গত সপ্তাহে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
গত সপ্তাহে পুঁজিবাজারে লেনদেনকৃত বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে। দেশের প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনকৃত ২৪১টি কোম্পানির মধ্যে দাম কমেছে ১৮১টির। দর বেড়েছে ৬০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৬০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। অপরদিকে আগের সপ্তাহে ২৪৩টির কোম্পানির মধ্যে দাম কমেছিল ১৩৯টির, বেড়েছিল ১০২টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। অধিকাংশ কোম্পানির দর কমে যাওয়ার পাশাপাশি গত সপ্তাহে ঢাকা শেয়ারবাজারের সব ক’টি সূচকেরই পতন হয়েছে। তবে এর মধ্যে ইতিবাচক দিক ছিল, মৌল ভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি। এর মধ্যে একক প্রাধান্য ছিল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোম্পানিগুলোর। দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০টি কোম্পানির মধ্যে ৯টিই ছিল ব্যাংক, বীমা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার। লেনদেনের দিক থেকে ৭টিই ছিল এ খাতের কোম্পানি।
বিশ্লেষকদের মতে, হিসাব বছরের শেষ প্রান্তে লভ্যাংশ ঘোষণার সময় এগিয়ে আসায়, শেয়ারের বিপরীতে ঋণ সুবিধার সীমা নির্দিষ্ট করে দেয়ায় ব্যাংকিং খাতের শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে। এ কারণে লেনদেন ও মূল্য বৃদ্ধিতে দেখা যাচ্ছে ব্যাংকসহ আর্থিক খাতের শেয়ারের প্রাধান্য। গত সপ্তাহে বিজয় দিবসের সাধারণ ছুটির কারণে শেয়ারবাজারে লেনদেন দিবস ছিল ৪টি। এর মধ্যে প্রথম দু’দিন সূচক বাড়লেও শেষ দু’দিন তা কমেছে। এ সপ্তাহে ডিএসই সাধারণ সূচক ৪৪ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৪৩৭ পয়েন্ট থেকে ৪ হাজার ৩৯৩ পয়েন্টে নেমে এসেছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৯৫৫ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহের চেয়ে ৪০ কোটি টাকা কম। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বছরের শেষ ভাগে মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতায় শেয়ারবাজারে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দরপতন হয়েছে। এছাড়া নিয়ন্ত্রক সংস্থার ঘন ঘন হস্তক্ষেপ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরস্পরবিরোধী সিদ্ধান্তের কারণেও প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারে।
তারা মনে করেন, বাজারে ঘন ঘন হস্তক্ষেপ কখনোই ভালো নয়। যত কম হস্তক্ষেপ করা যায় ততই ভালো। এছাড়া যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করেই নেয়া উচিত। বাজার ব্যবস্থাপনার স্বার্থেই তা করা উচিত।
ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকার ৭টিই ছিল ব্যাংকিং খাতের শেয়ার। তালিকার শীর্ষ অবস্থানে বেক্সিমকো লিমিটেড। বেক্সিমকো গ্রুপের বেক্সটেক্স লিমিটেডের অবস্থান ছিল ৮ নম্বরে। জ্বালানি খাতের যমুনা অয়েল ছিল ৫ নম্বর স্থানে। তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল এবি ব্যাংক। তালিকায় স্থান করে নেয়া ব্যাংকিং খাতের অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে-শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এবং পিপলস লিজিং এন্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস। শেয়ারের দাম বৃদ্ধির দিক থেকেও ব্যাংকের শেয়ার ছিল যথেষ্ট এগিয়ে। ডিএসইতে সব ক্যাটাগরির শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি তালিকায় ১০ কোম্পানির মধ্যে ৭টি ছিল ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান। দুটি ছিল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি। আর্থিক খাতের বাইরে মাত্র ১টি কোম্পানি এই তালিকায় জায়গা করে নিতে সক্ষম হয়।
সিএসইতে ১৮৫ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে ৫১টির দাম বাড়ে, কমে ১২৬টির। ৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম ছিল অপরিবর্তিত। সিএসইতে গড়ে দৈনিক ৬৫ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়, যা আগের সপ্তাহের চেয়ে ৬ কোটি টাকা কম। এ সপ্তাহে সিএসই সার্বিক সূচক ১৭৫ পয়েন্ট কমে ১২ হাজার ৯৪৪ পয়েন্ট থেকে ১২ হাজার ৭৬৯ পয়েন্টে নেমে আসে।
বিশ্লেষকদের মতে, হিসাব বছরের শেষ প্রান্তে লভ্যাংশ ঘোষণার সময় এগিয়ে আসায়, শেয়ারের বিপরীতে ঋণ সুবিধার সীমা নির্দিষ্ট করে দেয়ায় ব্যাংকিং খাতের শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে। এ কারণে লেনদেন ও মূল্য বৃদ্ধিতে দেখা যাচ্ছে ব্যাংকসহ আর্থিক খাতের শেয়ারের প্রাধান্য। গত সপ্তাহে বিজয় দিবসের সাধারণ ছুটির কারণে শেয়ারবাজারে লেনদেন দিবস ছিল ৪টি। এর মধ্যে প্রথম দু’দিন সূচক বাড়লেও শেষ দু’দিন তা কমেছে। এ সপ্তাহে ডিএসই সাধারণ সূচক ৪৪ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৪৩৭ পয়েন্ট থেকে ৪ হাজার ৩৯৩ পয়েন্টে নেমে এসেছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৯৫৫ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহের চেয়ে ৪০ কোটি টাকা কম। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বছরের শেষ ভাগে মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতায় শেয়ারবাজারে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দরপতন হয়েছে। এছাড়া নিয়ন্ত্রক সংস্থার ঘন ঘন হস্তক্ষেপ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরস্পরবিরোধী সিদ্ধান্তের কারণেও প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারে।
তারা মনে করেন, বাজারে ঘন ঘন হস্তক্ষেপ কখনোই ভালো নয়। যত কম হস্তক্ষেপ করা যায় ততই ভালো। এছাড়া যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করেই নেয়া উচিত। বাজার ব্যবস্থাপনার স্বার্থেই তা করা উচিত।
ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকার ৭টিই ছিল ব্যাংকিং খাতের শেয়ার। তালিকার শীর্ষ অবস্থানে বেক্সিমকো লিমিটেড। বেক্সিমকো গ্রুপের বেক্সটেক্স লিমিটেডের অবস্থান ছিল ৮ নম্বরে। জ্বালানি খাতের যমুনা অয়েল ছিল ৫ নম্বর স্থানে। তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল এবি ব্যাংক। তালিকায় স্থান করে নেয়া ব্যাংকিং খাতের অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে-শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এবং পিপলস লিজিং এন্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস। শেয়ারের দাম বৃদ্ধির দিক থেকেও ব্যাংকের শেয়ার ছিল যথেষ্ট এগিয়ে। ডিএসইতে সব ক্যাটাগরির শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি তালিকায় ১০ কোম্পানির মধ্যে ৭টি ছিল ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান। দুটি ছিল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি। আর্থিক খাতের বাইরে মাত্র ১টি কোম্পানি এই তালিকায় জায়গা করে নিতে সক্ষম হয়।
সিএসইতে ১৮৫ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে ৫১টির দাম বাড়ে, কমে ১২৬টির। ৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম ছিল অপরিবর্তিত। সিএসইতে গড়ে দৈনিক ৬৫ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়, যা আগের সপ্তাহের চেয়ে ৬ কোটি টাকা কম। এ সপ্তাহে সিএসই সার্বিক সূচক ১৭৫ পয়েন্ট কমে ১২ হাজার ৯৪৪ পয়েন্ট থেকে ১২ হাজার ৭৬৯ পয়েন্টে নেমে আসে।
-
ব্যবসা বাণিজ্য


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


