দেশে শিশু শ্রমিকের শতকরা ৯৯ ভাগই ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে : সেভ দ্য চিলড্রেনের গবেষণা তথ্য
স্টাফ রিপোর্টার
দারিদ্র্য শিশুশ্রমের অন্যতম প্রধান কারণ। বর্তমানে বাংলাদেশের ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের ৭৪ লাখই শিশুশ্রমের সঙ্গে যুক্ত। আর শিশু শ্রমিকদের শতকরা ৯৯ ভাগই ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে। তাদের শতকরা ৩৮ ভাগ প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ ঘণ্টা কাজ করে। কাজের তুলনায় তাদের মজুরি অনেক কম।
সেভ দ্য চিলড্রেন ইউকে’র এক গবেষণায় এসব তথ্য পাওয়া গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম কমাতে সেভ দ্য চিলড্রেন ইউকে’র ৫ বছর মেয়াদি ‘দারিদ্র্য ও কর্মজীবী শিশুদের (পিডব্লিউসি) প্রজেক্ট’ সম্পর্কে জানাতে গতকাল শেরাটন হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গবেষণার এসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়। ইউরোপিয়ান কমিশনের অর্থায়নে ‘দারিদ্র্য ও কর্মজীবী শিশুদের (পিডব্লিউসি) প্রজেক্ট’ ২০০৪ সালে শুরু হয়ে এবছর শেষ হয়।
সেভ দ্য চিলড্রেন ইউকে’র সহযোগিতায় ইমিন্যান্স আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আলাউদ্দিন আহমেদ বলেন, শিশুশ্রম বন্ধ করতে হলে সবার আগে আমাদের মনের পরিবর্তন আনতে হবে। এছাড়া বর্তমান আইনে দুর্বলতা আছে। এ দুর্বলতা কাটাতে আইনগুলো রিভিউ করে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা প্রয়োজন। আর সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ছাত্রী উপবৃত্তি, স্কুল ফিডিংয়ের মতো বিকল্প চিন্তা করতে হবে।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা ছাড়া এসব কাজে সফলতা আসবে না। আগামী বছরের শুরুতেই স্থানীয় সরকারের বিষয়টির ফয়সালা হয়ে যাবে বলে জানান তিনি।
বিশেষ অতিথি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী বলেন, সরকারি-বেসরকারি সবার সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই শিশুশ্রম নিরসন করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল বারকাত। আরও বক্তব্য রাখেন ইউরোপিয়ান কমিশনের ফাস্ট কাউন্সিলর জ্যঁ জ্যাক লাথুর, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বাংলাদেশ অফিসের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার সালাউদ্দিন খান, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ এম হাশমি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. প্রণব কুমার পাণ্ডে প্রমুখ।
পিডব্লিউসি প্রজেক্টের ৫টি ক্ষেত্রের সফলতার নানা দিক উপস্থাপন করেন সেভ দ্য চিলড্রেন ইউকে’র গবেষক ড. মুনীর আহমেদ, ড. শান্তিরঞ্জন হাওলাদার, মোঃ আইয়ুব আলী, মোঃ মাজহারুল করিম, সুতপা পল ও মোঃ হেলাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানে বক্তারা এই মডেল প্রজেক্টের সফল দিকগুলো তুলে ধরে বলেন, নিয়োগদাতাদের আচরণবিধি তৈরি ও বাস্তবায়ন, শিশুদের উপার্জিত অর্থ সঞ্চয় করার ব্যবস্থা, বিনোদনমূলক শিক্ষার ব্যবস্থা করার মাধ্যমে কর্মজীবী শিশুদের কাজে ঝুঁকি অনেকটা কমিয়ে আনা যায়। একইসঙ্গে তাদের অধিকারও কিছুটা আদায় করা সম্ভব হয়। এছাড়া শ্রমজীবী শিশুদের জন্য নাইট স্কুল বা রাত্রিকালীন স্কুল চালু, শিশু অধিকার বিষয়ক কারিকুলাম তৈরি, অর্থনৈতিক নিরাপত্তার ক্ষেত্র তৈরি, ব্যাপক সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি ইত্যাদি পদক্ষেপও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম বন্ধের লক্ষ্যে নেয়া প্রয়োজন বলে বক্তারা জানান।
সেভ দ্য চিলড্রেন ইউকে’র এক গবেষণায় এসব তথ্য পাওয়া গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম কমাতে সেভ দ্য চিলড্রেন ইউকে’র ৫ বছর মেয়াদি ‘দারিদ্র্য ও কর্মজীবী শিশুদের (পিডব্লিউসি) প্রজেক্ট’ সম্পর্কে জানাতে গতকাল শেরাটন হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গবেষণার এসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়। ইউরোপিয়ান কমিশনের অর্থায়নে ‘দারিদ্র্য ও কর্মজীবী শিশুদের (পিডব্লিউসি) প্রজেক্ট’ ২০০৪ সালে শুরু হয়ে এবছর শেষ হয়।
সেভ দ্য চিলড্রেন ইউকে’র সহযোগিতায় ইমিন্যান্স আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আলাউদ্দিন আহমেদ বলেন, শিশুশ্রম বন্ধ করতে হলে সবার আগে আমাদের মনের পরিবর্তন আনতে হবে। এছাড়া বর্তমান আইনে দুর্বলতা আছে। এ দুর্বলতা কাটাতে আইনগুলো রিভিউ করে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা প্রয়োজন। আর সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ছাত্রী উপবৃত্তি, স্কুল ফিডিংয়ের মতো বিকল্প চিন্তা করতে হবে।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা ছাড়া এসব কাজে সফলতা আসবে না। আগামী বছরের শুরুতেই স্থানীয় সরকারের বিষয়টির ফয়সালা হয়ে যাবে বলে জানান তিনি।
বিশেষ অতিথি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী বলেন, সরকারি-বেসরকারি সবার সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই শিশুশ্রম নিরসন করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল বারকাত। আরও বক্তব্য রাখেন ইউরোপিয়ান কমিশনের ফাস্ট কাউন্সিলর জ্যঁ জ্যাক লাথুর, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বাংলাদেশ অফিসের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার সালাউদ্দিন খান, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ এম হাশমি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. প্রণব কুমার পাণ্ডে প্রমুখ।
পিডব্লিউসি প্রজেক্টের ৫টি ক্ষেত্রের সফলতার নানা দিক উপস্থাপন করেন সেভ দ্য চিলড্রেন ইউকে’র গবেষক ড. মুনীর আহমেদ, ড. শান্তিরঞ্জন হাওলাদার, মোঃ আইয়ুব আলী, মোঃ মাজহারুল করিম, সুতপা পল ও মোঃ হেলাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানে বক্তারা এই মডেল প্রজেক্টের সফল দিকগুলো তুলে ধরে বলেন, নিয়োগদাতাদের আচরণবিধি তৈরি ও বাস্তবায়ন, শিশুদের উপার্জিত অর্থ সঞ্চয় করার ব্যবস্থা, বিনোদনমূলক শিক্ষার ব্যবস্থা করার মাধ্যমে কর্মজীবী শিশুদের কাজে ঝুঁকি অনেকটা কমিয়ে আনা যায়। একইসঙ্গে তাদের অধিকারও কিছুটা আদায় করা সম্ভব হয়। এছাড়া শ্রমজীবী শিশুদের জন্য নাইট স্কুল বা রাত্রিকালীন স্কুল চালু, শিশু অধিকার বিষয়ক কারিকুলাম তৈরি, অর্থনৈতিক নিরাপত্তার ক্ষেত্র তৈরি, ব্যাপক সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি ইত্যাদি পদক্ষেপও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম বন্ধের লক্ষ্যে নেয়া প্রয়োজন বলে বক্তারা জানান।
-
মহানগর


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


