গোলটেবিলে মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান : পত্রিকা সম্পাদককে হুমকি স্বাভাবিকভাবে নিচ্ছি না : এক বছরে ১৫১২৬ রাজনৈতিক সহিংসতা
কূটনৈতিক রিপোর্টার
বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গত জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে ১৫ হাজার ১২৬টি রাজনৈতিক সহিংস ঘটনা ঘটেছে। এসব সহিংসতায় মোট ২৩৯ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দলে নিহত হয়েছে ৩৯ জন। এদের মধ্যে ৩৭ জন আওয়ামী লীগের এবং ২ জন বিএনপির। একই সময় দেশে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে ২২৯টি। এসব হামলায় নিহত হয়েছেন ৩ জন এবং গুরুতর আহত হয়েছেন ৭১ জন।
‘গণমাধ্যমের ওপর চাপ এবং রাজনৈতিক সহিংসতা : রাষ্ট্রের দায়িত্ব এবং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি’ শীর্ষক আলোচনায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।
গতকাল ব্র্যাক সেন্টারে মানবাধিকার সংস্থা অধিকার এই আলোচনার আয়োজন করে। দিনব্যাপী আলোচনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এবং পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি আমিরুল কবীর চৌধুরী বলেন, কোনো সভ্য দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চলতে পারে না। বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডগুলোর তদন্ত হওয়া উচিত এবং এজন্য আলাদা তদন্ত কমিশন গঠন জরুরি। সরকারের উচিত এই কাজটি করা।
দুর্নীতির খবর প্রকাশ করায় একজন সম্পাদককে দেয়া সরকারের শীর্ষ মন্ত্রীদের হুমকি সম্পর্কে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের এই আচরণ আমরা স্বাভাবিকভাবে নিচ্ছি না। তবে এক্ষেত্রে সাংবাদিকদের অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। এটা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। যে কোনো সভ্য সমাজের জন্য স্বাধীন গণমাধ্যম অপরিহার্য। ২০০৭ সালে বাংলাদেশের গণমাধ্যম প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছে। স্বৈরতান্ত্রিক সরকারগুলোই কেবল গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করতে চায়।
বিশেষ অতিথি সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। বিচারবহির্ভূত হত্যা বিচার বিভাগের জন্য বড় ধরনের আঘাত। আমরা বিচারপতিরা জনগণের অধিকার রক্ষার শপথ নিয়েছি। আর আমাদের সামনে যখন বিনা বিচারে কাউকে হত্যা করা হয়, তখন তা আমাদের জন্য আঘাতস্বরূপ। তিনি বলেন, কোনো আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যের হাতে কাউকে হত্যার দায়িত্ব তুলে দেয়া যায় না। এটা জাতির জন্য আত্মঘাতী।
সরকারকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের অধিকার রক্ষার দায়িত্ব সরকারের। যে মৌলিক উদ্দেশ্য নিয়ে সরকার গঠিত হওয়ার কথা, আমাদের দেশে তা হয় না। সরকারের দায়িত্ব জনগণের জন্য সুন্দর চলার পথ তৈরি করা। আমাদের সরকারগুলো তা না করে নিজেদের চলার জন্য সুন্দর পথ তৈরি করে। তিনি বলেন, সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব হলো জনগণের মঙ্গলের জন্য আইন তৈরি করা। আইনের খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে বিতর্ক করা। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, অনেক সংসদ সদস্য আইনটি পড়েও দেখেন না। কেরানিরা আইনের ড্রাফট তৈরি করে দেবে আর সংসদ সদস্যরা তালি বাজিয়ে তা পাস করে দেবেন এটা উচিত নয়।
অধিকারের সেক্রেটারি আদিলুর রহমান খান রাজনৈতিক সহিংসতা এবং সংবাদ মাধ্যমের ওপর হামলার চিত্র তুলে ধরে বলেন, গত জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে মোট ১৫ হাজার ১২৬টি রাজনৈতিক সহিংস ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় নিহত হয়েছে ২৩৯ জন। আহতের সংখ্যা ১৪ হাজার ২৭৪। সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে ২২৯টি। এসব হামলায় অন্তত ৩ জন নিহত এবং ৭১ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
‘গণমাধ্যমের ওপর চাপ এবং রাজনৈতিক সহিংসতা : রাষ্ট্রের দায়িত্ব এবং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি’ শীর্ষক আলোচনায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।
গতকাল ব্র্যাক সেন্টারে মানবাধিকার সংস্থা অধিকার এই আলোচনার আয়োজন করে। দিনব্যাপী আলোচনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এবং পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি আমিরুল কবীর চৌধুরী বলেন, কোনো সভ্য দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চলতে পারে না। বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডগুলোর তদন্ত হওয়া উচিত এবং এজন্য আলাদা তদন্ত কমিশন গঠন জরুরি। সরকারের উচিত এই কাজটি করা।
দুর্নীতির খবর প্রকাশ করায় একজন সম্পাদককে দেয়া সরকারের শীর্ষ মন্ত্রীদের হুমকি সম্পর্কে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের এই আচরণ আমরা স্বাভাবিকভাবে নিচ্ছি না। তবে এক্ষেত্রে সাংবাদিকদের অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। এটা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। যে কোনো সভ্য সমাজের জন্য স্বাধীন গণমাধ্যম অপরিহার্য। ২০০৭ সালে বাংলাদেশের গণমাধ্যম প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছে। স্বৈরতান্ত্রিক সরকারগুলোই কেবল গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করতে চায়।
বিশেষ অতিথি সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। বিচারবহির্ভূত হত্যা বিচার বিভাগের জন্য বড় ধরনের আঘাত। আমরা বিচারপতিরা জনগণের অধিকার রক্ষার শপথ নিয়েছি। আর আমাদের সামনে যখন বিনা বিচারে কাউকে হত্যা করা হয়, তখন তা আমাদের জন্য আঘাতস্বরূপ। তিনি বলেন, কোনো আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যের হাতে কাউকে হত্যার দায়িত্ব তুলে দেয়া যায় না। এটা জাতির জন্য আত্মঘাতী।
সরকারকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের অধিকার রক্ষার দায়িত্ব সরকারের। যে মৌলিক উদ্দেশ্য নিয়ে সরকার গঠিত হওয়ার কথা, আমাদের দেশে তা হয় না। সরকারের দায়িত্ব জনগণের জন্য সুন্দর চলার পথ তৈরি করা। আমাদের সরকারগুলো তা না করে নিজেদের চলার জন্য সুন্দর পথ তৈরি করে। তিনি বলেন, সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব হলো জনগণের মঙ্গলের জন্য আইন তৈরি করা। আইনের খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে বিতর্ক করা। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, অনেক সংসদ সদস্য আইনটি পড়েও দেখেন না। কেরানিরা আইনের ড্রাফট তৈরি করে দেবে আর সংসদ সদস্যরা তালি বাজিয়ে তা পাস করে দেবেন এটা উচিত নয়।
অধিকারের সেক্রেটারি আদিলুর রহমান খান রাজনৈতিক সহিংসতা এবং সংবাদ মাধ্যমের ওপর হামলার চিত্র তুলে ধরে বলেন, গত জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে মোট ১৫ হাজার ১২৬টি রাজনৈতিক সহিংস ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় নিহত হয়েছে ২৩৯ জন। আহতের সংখ্যা ১৪ হাজার ২৭৪। সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে ২২৯টি। এসব হামলায় অন্তত ৩ জন নিহত এবং ৭১ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


