Amardesh
আজঃ ঢাকা, রোববার ২০ ডিসেম্বর ২০০৯, ৬ পৌষ ১৪১৬, ২ মহররম ১৪৩০     আপডেট সময়ঃ রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --

বরিশালে চাল ডাল তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি : সবজির দামও চড়া

বরিশাল অফিস
চাল, ডাল, তেল, গুঁড়ো দুধসহ বিভিন্ন পণ্যের মূল্য বেড়েই চলেছে বরিশালের বাজারে। ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছে মধ্যবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষ। হতাশা বিরাজ করছে নিম্নবিত্তদের মধ্যে। এক সপ্তার ব্যবধানে চালের কেজি দেড় থেকে ৩ টাকা বেড়েছে। এছাড়া গুঁড়ো দুধ, ডাল, আটা, ময়দাসহ মসলা জাতীয় পণ্যের দামও বাড়ছে হু হু করে।
বরিশালের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ পণ্যই চড়াদামে বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তার ব্যবধানে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি দেড় থেকে ৩ টাকা। গতকাল নাজিরশাইল ৪৮, আটাশ ২৪, বুলেট, গায়েভারী ও মোটা চাল ২৩ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। সয়াবিন তেল ক’দিনের ব্যবধানে লিটারপ্রতি ৫-৬ টাকা বেড়েছে। ৫ লিটার সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ৪৩০ টাকায়। সরিষার তেল লিটারপ্রতি ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা দরে। গুঁড়ো দুধের মূল্য এক সপ্তার ব্যবধানে ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে প্যাকেটপ্রতি। এছাড়া বিভিন্ন প্রকার মসলারও দাম বেড়েছে। এক কেজি এলাচির দাম ১৬শ’ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮শ’ টাকায়। জিরার দাম কেজিপ্রতি ৬০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়।
ডালের দামও কেজিপ্রতি ৫ থেকে ৭ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে। ৮৫ টাকার আমদানিকৃত মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, ১২০ টাকার দেশি মসুর ডাল ১৩৬ টাকা। ৮৫ টাকার মুগ ডাল ১০০ টাকা ও ২৮ টাকার এ্যাঙ্কর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি। ১৩০ টাকার শুকনো মরিচ ১৪০, ১৩০ টাকার হলুদ ১৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আটা ও ময়দার দামও কেজিপ্রতি ১ থেকে ২ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে নগরীর বাজারগুলোতে। খোলা সাদা আটা ২১, প্যাকেট আটা ২৪, খোলা ময়দা ৩২ ও প্যাকেট ময়দা ৩৪ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে শীত মৌসুম চললেও শাকসবজির দামেও ছড়িয়ে পড়েছে উত্তাপ। বিভিন্ন প্রকার সবজির মূল্য কেজিপ্রতি ৫থেকে ৭ টাকা বেড়ে গেছে গত ক’দিনের ব্যবধানে। শিমের কেজি ২০, ফুলকপি, বাঁধাকপি ও শালগম ২০ থেকে ১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য সবজির দামও ওঠানামা করছে প্রতিদিন।
এদিকে নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধিতে নানা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে ক্রেতাদের মধ্যে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের মধ্যে বিরাজ করছে উত্কণ্ঠা। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সীমিত বেতনের চাকরিজীবী আবদুল হালিম দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে বলেন, আমাদের মতো মানুষের এখন ৩ বেলা খেয়ে বেঁচে থাকাটাই দায় হয়ে পড়েছে। খাদ্যপণ্য কিনতে গিয়েই মাসিক বাজেট ফুরিয়ে যাচ্ছে। সপ্তায় সপ্তায় বাজার দর বাড়ছে। কিন্তু আমাদের বেতন তো আর বাড়ছে না। ফলে খাদ্যপণ্য কেনার পর ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া কিংবা পোশাক-আশাকের খরচ জোগানো অসম্ভব হয়ে পড়ছে।
নগরীর কাঁচাবাজারে কেনাকাটা করতে এসে রিকশা চালক আবুল কালাম জানান, দিনদিন দ্রব্যমূল্য যেহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে জীবন চালানো খুবই কষ্টকর। আগামী দিনগুলো কীভাবে কাটবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন বলে জানান ওই দিনমজুর।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?