মোটর পার্টস রফতানি করবে বাংলাদেশ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
আমেরিকার বাজারে মোটর পার্টসসহ আনুষঙ্গিক উপাদান রফতানি করবে বাংলাদেশ। ধারণা করা হচ্ছে এ জাতীয় পার্টস রফতানির সুযোগ বাংলাদেশের হালকা প্রযুক্তি শিল্পের বিকাশে সহায়তা করবে। এর মধ্যে স্যাম্পল হিসেবে আমেরিকার কোম্পানি নিউ মিলবার্ট ইন্টারন্যাশনাল ইনকর্পোরেশনের অনুকূলে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যমানের বাম্পার ব্রাকেট, রাবার ব্রাশ ও সাসপেনশন কিটস পাঠানো হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে প্রিস্টন, মোল্ডিং ও মিররও আমেরিকায় রফতানি করা হবে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিইআইওএ), বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনিক্যাল অ্যাসিস্টেন্স সেন্টার (বিআইটিএসি) ও নিউ মিলবার্ট ইন্টারন্যাশনাল ইনকর্পোরেশন গত বুধবার ঢাকায় একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে নিউ মিলবার্ট ইন্টারন্যাশনাল ইনকর্পোরেশনের ম্যানেজিং পার্টনার নিশান রহিম বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের হালকা প্রযুক্তি শিল্পের সম্ভাবনা দেখে মুগ্ধ। আমরা সামান্য কটি স্যাম্পলের জন্য অর্ডার দিয়েছি। যদি তারা সফলভাবে অর্ডার সাপ্লাই দিতে পারেন, তাহলে মোটর পার্টস রফতানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য একটি বিশাল দরজা খুলে যাবে।’
বিইআইওএ সভাপতি আবদুর রাজ্জাক ও বিআইটিএসির সহকারি পরিচালক ড. ইহসানুল করিমও চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
জানা গেছে, নিউ মিলবার্ট ইন্টারন্যাশনাল ইনকর্পোরেশন প্রধানত ভারত ও তাইওয়ান থেকে মোটর পার্টস আমদানি করে তা আমেরিকার বাজারে সরবরাহ করে।
উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, বিআইটিএসি এ ব্যাপারে বাংলাদেশী নির্মাতাদের প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট মেকার সরবরাহের পাশাপাশি ডিজাইনিং ও অটোমেশনের ব্যাপারে সহায়তা করবে।
১৯৭১ সালের পর থেকে বাংলাদেশে হালকা মোটর পার্টস শিল্প উল্লেখযোগ্য পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই অগোছালোভাবে বিকশিত হচ্ছে। আবার এ সেক্টর থেকেই অটোমোটেড টেলার মেশিন ফ্রেম, ফার্মাসিউটিক্যাল প্যাকেজিং মেশিন, গার্মেন্ট সেক্টর, রাইস মিল, অটোমোবাইল স্পেয়ার পার্টস, পাওয়ার লুম ও রং শিল্পের যন্ত্রপাতি তৈরি হচ্ছে। এছাড়া বল-পয়েন্ট পেন, ফার্নিচার, বেকারি শিল্প, ময়দা কলের যন্ত্রপাতির পাশাপাশি সিডি ও ডিভিডির কাভার, প্লাস্টিক বাস্কেট ও ক্যারিয়ারও তৈরি হয়।
উদ্যাক্তারা বলেছেন, এ হালকা শিল্প সেক্টর থেকে বর্তমানে কমবেশি ১০ হাজার প্রকারের জিনিস তৈরি হচ্ছে। এ খাতে বছরে ১২ কোটি মার্কিন ডলারের যন্ত্রপাতি তৈরি হয়।
বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিইআইওএ), বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনিক্যাল অ্যাসিস্টেন্স সেন্টার (বিআইটিএসি) ও নিউ মিলবার্ট ইন্টারন্যাশনাল ইনকর্পোরেশন গত বুধবার ঢাকায় একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে নিউ মিলবার্ট ইন্টারন্যাশনাল ইনকর্পোরেশনের ম্যানেজিং পার্টনার নিশান রহিম বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের হালকা প্রযুক্তি শিল্পের সম্ভাবনা দেখে মুগ্ধ। আমরা সামান্য কটি স্যাম্পলের জন্য অর্ডার দিয়েছি। যদি তারা সফলভাবে অর্ডার সাপ্লাই দিতে পারেন, তাহলে মোটর পার্টস রফতানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য একটি বিশাল দরজা খুলে যাবে।’
বিইআইওএ সভাপতি আবদুর রাজ্জাক ও বিআইটিএসির সহকারি পরিচালক ড. ইহসানুল করিমও চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
জানা গেছে, নিউ মিলবার্ট ইন্টারন্যাশনাল ইনকর্পোরেশন প্রধানত ভারত ও তাইওয়ান থেকে মোটর পার্টস আমদানি করে তা আমেরিকার বাজারে সরবরাহ করে।
উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, বিআইটিএসি এ ব্যাপারে বাংলাদেশী নির্মাতাদের প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট মেকার সরবরাহের পাশাপাশি ডিজাইনিং ও অটোমেশনের ব্যাপারে সহায়তা করবে।
১৯৭১ সালের পর থেকে বাংলাদেশে হালকা মোটর পার্টস শিল্প উল্লেখযোগ্য পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই অগোছালোভাবে বিকশিত হচ্ছে। আবার এ সেক্টর থেকেই অটোমোটেড টেলার মেশিন ফ্রেম, ফার্মাসিউটিক্যাল প্যাকেজিং মেশিন, গার্মেন্ট সেক্টর, রাইস মিল, অটোমোবাইল স্পেয়ার পার্টস, পাওয়ার লুম ও রং শিল্পের যন্ত্রপাতি তৈরি হচ্ছে। এছাড়া বল-পয়েন্ট পেন, ফার্নিচার, বেকারি শিল্প, ময়দা কলের যন্ত্রপাতির পাশাপাশি সিডি ও ডিভিডির কাভার, প্লাস্টিক বাস্কেট ও ক্যারিয়ারও তৈরি হয়।
উদ্যাক্তারা বলেছেন, এ হালকা শিল্প সেক্টর থেকে বর্তমানে কমবেশি ১০ হাজার প্রকারের জিনিস তৈরি হচ্ছে। এ খাতে বছরে ১২ কোটি মার্কিন ডলারের যন্ত্রপাতি তৈরি হয়।
-
ব্যবসা বাণিজ্য


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


