হকিতে কোড অব কন্ডাক্ট!
স্পোর্টস রিপোর্টার
জাতীয় হকি দলের খেলোয়াড়দের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড ভাবিয়ে তুলেছে ফেডারেশনকে। হঠাত্ করে জাতীয় দল থেকে পদত্যাগ, ক্যাম্প বর্জনসহ অনেক কিছুই ফেডারেশন ভালোভাবে নিচ্ছে না। তাই খেলোয়াড়রা যেন নিয়মতান্ত্রিকভাবে সবকিছু অনুসরণ করেন ও শৃঙ্খলার মধ্যে থাকেন এর জন্য তাদের কোড অব কন্ডাক্টের মধ্যে আনা হচ্ছে। আগেও অবশ্য মৌখিকভাবে খেলোয়াড়দের কন্ডাক্টের মধ্যে আনা হয়েছিল, কিন্তু তা কাজে লাগেনি। এবার ফেডারেশন বর্তমান অবস্থা বিবেচনা করে কাল গভর্নিং বডির সভায় কোড অব কন্ডাক্ট আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে আপাতত এটি হচ্ছে না। এসএ গেমস পর্যন্ত ধীরে চল নীতি অবলম্বন করছে ফেডারেশন। এরপরই নতুন সিদ্ধান্তটি কার্যকর হবে। কাল প্রথমবারের মতো নিয়োজিত প্রধান পরিচালনা কর্মকর্তা উইং কমান্ডার (অব.) মহিউদ্দিন আহমেদকে এ লক্ষ্যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিসিবি ও বাফুফেসহ অন্যান্য ফেডারেশন বা সংস্থার কোড অব কন্ডাক্ট দেখে হকি ফেডারেশন তাদেরটা তৈরি করবে। সাধারণত ফুটবল ও ক্রিকেট বোর্ড খেলোয়াড়দের জন্য অনেক কিছুই করে থাকে। যার কারণে কোড অব কন্ডাক্টের মধ্যে খেলোয়াড়রা আছেন। কিন্তু হকি খেলোয়াড়রা জাতীয় দলে খেলে তেমন কিছুই পান না। ফেডারেশন সম্পাদক খন্দকার জামিলউদ্দিন বিষয়টি ভেবেই বললেন, ‘হ্যাঁ, এটা ঠিক আমরা খেলোয়াড়দের তেমন সুযোগ-সুুবিধা দিতে পারি না। তারপরও চেষ্টা করা হচ্ছে। কোড অব কন্ডাক্ট বলতে শুধু তাদের শৃঙ্খলার মধ্যে আনা হবে। সবকিছুই যেন তারা বুঝেশুনে করে তারই নির্দেশনা থাকবে। এতে খেলোয়াড়দেরই সুবিধা হবে। এছাড়া কিছু নিয়ম-কানুন তো থাকা উচিত। এসএ গেমসের পরেই এটি কার্যকর করা হবে।’ নতুন সিওকে এসএ গেমস পর্যন্ত অ্যাডহক ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ফেডারেশন সম্পাদক নিজেই তার বেতন-ভাতা দেবেন।
-
খেলাধুলা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


