ ন্যক্কারজনক ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তারা।
ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন : বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী ও মহাসচিব এমএ আজিজ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবদুস শহীদ ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বাকের হোসাইন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শামসুল হক হায়দারী ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজ, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি এসএমএ কাদের ও সাধারণ সম্পাদক আহাস হাবীব অপু, খুলনা মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ আনিসুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক এইচএম আলাউদ্দিন, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মহিদুল ইসলাম মন্টু ও সাধারণ সম্পাদক নূর ইসলাম, বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মির্জা সেলিম রেজা ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফজলে রাব্বী ডলার এক যুক্ত বিবৃতিতে আমার দেশ-এর বিশেষ প্রতিনিধি এম আবদুল্লাহর ওপর হামলাকারী সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করার দাবি জানিয়ে বলেন, সম্পাদককে হুমকি ও রিপোর্টারের ওপর হামলার ঘটনা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও বহুমত প্রকাশের বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপের শামিল।
তারা বলেন, গণতন্ত্রের বিকাশ ও দুর্নীতিমুক্ত একটি স্বচ্ছ সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য স্বাধীন সাংবাদিকতা অপরিহার্য শর্ত। সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সরকারের বিভিন্ন অনিয়ম ও গরমিল তুলে ধরেন। তাতে সরকার ও রাষ্ট্র উপকৃত হয়। আজকের মহাজোট সরকার অন্যের অনিয়ম ও দুর্নীতির কথা সংবাদ মাধ্যমের বদৌলতে অবগত হয়ে যদি জোরগলায় বলতে পারে, তাহলে সরকারের কোনো অনিয়ম সাংবাদিকরা প্রকাশ করলে এত ক্ষিপ্ত হওয়ার যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণ থাকতে পারে না। সাংবাদিক নেতারা ভিন্নমত প্রকাশ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকারকে সহনশীল হওয়ার আহ্বান জানান।
এছাড়া স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক শরাফত আলী শফু ও সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারী বাবু, ছাত্রদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম ও সিনিয়র সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবুল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক আবদুল মতিন, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, দক্ষিণের আহ্বায়ক হাবিবুর রশিদ হাবিব, আশির দশকের ছাত্রনেতা এসএম কামাল উদ্দীন চৌধুরী, ফেরদৌস আহমেদ খোকন, তাপস পাঠান, সরওয়ার আজম খান, শাহজাহান মিয়া সম্রাটসহ ১০১ ছাত্রনেতা পৃথক বিবৃতিতে এম আবদুল্লাহর ওপর হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
ফেনীর রাজনৈতিক নেতা ও বিভিন্ন সংগঠন : ফেনী মহিলা সংসদ সদস্য রেহেনা আক্তার রানু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন, জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক লিয়াকত আলী, যুবদল সভাপতি গাজী হাবিবুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, ছাত্রদল সভাপতি কামরুল হাসান মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ কায়সার এক যুক্ত বিবৃতিতে এম আবদুল্লাহর ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন। হামলার প্রতিবাদে গতকাল সন্ধ্যায় ফেনীর সাংবাদিকরা এক সভায় মিলিত হন। ফেনী প্রেসক্লাবের সভাপতি একেএম আবদুর রহিম, সাবেক সভাপতি নুরুল কবির মজুমদার, ইনকিলাব প্রতিনিধি আবদুল হক, আমাদের সময় প্রতিনিধি কামাল উদ্দীন, দিনকাল প্রতিনিধি মফিজুর রহমান, দেশ টিভি প্রতিনিধি শেখ ফরিদা আখতার প্রমুখ এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ও হামলাকারীদের গ্রেফতার দাবি করেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেন, সরকারি দলের নেতা ও মন্ত্রীরা যখন একজন পত্রিকার সম্পাদককে প্রকাশ্যে হুমকি দেন, তখন এসব হামলাকারীর শক্তির উত্স সম্পর্কে কাউকে বলে দেয়ার প্রয়োজন পড়ে না। তিনি বলেন, আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, বর্তমান ক্ষমতাসীন মহল আগের ন্যায় বাক, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণের অপচেষ্টায় মেতে উঠেছে। তাদের এ মানসিকতা গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক হুমকি। তিনি বলেন, সংবাদপত্র রাষ্ট্র ব্যবস্থার চতুর্থ স্তম্ভ। এর স্বাধীনতা খর্ব করার চেষ্টা কখনও সফল হয়নি। অতীতে যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে, তাদের করুণ পরিণতি বরণ করতে হয়েছে। তিনি অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে পরমতসহিষ্ণু হওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি সাংবাদিক এম আবদুল্লাহর ওপর হামলাকারী সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও শাস্তি দাবি করেন।
অনুরূপ এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন আমার দেশ-এর বিশেষ প্রতিনিধি এম আবদুল্লাহর ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
জামায়াত : দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি এম আবদুল্লাহর ওপর বোমা হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপক মোঃ তাসনীম আলম।
গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এই ঘটনায়ই প্রমাণিত হচ্ছে এ সরকারের আমলে সাংবাদিকদের কোনো নিরাপত্তা নেই। এ সরকারের আমলে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ইতোমধ্যেই সরকারি দলের লোকদের হামলায় আহত হয়েছেন। বস্তুনিষ্ঠ সত্ সাংবাদিকতার পথ রুদ্ধ করার হীন উদ্দেশ্যেই সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়ে, মারধর করে, জেলে পুরে মত প্রকাশের পথ রুদ্ধ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজে এ ধরনের হামলা অকল্পনীয়। আমার দেশ পত্রিকার রিপোর্টার এম আবদুল্লাহর ওপর বোমা হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান এবং সাংবাদিকসহ দেশের সব নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি ।
অপর এক বিবৃতিতে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আজাদ এমপি বলেন, হামলার মাধ্যমে শাসক দলের ফ্যাসিবাদী মনোভাবেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
জাতীয় প্রেসক্লাব: আমার দেশ-এর বিশেষ প্রতিনিধি ও জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য এম আবদুল্লাহর ওপর হামলা ও প্রাণনাশের চেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি শওকত মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দীন সবুজ বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের এ পরিণতি দেশের মানুষের স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের কণ্ঠরোধ করে দিতে পারে। এ ন্যক্কারজনক ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তারা।
ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন : বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী ও মহাসচিব এমএ আজিজ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবদুস শহীদ ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বাকের হোসাইন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শামসুল হক হায়দারী ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজ, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি এসএমএ কাদের ও সাধারণ সম্পাদক আহাস হাবীব অপু, খুলনা মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ আনিসুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক এইচএম আলাউদ্দিন, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মহিদুল ইসলাম মন্টু ও সাধারণ সম্পাদক নূর ইসলাম, বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মির্জা সেলিম রেজা ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফজলে রাব্বী ডলার এক যুক্ত বিবৃতিতে আমার দেশ-এর বিশেষ প্রতিনিধি এম আবদুল্লাহর ওপর হামলাকারী সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করার দাবি জানিয়ে বলেন, সম্পাদককে হুমকি ও রিপোর্টারের ওপর হামলার ঘটনা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও বহুমত প্রকাশের বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপের শামিল।
তারা বলেন, গণতন্ত্রের বিকাশ ও দুর্নীতিমুক্ত একটি স্বচ্ছ সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য স্বাধীন সাংবাদিকতা অপরিহার্য শর্ত। সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সরকারের বিভিন্ন অনিয়ম ও গরমিল তুলে ধরেন। তাতে সরকার ও রাষ্ট্র উপকৃত হয়। আজকের মহাজোট সরকার অন্যের অনিয়ম ও দুর্নীতির কথা সংবাদ মাধ্যমের বদৌলতে অবগত হয়ে যদি জোরগলায় বলতে পারে, তাহলে সরকারের কোনো অনিয়ম সাংবাদিকরা প্রকাশ করলে এত ক্ষিপ্ত হওয়ার যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণ থাকতে পারে না। সাংবাদিক নেতারা ভিন্নমত প্রকাশ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকারকে সহনশীল হওয়ার আহ্বান জানান।
এছাড়া স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক শরাফত আলী শফু ও সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারী বাবু, ছাত্রদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম ও সিনিয়র সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবুল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক আবদুল মতিন, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, দক্ষিণের আহ্বায়ক হাবিবুর রশিদ হাবিব, আশির দশকের ছাত্রনেতা এসএম কামাল উদ্দীন চৌধুরী, ফেরদৌস আহমেদ খোকন, তাপস পাঠান, সরওয়ার আজম খান, শাহজাহান মিয়া সম্রাটসহ ১০১ ছাত্রনেতা পৃথক বিবৃতিতে এম আবদুল্লাহর ওপর হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
ফেনীর রাজনৈতিক নেতা ও বিভিন্ন সংগঠন : ফেনী মহিলা সংসদ সদস্য রেহেনা আক্তার রানু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন, জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক লিয়াকত আলী, যুবদল সভাপতি গাজী হাবিবুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, ছাত্রদল সভাপতি কামরুল হাসান মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ কায়সার এক যুক্ত বিবৃতিতে এম আবদুল্লাহর ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন। হামলার প্রতিবাদে গতকাল সন্ধ্যায় ফেনীর সাংবাদিকরা এক সভায় মিলিত হন। ফেনী প্রেসক্লাবের সভাপতি একেএম আবদুর রহিম, সাবেক সভাপতি নুরুল কবির মজুমদার, ইনকিলাব প্রতিনিধি আবদুল হক, আমাদের সময় প্রতিনিধি কামাল উদ্দীন, দিনকাল প্রতিনিধি মফিজুর রহমান, দেশ টিভি প্রতিনিধি শেখ ফরিদা আখতার প্রমুখ এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ও হামলাকারীদের গ্রেফতার দাবি করেন।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


