পার্থে কী নাটকীয় কিছু ঘটবে আজ
স্পোর্টস ডেস্ক
শেষ কবে কোন টেস্ট ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ১৫০ রানের মধ্যে অলআউট হয়েছিল, সেটি খুঁজতে গিয়ে পরিসংখ্যান ঘেঁটে জানা গেল, ২০০৪ সালে ভারতের বিরুদ্ধে মুম্বাইয়ের সেই ঘূর্ণি পিচে অস্ট্রেলিয়া অলআউট হয়েছিল ৯৩ রানে। তারপর ওরকম ঘটনা আর ঘটেনি পন্টিংয়ের দলের। কিন্তু সেটা পার্থে ঘটিয়ে ফেলল অনেকদিন ধরেই আইসিসির র্যাংকিংয়ে তলার দিকে পড়ে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দ্বিতীয় ইনিংসে কাল পার্থ টেস্টের চতুর্থ দিনে অস্ট্রেলিয়া খেলতে নেমেছিল ৮ উইকেটে ১৩৭ রান নিয়ে। তারপর ২৭ বলের মধ্যে অজিদের ইনিংস শেষ ঠিক ১৫০ রানে। তার ফলে সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করতে জয়ের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে টার্গেট দাঁড়ায় ৩৫৯ রানের। ব্রায়ান লারার ওয়েস্ট ইন্ডিজ চতুর্থ ইনিংসে রেকর্ড ৪১৮ রান তুলে হারিয়েছিল অস্ট্রেলিয়াকে। তবে ক্রিস গেইলের ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৫৯ রানের টার্গেট তাড়া করে চতুর্থ দিন শেষে যে জায়গায় দাঁড়িয়ে, সেখান থেকে জয়ের পাল্লাটা অস্ট্রেলিয়ারই ভারি। নাটকীয় কিছু না ঘটলে সিরিজ ২-০ ব্যবধানেই জিতছে অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু খেলাটা ক্রিকেট বলেই সব শেষ বলে দেয়া যাচ্ছে না। ৯ উইকেটে ৩০৮ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে সফরকারীরা। ক্রিজে আছেন কেমার রোচ ১২ এবং গেভিন টং ১২ রান নিয়ে। জিততে হলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের আরও দরকার ৫১ রান।
অ্যাডিলেডে দ্বিতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে চেপে ধরে ড্র করার পর প্রশ্ন উঠেছিল—উইন্ডিজের ওই পারফরমেন্সটা ফ্লুক ছিল কিনা। সেটি ভুল প্রমাণের জন্য পার্থ টেস্টই ছিল হাতিয়ার। তাতে অবশ্যই পাস মার্ক পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অস্ট্রেলিয়াকে নিজেদের মাটিতে এমন ঘাড় ধরে ঝাঁকুনি দিয়ে যাবে ‘দুর্বল’ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, সেটি সিরিজ শুরুর আগে কেউ ভাবতেই পারেননি। তার ওপর ব্রিসবেনে প্রথম টেস্টে সফরকারীরা মাত্র তিনদিনে হেরে গেলে উইন্ডিজের টেস্ট সামর্থ্য নিয়েই ফের কথা উঠেছিল। এবার বোধহয় তা বন্ধ হবে।
জয়ের জন্য ৩৫৯ রান তাড়া করতে গিয়ে কাল লাঞ্চের আগেই উইন্ডিজ যখন ৬৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল, তখন মনে হয়েছিল দু্রতই শেষ হচ্ছে ম্যাচ। কারণ ফিরে গিয়েছিলেন প্রথম ইনিংসের ঝড়ো সেঞ্চুরিয়ান অধিনায়ক ক্রিস গেইল, ট্রাভিস ডাউলিন এবং নির্ভরযোগ্য রামনরেশ সারওয়ান। কিন্তু ভাবনাটা ঘুরিয়ে দেন নরসিংহ দিওনারাইন এবং অস্ট্রেলিয়ান বংশোদ্ভূত ব্রেন্ডন ন্যাশ। এ দু’জনের ব্যাটে যেন জয়ের স্বপ্নই দেখছিল সফরকারীরা। চতুর্থ উইকেটে ১২৮ রানের জুটি গড়ে পন্টিংয়ের কপালে ভাঁজই ফেলে দিয়েছিলেন তারা। ৮২ রানের মাথায় দিওনারাইনকে বোল্ড করে ওয়াটসন পন্টিংকে সেই শঙ্কা থেকে মুক্ত করেন। মিচেল জনসনের বলে আরেক ভরসা ডোয়াইন ব্রাভো মাত্র ১ রানে ফিরে গেলে এবার ম্যাচের গতি ঘুরে যায় অস্ট্রেলিয়ার দিকেই। কিন্তু ন্যাশ তখন দাঁড়িয়ে যান এক প্রান্তে। তাকে ঘিরেই স্বপ্নটা ধরে রেখেছিল সফরকারীরা। কিন্তু বাঁহাতি অজি পেসার ডগ বোলিঞ্জারের একটি বল ভুল বিচার করে ন্যাশ ৬৫ রানে বোল্ড হতেই উইন্ডিজ সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি খায়। তারপর শেষ ঘণ্টায় ন্যাশেরটিসহ উইন্ডিজ ৪ উইকেট হারালে পন্টিং স্বস্তি নিয়েই মাঠ ছাড়েন। কারণ জিততে যে আজ শেষদিন তার মাত্র একটি উইকেটই দরকার। বিপরীতে উইন্ডিজের দরকার ক্রিকেটের আরেকটি অলৌকিক ঘটনা।
অ্যাডিলেডে দ্বিতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে চেপে ধরে ড্র করার পর প্রশ্ন উঠেছিল—উইন্ডিজের ওই পারফরমেন্সটা ফ্লুক ছিল কিনা। সেটি ভুল প্রমাণের জন্য পার্থ টেস্টই ছিল হাতিয়ার। তাতে অবশ্যই পাস মার্ক পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অস্ট্রেলিয়াকে নিজেদের মাটিতে এমন ঘাড় ধরে ঝাঁকুনি দিয়ে যাবে ‘দুর্বল’ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, সেটি সিরিজ শুরুর আগে কেউ ভাবতেই পারেননি। তার ওপর ব্রিসবেনে প্রথম টেস্টে সফরকারীরা মাত্র তিনদিনে হেরে গেলে উইন্ডিজের টেস্ট সামর্থ্য নিয়েই ফের কথা উঠেছিল। এবার বোধহয় তা বন্ধ হবে।
জয়ের জন্য ৩৫৯ রান তাড়া করতে গিয়ে কাল লাঞ্চের আগেই উইন্ডিজ যখন ৬৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল, তখন মনে হয়েছিল দু্রতই শেষ হচ্ছে ম্যাচ। কারণ ফিরে গিয়েছিলেন প্রথম ইনিংসের ঝড়ো সেঞ্চুরিয়ান অধিনায়ক ক্রিস গেইল, ট্রাভিস ডাউলিন এবং নির্ভরযোগ্য রামনরেশ সারওয়ান। কিন্তু ভাবনাটা ঘুরিয়ে দেন নরসিংহ দিওনারাইন এবং অস্ট্রেলিয়ান বংশোদ্ভূত ব্রেন্ডন ন্যাশ। এ দু’জনের ব্যাটে যেন জয়ের স্বপ্নই দেখছিল সফরকারীরা। চতুর্থ উইকেটে ১২৮ রানের জুটি গড়ে পন্টিংয়ের কপালে ভাঁজই ফেলে দিয়েছিলেন তারা। ৮২ রানের মাথায় দিওনারাইনকে বোল্ড করে ওয়াটসন পন্টিংকে সেই শঙ্কা থেকে মুক্ত করেন। মিচেল জনসনের বলে আরেক ভরসা ডোয়াইন ব্রাভো মাত্র ১ রানে ফিরে গেলে এবার ম্যাচের গতি ঘুরে যায় অস্ট্রেলিয়ার দিকেই। কিন্তু ন্যাশ তখন দাঁড়িয়ে যান এক প্রান্তে। তাকে ঘিরেই স্বপ্নটা ধরে রেখেছিল সফরকারীরা। কিন্তু বাঁহাতি অজি পেসার ডগ বোলিঞ্জারের একটি বল ভুল বিচার করে ন্যাশ ৬৫ রানে বোল্ড হতেই উইন্ডিজ সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি খায়। তারপর শেষ ঘণ্টায় ন্যাশেরটিসহ উইন্ডিজ ৪ উইকেট হারালে পন্টিং স্বস্তি নিয়েই মাঠ ছাড়েন। কারণ জিততে যে আজ শেষদিন তার মাত্র একটি উইকেটই দরকার। বিপরীতে উইন্ডিজের দরকার ক্রিকেটের আরেকটি অলৌকিক ঘটনা।
-
খেলাধুলা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


