প্রেস ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র সচিব : জলবায়ু সম্মেলনে দেশের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি
কূটনৈতিক রিপোর্টার
পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস বলেছেন, কোপেনহেগেন সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন দিল্লি সফরে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির আশা করছে বাংলাদেশ। যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধের ব্যাপারে পাকিস্তান বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলেনি।
গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ইউরোপের স্বাধীন মুসলিম বলকান রাষ্ট্র কসোভোর স্বীকৃতি নিয়ে বাংলাদেশ কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলেও তিনি মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রীর সফর বিষয়ে তিনি বলেন, ভারতের প্রস্তাবিত ১০-১১ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের সময়সূচি এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি। যুদ্ধাপরাধের বিচার বন্ধে পাকিস্তান লবিং করছে বলে যে খবর বেরিয়েছে সে ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তান আমাদের কাছে কোনো কিছু বলেনি। এমনকি জাতিসংঘের মাধ্যমেও এ ধরনের কোনো আপত্তির কথা আমাদের জানানো হয়নি। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বাংলাদেশ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক কাজ করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়েও এ নিয়ে কাজ চলছে।
তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে তিনি বলেন, দিল্লিতে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি অবশ্যই আলাদা গুরুত্ব পাবে। শীর্ষ ওই বৈঠকে তিস্তা নদীর পানিবণ্টন নিয়ে একটি সমঝোতা বা অঙ্গীকার আশা করছি আমরা। এর জন্য যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক হওয়া বা না হওয়া গুরুত্বপূর্ণ নয়। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন ইস্যু অনেকদিন আলোচনায় ছিল না। এখন সেটা বাধ্যতামূলক ইস্যু হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার। এ ধরনের অনেক বিষয়ে আলোচনা সরলরৈখিক গতির বাইরে আলাদা গতি পেয়ে থাকে। বাংলাদেশ-ভারত ট্রানজিট প্রশ্নে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, এ নিয়ে আলোচনায় ভারত আশুগঞ্জে পোর্ট অব কল, চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের সুবিধা চায়। এছাড়া ত্রিপুরার পালাতানায় ভারী যন্ত্রপাতি পরিবহনে ওভার ডাইমেনশনাল কনসাইনমেন্টস (ওডিসি) সুবিধা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে এটি ট্রানজিট নয়। আর বাংলাদেশ ভারতের ভিতর দিয়ে ভুটান ও নেপালে যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী যান চলাচলের জন্য ট্রানজিট নিয়ে আলোচনা করছে। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরকালে সম্ভাব্য পাঁচ চুক্তিই ভারতের স্বার্থ আদায় করছে উল্লেখ করা হলে তিনি ভিন্নমত পোষণ করে বলেন, বিদ্যুত্ আমদানি করতে যে এমওইউ সই করা হবে তাতে বাংলাদেশ উপকৃত হবে। একইভাবে দু’দেশের পণ্যের মান-সংস্থার মধ্যে অভিন্ন মান বজায় রাখার চুক্তিতেও বাংলাদেশ ভারতে পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে অশুল্ক, আধাশুল্ক বাধার মুখোমুখি হবে না। এতে রফতানি বাড়বে। তাছাড়া ভারতে বাংলাদেশী পণ্যের ওপর স্থানীয় কর আরোপ নিয়েও আলোচনা চলছে বলে জানান মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া উইংয়ের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইমরান। সন্ত্রাস ও নিরাপত্তা নিয়ে তিন চুক্তি বাংলাদেশের স্বার্থ সংরক্ষণ করছে বলেও মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র সচিব। সীমান্তে বিএসএফের নির্বিচার হত্যা আর অপহরণ নিয়ে বাংলাদেশ সবসময়ই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বলেও জানান তিনি। সচিব জানান, বাংলাদেশ-মিয়ানমার-ভারত ত্রিদেশীয় গ্যাসলাইন নিয়ে ঢাকায় মিয়ামারের সঙ্গে পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে আলোচনা হবে। ওই বৈঠকে যোগ দিতে মিয়ানমারের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ২৮-২৯ ডিসেম্বর ঢাকা সফর করবেন।
গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ইউরোপের স্বাধীন মুসলিম বলকান রাষ্ট্র কসোভোর স্বীকৃতি নিয়ে বাংলাদেশ কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলেও তিনি মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রীর সফর বিষয়ে তিনি বলেন, ভারতের প্রস্তাবিত ১০-১১ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের সময়সূচি এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি। যুদ্ধাপরাধের বিচার বন্ধে পাকিস্তান লবিং করছে বলে যে খবর বেরিয়েছে সে ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তান আমাদের কাছে কোনো কিছু বলেনি। এমনকি জাতিসংঘের মাধ্যমেও এ ধরনের কোনো আপত্তির কথা আমাদের জানানো হয়নি। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বাংলাদেশ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক কাজ করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়েও এ নিয়ে কাজ চলছে।
তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে তিনি বলেন, দিল্লিতে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি অবশ্যই আলাদা গুরুত্ব পাবে। শীর্ষ ওই বৈঠকে তিস্তা নদীর পানিবণ্টন নিয়ে একটি সমঝোতা বা অঙ্গীকার আশা করছি আমরা। এর জন্য যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক হওয়া বা না হওয়া গুরুত্বপূর্ণ নয়। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন ইস্যু অনেকদিন আলোচনায় ছিল না। এখন সেটা বাধ্যতামূলক ইস্যু হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার। এ ধরনের অনেক বিষয়ে আলোচনা সরলরৈখিক গতির বাইরে আলাদা গতি পেয়ে থাকে। বাংলাদেশ-ভারত ট্রানজিট প্রশ্নে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, এ নিয়ে আলোচনায় ভারত আশুগঞ্জে পোর্ট অব কল, চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের সুবিধা চায়। এছাড়া ত্রিপুরার পালাতানায় ভারী যন্ত্রপাতি পরিবহনে ওভার ডাইমেনশনাল কনসাইনমেন্টস (ওডিসি) সুবিধা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে এটি ট্রানজিট নয়। আর বাংলাদেশ ভারতের ভিতর দিয়ে ভুটান ও নেপালে যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী যান চলাচলের জন্য ট্রানজিট নিয়ে আলোচনা করছে। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরকালে সম্ভাব্য পাঁচ চুক্তিই ভারতের স্বার্থ আদায় করছে উল্লেখ করা হলে তিনি ভিন্নমত পোষণ করে বলেন, বিদ্যুত্ আমদানি করতে যে এমওইউ সই করা হবে তাতে বাংলাদেশ উপকৃত হবে। একইভাবে দু’দেশের পণ্যের মান-সংস্থার মধ্যে অভিন্ন মান বজায় রাখার চুক্তিতেও বাংলাদেশ ভারতে পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে অশুল্ক, আধাশুল্ক বাধার মুখোমুখি হবে না। এতে রফতানি বাড়বে। তাছাড়া ভারতে বাংলাদেশী পণ্যের ওপর স্থানীয় কর আরোপ নিয়েও আলোচনা চলছে বলে জানান মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া উইংয়ের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইমরান। সন্ত্রাস ও নিরাপত্তা নিয়ে তিন চুক্তি বাংলাদেশের স্বার্থ সংরক্ষণ করছে বলেও মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র সচিব। সীমান্তে বিএসএফের নির্বিচার হত্যা আর অপহরণ নিয়ে বাংলাদেশ সবসময়ই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বলেও জানান তিনি। সচিব জানান, বাংলাদেশ-মিয়ানমার-ভারত ত্রিদেশীয় গ্যাসলাইন নিয়ে ঢাকায় মিয়ামারের সঙ্গে পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে আলোচনা হবে। ওই বৈঠকে যোগ দিতে মিয়ানমারের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ২৮-২৯ ডিসেম্বর ঢাকা সফর করবেন।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


