ধনী দেশগুলোর একতরফা চুক্তিতে ক্ষোভ
এপি, বিবিসি
দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জলবায়ু সম্মেলন শেষ হতে যাচ্ছে বেশকিছু খসড়া প্রস্তাব আর দলিলের অনাহূত আত্মপ্রকাশের মধ্য দিয়ে। সর্বশেষ ফাঁস হয়ে যাওয়া জাতিসংঘের খসড়া চুক্তি নিয়েও বেশ ক্ষোভ দেখা গেল কোপেনহেগেনে উপস্থিত প্রতিনিধিদের মধ্যে। এই চুক্তিটিতে মাত্র একটি গোষ্ঠীভুক্ত কিছু নেতা সম্মত হয়েছিলেন বলে প্রকাশ। গরিব দেশগুলোর মন্তব্য, এটি জাতিসংঘের বিরুদ্ধে একটি অভ্যুত্থান। এই খসড়া দলিল সম্পর্কে ক্ষোভ জানাতে গিয়ে ভেনিজুয়েলার প্রতিনিধি ক্লডিয়া সালের্নো কালডেরা জলবায়ু সম্মেলনের সভাপতি এবং ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী লার্স লোকে রাসমুসেনকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনি জাতিসংঘের বিরুদ্ধে একটি অভ্যুত্থানকে অনুমোদন করতে যাচ্ছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অন্যতম টুভ্যালুর ইয়ান ফ্রাই এই চুক্তিকে ‘বাইবেলের সঙ্গে বেঈমানি’ করা বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এটা দেখে এমন মনে হচ্ছে যে, আমাদের ৩০টি রুপার টুকরো উপহার দেয়া হচ্ছে যেন তার বিনিময়ে আমরা আমাদের জনগণ এবং ভবিষ্যতের সঙ্গে বেঈমানি করি।
তিনি বলেন, আমাদের ভবিষ্যত্ বিক্রির জন্য নয়। আমি দুঃখের সঙ্গে জানাতে চাই যে, টুভ্যালু এই দলিল গ্রহণ করতে পারে না। কিউবার প্রতিনিধিও একই ধরনের ঘোষণা দেন। এ পরিস্থিতিতে একের পর এক সমালোচনার মুখে বেশ বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন অধিবেশনের সভাপতির আসনে বসে থাকা রাসমুসেন। কোপেনহেগেনে মার্কিন রাষ্ট্রপ্রধান বারাক ওবামা চীন এবং ভারতসহ প্রায় দুই ডজন দেশের নেতাদের সঙ্গে একটি খসড়া চুক্তিতে উপনীত হতে পেরেছেন এমন ঘোষণা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই এই ক্ষোভের জন্ম নেয় প্রতিনিধিদের মাঝে।
উল্লেখ্য, অনাহূতভাবে প্রকাশ পেয়ে যাওয়া ওই দলিলে বিশ্ব উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ২০২০ কিংবা ২০৫০ সাল নাগাদ কার্বন নির্গমন কমানোর ব্যাপারে কোনো লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে পরিবেশবিদরাও দু’সপ্তাহের এই সমঝোতা প্রচেষ্টাকে ‘অর্থহীন চরকা’ বলে মন্তব্য করেছেন। আন্তর্জাতিক সংস্থা অক্সফামের নির্বাহী পরিচালক জেরেমি হবস বস্তুর ওপর চরকার বিজয় বলে উল্লেখ করেন। গ্রিনপিস যুক্তরাজ্যের নির্বাহী পরিচালক জন সাউভেন বলেন, এটা হতাশাব্যঞ্জক যে, কার্বন নির্গমন হ্রাসের কোনো লক্ষ্যমাত্রা নেই এবং কোনো আইনি চুক্তিতেও উপনীত হওয়া সম্ভব হলো না এখানে। বিশ্ব উষ্ণতা রোধের অন্যতম দৃঢ় সমর্থক জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মার্কেলও জলবায়ু সম্মেলনের সফলতা-ব্যর্থতা নিয়ে জানালেন মিশ্র প্রতিক্রিয়া। এছাড়া তিনি সান্ত্বনা খুঁজেছেন এটিকে ‘প্রথম ধাপ’ বলে আখ্যায়িত করে। এছাড়া কোপেনহেগেনের ব্যর্থতার মুখে পরিবেশবিদদের দৃষ্টি এখন জার্মানির বনে অনুষ্ঠিতব্য জলবায়ু সম্মেলনের দিকে।
তিনি বলেন, আমাদের ভবিষ্যত্ বিক্রির জন্য নয়। আমি দুঃখের সঙ্গে জানাতে চাই যে, টুভ্যালু এই দলিল গ্রহণ করতে পারে না। কিউবার প্রতিনিধিও একই ধরনের ঘোষণা দেন। এ পরিস্থিতিতে একের পর এক সমালোচনার মুখে বেশ বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন অধিবেশনের সভাপতির আসনে বসে থাকা রাসমুসেন। কোপেনহেগেনে মার্কিন রাষ্ট্রপ্রধান বারাক ওবামা চীন এবং ভারতসহ প্রায় দুই ডজন দেশের নেতাদের সঙ্গে একটি খসড়া চুক্তিতে উপনীত হতে পেরেছেন এমন ঘোষণা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই এই ক্ষোভের জন্ম নেয় প্রতিনিধিদের মাঝে।
উল্লেখ্য, অনাহূতভাবে প্রকাশ পেয়ে যাওয়া ওই দলিলে বিশ্ব উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ২০২০ কিংবা ২০৫০ সাল নাগাদ কার্বন নির্গমন কমানোর ব্যাপারে কোনো লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে পরিবেশবিদরাও দু’সপ্তাহের এই সমঝোতা প্রচেষ্টাকে ‘অর্থহীন চরকা’ বলে মন্তব্য করেছেন। আন্তর্জাতিক সংস্থা অক্সফামের নির্বাহী পরিচালক জেরেমি হবস বস্তুর ওপর চরকার বিজয় বলে উল্লেখ করেন। গ্রিনপিস যুক্তরাজ্যের নির্বাহী পরিচালক জন সাউভেন বলেন, এটা হতাশাব্যঞ্জক যে, কার্বন নির্গমন হ্রাসের কোনো লক্ষ্যমাত্রা নেই এবং কোনো আইনি চুক্তিতেও উপনীত হওয়া সম্ভব হলো না এখানে। বিশ্ব উষ্ণতা রোধের অন্যতম দৃঢ় সমর্থক জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মার্কেলও জলবায়ু সম্মেলনের সফলতা-ব্যর্থতা নিয়ে জানালেন মিশ্র প্রতিক্রিয়া। এছাড়া তিনি সান্ত্বনা খুঁজেছেন এটিকে ‘প্রথম ধাপ’ বলে আখ্যায়িত করে। এছাড়া কোপেনহেগেনের ব্যর্থতার মুখে পরিবেশবিদদের দৃষ্টি এখন জার্মানির বনে অনুষ্ঠিতব্য জলবায়ু সম্মেলনের দিকে।
-
আন্তর্জাতিক


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


