বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপ : দুই নেত্রীর পরস্পরবিরোধী অবস্থানে পিছিয়ে পড়ছে দেশ
আনছার হোসেন, কক্সবাজার
“রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিহিংসার রাজনীতি, মতবিরোধের কারণে দেশের বাইরে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের দুই নেত্রীর পরস্পরবিরোধী অবস্থানের কারণেও দেশ বারবার পিছিয়ে পড়ছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতৈক্য সৃষ্টি করা না গেলে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে মিডিয়াও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। মিডিয়া যদি নেতিবাচক মানসিকতা পরিহার করে ‘পজিটিভ বাংলাদেশ’কে তুলে ধরে তাতে হয়তো বাংলাদেশের অবস্থান আরও উজ্জ্বল হতে পারে।” বিবিসি বাংলা সার্ভিস আয়োজিত ‘বাংলাদেশ সংলাপ’-এর বিশেষ পর্বে আলোচকরা এ প্রতিক্রিয়াই ব্যক্ত করেছেন। গতকাল বিকালে পৃথিবীর দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্র সৈকতের উন্মুক্ত বেলাভূমিতে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। ‘বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি কীভাবে তুলে ধরা যায়’—এ বিষয়কে সামনে রেখে এই বিশেষ সংলাপের আয়োজন করা হয়। মিথিলা ফারজানার সঞ্চালনায় পরিচালিত এ সংলাপে প্যানেল আলোচক ছিলেন তরুণ উদ্যোক্তা ইন্তেখাব মাহমুদ, বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী মুনমুন আহমদ ও অন্যতম ব্যান্ড সঙ্গীত দল মাইলসের ভোকাল শাফিন আহমেদ।
বিকাল ৪টায় শুুরু হওয়া এ সংলাপে প্রশ্ন তোলা হয়, বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য কক্সবাজারে এক্সক্লুসিভ ট্যুরিস্ট জোন প্রতিষ্ঠাসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন কীভাবে করা যায়? প্যানেল আলোচক ও অংশগ্রহণকারীরা বলেন, সরকার এগিয়ে না এলে এক্সক্লুসিভ ট্যুরিস্ট জোনের মতো পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তারা মনে করেন, পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ও দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য অবশ্যই এক্সক্লুসিভ ট্যুরিস্ট জোন ও অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। পর্যটন শিল্পের বিকাশের মাধ্যমে বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি তুলে ধরা সম্ভব।
সংলাপে দ্বিতীয় প্রশ্ন তোলা হয়, পাশ্চাত্য সংস্কৃতির দৌরাত্ম্যে দেশীয় সংস্কৃতি বিলুপ্ত হতে চলেছে। দেশীয় সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে দেশের ভাবমূর্তি কীভাবে তুলে ধরা যায়? বক্তারা বলেন, ‘দেশের সুপ্রাচীন লোকজ সংস্কৃতি, বিশেষ করে রবীন্দ্রসঙ্গীত, নজরুলগীতি, বাউলসঙ্গীত, লোকজ গানসহ দেশীয় সংস্কৃতি বহন করে এমন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশকে তুলে ধরা সহজ। এছাড়াও পার্বত্য অঞ্চলে বিশাল আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতিও তুলে ধরা সম্ভব।’
সংলাপের মাঝামাঝি এসে দেশের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও অনৈক্যের বিষয়টি উঠে আসে। তখন সবাই এক সুরেই বলেন, ‘দেশে এখনও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বিরাজমান। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর কাদা ছোড়াছুড়ির কারণে দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট হচ্ছে। এ আচরণ ও চেতনা থেকে রাজনৈতিক দলগুলোকে বেরিয়ে আসতে হবে।’ প্যানেল আলোচক ও অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, দেশে সরকারি ও বিরোধী দল ভালো কাজে ঐক্যবদ্ধ থাকলে এবং এসব ভালো কাজের খবর মিডিয়ায় ফলাও করে প্রচার পেলে দেশের ভেতর ও বাইরে আমাদের ভাবমূর্তি বাড়ত।
শেষ প্রশ্নে বলা হয়, প্রতিটি দেশেরই একটি ‘ব্র্যান্ড’ থাকে। দেশের বাইরে বাংলাদেশের জন্য প্রচারণা ‘ব্র্যান্ড’ কী হতে পারে? আলোচনায় বলা হয়, ট্যুরিজম, পুরাকৃতি সংরক্ষণ ও বিপণনের মাধ্যমে ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’কে বহির্বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে হবে। তাই এসব খাতে উন্নয়ন সরকারের দায়িত্ব। তা না হলে একা কারও পক্ষে এসব খাতে উন্নয়ন করা সম্ভব নয়।’
সংলাপে প্রশ্ন করেন সাইফুল আজিম, মোহাম্মদ আবরার হোসেন, মাহফুজুল করিম ও আবদুল্লাহ আল মামুন।
বিকাল ৪টায় শুুরু হওয়া এ সংলাপে প্রশ্ন তোলা হয়, বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য কক্সবাজারে এক্সক্লুসিভ ট্যুরিস্ট জোন প্রতিষ্ঠাসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন কীভাবে করা যায়? প্যানেল আলোচক ও অংশগ্রহণকারীরা বলেন, সরকার এগিয়ে না এলে এক্সক্লুসিভ ট্যুরিস্ট জোনের মতো পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তারা মনে করেন, পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ও দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য অবশ্যই এক্সক্লুসিভ ট্যুরিস্ট জোন ও অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। পর্যটন শিল্পের বিকাশের মাধ্যমে বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি তুলে ধরা সম্ভব।
সংলাপে দ্বিতীয় প্রশ্ন তোলা হয়, পাশ্চাত্য সংস্কৃতির দৌরাত্ম্যে দেশীয় সংস্কৃতি বিলুপ্ত হতে চলেছে। দেশীয় সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে দেশের ভাবমূর্তি কীভাবে তুলে ধরা যায়? বক্তারা বলেন, ‘দেশের সুপ্রাচীন লোকজ সংস্কৃতি, বিশেষ করে রবীন্দ্রসঙ্গীত, নজরুলগীতি, বাউলসঙ্গীত, লোকজ গানসহ দেশীয় সংস্কৃতি বহন করে এমন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশকে তুলে ধরা সহজ। এছাড়াও পার্বত্য অঞ্চলে বিশাল আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতিও তুলে ধরা সম্ভব।’
সংলাপের মাঝামাঝি এসে দেশের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও অনৈক্যের বিষয়টি উঠে আসে। তখন সবাই এক সুরেই বলেন, ‘দেশে এখনও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বিরাজমান। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর কাদা ছোড়াছুড়ির কারণে দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট হচ্ছে। এ আচরণ ও চেতনা থেকে রাজনৈতিক দলগুলোকে বেরিয়ে আসতে হবে।’ প্যানেল আলোচক ও অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, দেশে সরকারি ও বিরোধী দল ভালো কাজে ঐক্যবদ্ধ থাকলে এবং এসব ভালো কাজের খবর মিডিয়ায় ফলাও করে প্রচার পেলে দেশের ভেতর ও বাইরে আমাদের ভাবমূর্তি বাড়ত।
শেষ প্রশ্নে বলা হয়, প্রতিটি দেশেরই একটি ‘ব্র্যান্ড’ থাকে। দেশের বাইরে বাংলাদেশের জন্য প্রচারণা ‘ব্র্যান্ড’ কী হতে পারে? আলোচনায় বলা হয়, ট্যুরিজম, পুরাকৃতি সংরক্ষণ ও বিপণনের মাধ্যমে ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’কে বহির্বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে হবে। তাই এসব খাতে উন্নয়ন সরকারের দায়িত্ব। তা না হলে একা কারও পক্ষে এসব খাতে উন্নয়ন করা সম্ভব নয়।’
সংলাপে প্রশ্ন করেন সাইফুল আজিম, মোহাম্মদ আবরার হোসেন, মাহফুজুল করিম ও আবদুল্লাহ আল মামুন।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া

