দিলশান ‘ঝড়’ চলছেই
স্পোর্টস ডেস্ক
রাজকোটে প্রথম রাউন্ডটা বীরেন্দ্র শেবাগের হলে নাগপুরে দ্বিতীয় রাউন্ড অবশ্যই তিলকারত্নে দিলশানের। রাজকোটে প্রথম ওয়ানডেতে ১৬০ করেও দলকে জেতাতে পারেননি দিলশান। ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কারটাও গিয়েছিল শেবাগের হাতে। সেটা তাকিয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল না দিলশানের। কিন্তু সেটা সুদে-আসলে নাগপুরে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে উশুল করে নিলেন তিনি। ম্যাচে ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির লড়াইকে হারিয়ে দেন দিলশান। ধোনি সেঞ্চুরি করলেও তা কোনো কাজে লাগেনি। দিলশানের সেঞ্চুরিই কার্যকর ভূমিকা রেখেছে শ্রীলঙ্কার জয়ে। ভারতের ৭ উইকেটে ৩০১ রানের জবাবে শ্রীলঙ্কা ৭ উইকেটে ৩০২ রান করে তিন উইকেটের জয় তুলে নেয়। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে এখন ১-১ সমতা। তৃতীয় ওয়ানডে আগামীকাল কটকে।
বিদর্ভ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন গ্রাউন্ডে অপর উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান উপুল থারাঙ্গা ৫ চারের সাহায্যে ৪২ বলে ৩৭ রান করে হরভজন সিংয়ের বলে শেবাগের হাতে ধরা পড়লেও দিলশানের ব্যাট থেমে থাকেনি। ১১৩ বলে ১২৩ রান করে নেহরার বলে দিলশান যখন বোল্ড হন, তখন দলের রান ছিল ২১৩। দিলশান তার ইনিংসটি সাজান ১২টি চার ও দু’টি ছক্কা দিয়ে। দিলশান যতক্ষণ উইকেটে ছিলেন ততক্ষণ মনে হচ্ছিল অত্যন্ত সহজেই জিততে চলেছে শ্রীলঙ্কা। কিন্তু তিনি আউট হওয়ার পরেই ছন্দপতন ঘটে রান তোলার গতিতে। উইকেটও পড়তে থাকে নিয়মিত বিরতিতে। ২৩২ রানের মাথায় মাহেলা জয়াবর্ধনে (৪৭ বলে ৩৯), ২৬৪ রানে থিলানা কানদাম্বি (৩২ বলে ২৭), ২৬৭ রানে চামারা কাপুগেদারা (২ বলে ২ রান) ও ২৮৫ রানে রনদিভ (৮বলে ৫ রান) আউট হন। শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার আশঙ্কার তরীটি কুলে ভেড়ান অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস অপরাজিত ৩৭ রানের ইনিংসটি খেলে।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপদে পড়ে ভারত। চানাকা ওলেগেদারার প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে উইকেটের পেছনে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারার হাতে ধরা পড়েন বিপজ্জনক শেবাগ। দলের রানের সঙ্গে আর মাত্র ১৫ রান যোগ হতেই গৌতম গম্ভীর (২) দুর্ভাগ্যজনক রান আউটের শিকার হন। এতে বলতে গেলে খাদেই পড়ে যায় ভারত। সেই খাদ থেকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন শচীন টেন্ডুলকার ও বিরাট কোহলি। দু’জনে মিলে ৬২ রান যোগ করার পর দলীয় ৮১ রানের মাথায় অজন্তা মেন্ডিসের বল ঠিকমতো বুঝতে না পেরে স্ট্যাম্পড হন শচীন। ৫২ বল খেলে চারটি চারের সাহায্যে ৪৩ রান করেন তিনি।
এরপর বিরাট কোহলি ও ধোনি জুটি বেঁধে ৫১ রান তুললেও বিপদ একেবারে কাটেনি, তবে বিরাট কোহলির হাফ সেঞ্চুরির সুবাদে কিছুটা হলেও বিপদ কেটে যায়। ১৩২ রানের মাথায় সুরাজ রনদিভের বলে এলবিডব্লুর ফাঁদে পড়ার আগে ৬৫ বলে ৫৪ রান করেন তিনি। এরপর দলের হাল ধরেন ধোনি ও সুরেশ রায়না। মারমুখী ব্যাটিং করে ১২৬ রান তুলে দলকে এগিয়ে নেন অনেকখানি। ২৫৮ রানের মাথায় রায়না ফিরে যাওয়ার আগে রান করেন ৫৫ বলে ৬৮। কিন্তু সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে যেতে থাকেন ধোনি। ৩০০ রানের মাথায় রনদিভের বলে তিলকরত্নে দিলশানের হাতে ধরা পড়ার আগে ১১১ বলে ১০৭ রান করেন ধোনি। তার সেঞ্চুরিতেই তিনশ’ পেরোয় ভারত। কিন্তু তাতে শেষ রক্ষা হয়নি। কারণ ওই দিলশান দাওয়াই।
বিদর্ভ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন গ্রাউন্ডে অপর উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান উপুল থারাঙ্গা ৫ চারের সাহায্যে ৪২ বলে ৩৭ রান করে হরভজন সিংয়ের বলে শেবাগের হাতে ধরা পড়লেও দিলশানের ব্যাট থেমে থাকেনি। ১১৩ বলে ১২৩ রান করে নেহরার বলে দিলশান যখন বোল্ড হন, তখন দলের রান ছিল ২১৩। দিলশান তার ইনিংসটি সাজান ১২টি চার ও দু’টি ছক্কা দিয়ে। দিলশান যতক্ষণ উইকেটে ছিলেন ততক্ষণ মনে হচ্ছিল অত্যন্ত সহজেই জিততে চলেছে শ্রীলঙ্কা। কিন্তু তিনি আউট হওয়ার পরেই ছন্দপতন ঘটে রান তোলার গতিতে। উইকেটও পড়তে থাকে নিয়মিত বিরতিতে। ২৩২ রানের মাথায় মাহেলা জয়াবর্ধনে (৪৭ বলে ৩৯), ২৬৪ রানে থিলানা কানদাম্বি (৩২ বলে ২৭), ২৬৭ রানে চামারা কাপুগেদারা (২ বলে ২ রান) ও ২৮৫ রানে রনদিভ (৮বলে ৫ রান) আউট হন। শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার আশঙ্কার তরীটি কুলে ভেড়ান অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস অপরাজিত ৩৭ রানের ইনিংসটি খেলে।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপদে পড়ে ভারত। চানাকা ওলেগেদারার প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে উইকেটের পেছনে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারার হাতে ধরা পড়েন বিপজ্জনক শেবাগ। দলের রানের সঙ্গে আর মাত্র ১৫ রান যোগ হতেই গৌতম গম্ভীর (২) দুর্ভাগ্যজনক রান আউটের শিকার হন। এতে বলতে গেলে খাদেই পড়ে যায় ভারত। সেই খাদ থেকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন শচীন টেন্ডুলকার ও বিরাট কোহলি। দু’জনে মিলে ৬২ রান যোগ করার পর দলীয় ৮১ রানের মাথায় অজন্তা মেন্ডিসের বল ঠিকমতো বুঝতে না পেরে স্ট্যাম্পড হন শচীন। ৫২ বল খেলে চারটি চারের সাহায্যে ৪৩ রান করেন তিনি।
এরপর বিরাট কোহলি ও ধোনি জুটি বেঁধে ৫১ রান তুললেও বিপদ একেবারে কাটেনি, তবে বিরাট কোহলির হাফ সেঞ্চুরির সুবাদে কিছুটা হলেও বিপদ কেটে যায়। ১৩২ রানের মাথায় সুরাজ রনদিভের বলে এলবিডব্লুর ফাঁদে পড়ার আগে ৬৫ বলে ৫৪ রান করেন তিনি। এরপর দলের হাল ধরেন ধোনি ও সুরেশ রায়না। মারমুখী ব্যাটিং করে ১২৬ রান তুলে দলকে এগিয়ে নেন অনেকখানি। ২৫৮ রানের মাথায় রায়না ফিরে যাওয়ার আগে রান করেন ৫৫ বলে ৬৮। কিন্তু সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে যেতে থাকেন ধোনি। ৩০০ রানের মাথায় রনদিভের বলে তিলকরত্নে দিলশানের হাতে ধরা পড়ার আগে ১১১ বলে ১০৭ রান করেন ধোনি। তার সেঞ্চুরিতেই তিনশ’ পেরোয় ভারত। কিন্তু তাতে শেষ রক্ষা হয়নি। কারণ ওই দিলশান দাওয়াই।
-
খেলাধুলা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


