শীতে রংপুরে ৮ জনের মৃত্যু দুর্ভোগে নিম্নআয়ের মানুষ
রোকন উদ্দিন খান, রংপুর
প্রচণ্ড শীতে রংপুরের জনজীবনে নেমে এসেছে অসহনীয় দুর্ভোগ। প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের অভাবে রংপুরের আট উপজেলার ৫ লাখ দরিদ্র মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। গত ক’দিনের প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় রংপুরের বিভিন্ন এলাকায় নিউমোনিয়া, কোল্ড ডায়রিয়া, হাঁপানি, শ্বাসকষ্টসহ নানা ধরনের রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত তিন দিনে ঠাণ্ডাজনিত রোগে অন্তত আটজনের মৃত্যু হয়েছে বলে চিকিত্সকরা জানিয়েছেন।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন— পীরগঞ্জের হজরত আলী (৯৫), দিনাজপুর শহরের মানিক (৪০), খেজমতপুর গ্রামের জহুরুল হক (৫২), গঙ্গাচড়ার আয়েশা বেগম (৬৫), মিঠাপুকুরের বালুয়া মাসিমপুর গ্রামের আব্দুল আজিজ (৭৫), সদর উপজেলার মমিনপুর গ্রামের আশেক আলী (৫৫), গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার সাহেরা খাতুন (৯) এবং নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার সজীব (২ মাস)। এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে রংপুরের আট উপজেলার ৫ লাখ শীতার্ত মানুষের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয় তা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই নগণ্য। রংপুর জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোখলেসুর রহমান আমার দেশকে জানান, ‘রংপুরের আট উপজেলায় সাড়ে ৪ হাজার কম্বল, ৫০০ স্যুয়েটার ও ১৫০টি অন্যান্য শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।’ অপ্রতুল ত্রাণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা রংপুরের শীতার্ত মানুষের জন্য আরও ৩০ হাজার কম্বলের বরাদ্দ চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছি, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো জবাব পাইনি।’
গত ক’দিন ধরে তীব্র শীতে রংপুর শহরসহ আট উপজেলার দরিদ্র মানুষ চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন। নিউমোনিয়াসহ ঠাণ্ডাজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসাপাতালে ভর্তি হয়েছেন অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি। গতকাল রংপুরের আকাশ ছিল কুয়াশায় ঢাকা। বিকেলের দিকে অল্প সময়ের জন্য সূর্যের দেখা পাওয়া গেলেও সারাদিনের তাপমাত্রা ছিল অনেক কম। রংপুর আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, গতকাল রংপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন— পীরগঞ্জের হজরত আলী (৯৫), দিনাজপুর শহরের মানিক (৪০), খেজমতপুর গ্রামের জহুরুল হক (৫২), গঙ্গাচড়ার আয়েশা বেগম (৬৫), মিঠাপুকুরের বালুয়া মাসিমপুর গ্রামের আব্দুল আজিজ (৭৫), সদর উপজেলার মমিনপুর গ্রামের আশেক আলী (৫৫), গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার সাহেরা খাতুন (৯) এবং নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার সজীব (২ মাস)। এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে রংপুরের আট উপজেলার ৫ লাখ শীতার্ত মানুষের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয় তা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই নগণ্য। রংপুর জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোখলেসুর রহমান আমার দেশকে জানান, ‘রংপুরের আট উপজেলায় সাড়ে ৪ হাজার কম্বল, ৫০০ স্যুয়েটার ও ১৫০টি অন্যান্য শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।’ অপ্রতুল ত্রাণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা রংপুরের শীতার্ত মানুষের জন্য আরও ৩০ হাজার কম্বলের বরাদ্দ চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছি, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো জবাব পাইনি।’
গত ক’দিন ধরে তীব্র শীতে রংপুর শহরসহ আট উপজেলার দরিদ্র মানুষ চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন। নিউমোনিয়াসহ ঠাণ্ডাজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসাপাতালে ভর্তি হয়েছেন অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি। গতকাল রংপুরের আকাশ ছিল কুয়াশায় ঢাকা। বিকেলের দিকে অল্প সময়ের জন্য সূর্যের দেখা পাওয়া গেলেও সারাদিনের তাপমাত্রা ছিল অনেক কম। রংপুর আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, গতকাল রংপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


