ভুটান থেকে আমদানিকৃত ১৮ পণ্যের শুল্ক প্রত্যাহার করে নিচ্ছে বাংলাদেশ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
কমলা, আপেল, আদাসহ ভুটানের ১৮টি পণ্য শুল্কমুক্তভাবে দেশের বাজারে প্রবেশাধিকার দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। তাই ওই নির্দিষ্ট পণ্যগুলোর ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ শুল্ক সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এরই মধ্যে ভুটান কর্তৃপক্ষ ১৮টি নির্দিষ্ট পণ্যের তালিকা বাংলাদেশ সরকারের কাছে প্রদান করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি ভুটানে সরকারি সফর করেন। এই সফরকালে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভুটানের মধ্যে বাণিজ্যিক লেনদেন বৃদ্ধিতে ভুটান থেকে আমদানিকৃত ১৮টি নির্দিষ্ট পণ্যের ওপর থেকে ধার্যকৃত শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে শূন্য শতাংশে হ্রাসের ঘোষণা দেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ভুটানের কর্তৃপক্ষ আবেদনকৃত ১৮টি নির্দিষ্ট পণ্যের তালিকা প্রদান করেছে।
ভুটান থেকে যে ১৮টি পণ্য শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা যাবে সেগুলোর মধ্যে কমলা, আপেল, আদা, পেয়ার্স, মিনারেল ওয়াটার, ক্যালসিয়াম কার্বোনেট, পার্টিক্যাল বোর্ড, জিপসাম, লাইমস্টোন, বোল্ডার্স, ফিরো-সিলিকন, জেমস, ফ্রুট জেলি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। তবে সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশ থেকে ফলমূল আমদানির ক্ষেত্রে সাফটার আওতায় ১৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হয়। কিন্তু বিশ্বের অন্যান্য দেশ, যেমন- চায়না থেকে ফল আমদানির ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ শুল্ক বেশি দিতে হয়। সেক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ শুল্ক দিয়ে ফল আমদানি করতে হয় বলে এনবিআর সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি ভুটানে সরকারি সফর করেন। এই সফরকালে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভুটানের মধ্যে বাণিজ্যিক লেনদেন বৃদ্ধিতে ভুটান থেকে আমদানিকৃত ১৮টি নির্দিষ্ট পণ্যের ওপর থেকে ধার্যকৃত শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে শূন্য শতাংশে হ্রাসের ঘোষণা দেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ভুটানের কর্তৃপক্ষ আবেদনকৃত ১৮টি নির্দিষ্ট পণ্যের তালিকা প্রদান করেছে।
ভুটান থেকে যে ১৮টি পণ্য শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা যাবে সেগুলোর মধ্যে কমলা, আপেল, আদা, পেয়ার্স, মিনারেল ওয়াটার, ক্যালসিয়াম কার্বোনেট, পার্টিক্যাল বোর্ড, জিপসাম, লাইমস্টোন, বোল্ডার্স, ফিরো-সিলিকন, জেমস, ফ্রুট জেলি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। তবে সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশ থেকে ফলমূল আমদানির ক্ষেত্রে সাফটার আওতায় ১৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হয়। কিন্তু বিশ্বের অন্যান্য দেশ, যেমন- চায়না থেকে ফল আমদানির ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ শুল্ক বেশি দিতে হয়। সেক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ শুল্ক দিয়ে ফল আমদানি করতে হয় বলে এনবিআর সূত্রে জানা গেছে।
-
ব্যবসা বাণিজ্য


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


