সচেতন হচ্ছেন মধ্যপ্রাচ্যের নারীরা
বিবিসি
মধ্যপ্রাচ্যে অধিকার আদায়ে ধীরে ধীরে সোচ্চার হচ্ছে নারীরা এবং তাদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছে বিভিন্ন নারী সংগঠন। মধ্যপ্রাচ্যে মেয়েদের সব সয়মই চাপের মুখে রাখা হয়। হাজারো নিষেধাজ্ঞায় জর্জরিত তাদের জীবন। আন্তর্জাতিক নানা সংস্থা বিভিন্ন জরিপে এসব জানিয়েছে। ইদানীং পরিবর্তন আসছে মধ্যপ্রাচ্যে। কিছুসংখ্যক দেশ নারী-পুরুষের সমানাধিকারের দাবিতে আইনি সংস্কারের কথা বলছে এবং তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বেশকিছু নারী সংগঠন। ইমান মান্দুর বলেন, বাস্তব চিত্রের সঙ্গে আইনের বাস্তবায়নের বিশাল এক ফারাক রয়েছে। ফারাক চোখে পড়বে আনুষ্ঠানিকভাবে কোন ধরনের অধিকার মেয়েদের দেয়া হয়েছে এবং সমাজে কোন ধরনের অধিকার মেয়েরা ভোগ করছে—তার মধ্যে। এসব অধিকারের মধ্যে সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং আইনি অধিকার উল্লেখযোগ্য।
ইমান মান্দুর কায়রোতে বসবাস করেন। তিনি আফ্রিকান উইমেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক সংক্ষেপে ‘ফেমনেট’ পরিষদের সদস্যা। সফল একজন নারী ইমান। তার মতোই সফল সিরিয়ার মাহা সাইদা এবং মরক্কোর আইনের অধ্যাপিকা মালিকা বেনরাদি। তারা দেখতে চান পুরুষদের মতো নারীরাও একই ধরনের অধিকার, সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে। অধ্যাপিকা মালিকা বেনরাদি মনে করেন, সব কিছুর আগে প্রয়োজন আইনের সংস্কার। পরিবর্তন শুরু হতে পারে এভাবেই। মালিকা বেনরাদি জানালেন, আইনের প্রয়োজন রয়েছে। আইনের মূল লক্ষ্য হলো —সবাই আইন অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে, আইনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবে। সমাজে পরিবর্তন আনা এভাবেই সম্ভব। কিছুদিন আগ পর্যন্ত দেখা গেছে, ১৪ বছরের একটি মেয়েকে জোর করে বিয়ে দেয়া হচ্ছে। মরক্কোয় এখন আইন করে দেয়া হয়েছে কোনো মেয়েকে বিয়ে দিতে হলে অন্তত তাকে ১৮ বছর হতে হবে। বাবা-মায়ের উচিত যথাযথভাবে আইন মেনে চলা। মেয়ের বয়স ১৮ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা। কারণ, বিচারক তা নিজেই পরীক্ষা করে দেখবেন। মরক্কোর পেনাল কোড সংস্কার চান জাতীয় কমিশনের সদস্য মালিকা বেনরাদি। তিনি নারী অধিকার আদায়ে কিছু আইনের সংস্কারের বিষয়ে বেশকিছু প্রশ্ন করেছেন। বেশকিছু আরব দেশে ঠিক কত বয়সে একটি মেয়েকে বিয়ে দেয়া যেতে পারে, তা নিয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা নেই এবং সে দেশগুলোয় পুরুষরা বহুগামী। বহুগামিতার বিরুদ্ধে কোনো আইন নেই। মরক্কো ও মিসরে যদি কোনো মহিলা স্বামীর কাছ থেকে তালাক চায় তাহলে আদালতে তাকেই কারণ দর্শাতে হয় কেন তিনি তালাক চাচ্ছেন। অথচ স্বামী চাইলে যে কোনো সময় স্ত্রীকে তালাক দিতে পারে, তাকে কোনো ধরনের কারণ দর্শাতে হবে না। সে সময়ই প্রথমবারের মতো একজন মহিলা জানতে পারেন তিনি তালাক দিতে পারেন কি না। দেখা গেছে, বেশির ভাগ মহিলাই লেখাপড়া জানেন না। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা তাদের নেই। তারা সব সময়ই স্বামী, বাবা বা ভাইয়ের ওপর আর্থিকভাবে নির্ভরশীল। ইমান মান্দুর আরও বলেন, মিসরের গ্রামাঞ্চলগুলোয় মেয়েরা সারাক্ষণই তাদের অধিকার আদায় নিয়ে সংগ্রাম করে যাচ্ছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এসব মেয়ের কাছে জন্মের কোনো নিবন্ধন, নিজস্ব পরিচয়পত্র—কোনো কিছুই নেই। এর অর্থ হলো আইনের দৃষ্টিতে বা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কোনো অস্তিত্বই নেই। এ ক্ষেত্রে কীভাবে তারা শিক্ষার আলো পাবে? তারা কোন নামে, কোন পরিচয়ে এগিয়ে যাবে? অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে কী করে তারা অংশগ্রহণ করবে? তবে এ কথা ঠিক আরব বিশ্বে মহিলারা তাদের স্বাধীনসত্তা সম্পর্কে সচেতন হয়েছেন। বেশকিছু দেশে তার প্রমাণ মেলে। তবে তাদের সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে। কারণ শুধু কাগজ-কলমে আইন থাকলেই তাকে থাকা বলে না। এর জন্য চাই আইনের যথাযথ এবং সুষ্ঠু প্রয়োগ।
ইমান মান্দুর কায়রোতে বসবাস করেন। তিনি আফ্রিকান উইমেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক সংক্ষেপে ‘ফেমনেট’ পরিষদের সদস্যা। সফল একজন নারী ইমান। তার মতোই সফল সিরিয়ার মাহা সাইদা এবং মরক্কোর আইনের অধ্যাপিকা মালিকা বেনরাদি। তারা দেখতে চান পুরুষদের মতো নারীরাও একই ধরনের অধিকার, সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে। অধ্যাপিকা মালিকা বেনরাদি মনে করেন, সব কিছুর আগে প্রয়োজন আইনের সংস্কার। পরিবর্তন শুরু হতে পারে এভাবেই। মালিকা বেনরাদি জানালেন, আইনের প্রয়োজন রয়েছে। আইনের মূল লক্ষ্য হলো —সবাই আইন অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে, আইনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবে। সমাজে পরিবর্তন আনা এভাবেই সম্ভব। কিছুদিন আগ পর্যন্ত দেখা গেছে, ১৪ বছরের একটি মেয়েকে জোর করে বিয়ে দেয়া হচ্ছে। মরক্কোয় এখন আইন করে দেয়া হয়েছে কোনো মেয়েকে বিয়ে দিতে হলে অন্তত তাকে ১৮ বছর হতে হবে। বাবা-মায়ের উচিত যথাযথভাবে আইন মেনে চলা। মেয়ের বয়স ১৮ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা। কারণ, বিচারক তা নিজেই পরীক্ষা করে দেখবেন। মরক্কোর পেনাল কোড সংস্কার চান জাতীয় কমিশনের সদস্য মালিকা বেনরাদি। তিনি নারী অধিকার আদায়ে কিছু আইনের সংস্কারের বিষয়ে বেশকিছু প্রশ্ন করেছেন। বেশকিছু আরব দেশে ঠিক কত বয়সে একটি মেয়েকে বিয়ে দেয়া যেতে পারে, তা নিয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা নেই এবং সে দেশগুলোয় পুরুষরা বহুগামী। বহুগামিতার বিরুদ্ধে কোনো আইন নেই। মরক্কো ও মিসরে যদি কোনো মহিলা স্বামীর কাছ থেকে তালাক চায় তাহলে আদালতে তাকেই কারণ দর্শাতে হয় কেন তিনি তালাক চাচ্ছেন। অথচ স্বামী চাইলে যে কোনো সময় স্ত্রীকে তালাক দিতে পারে, তাকে কোনো ধরনের কারণ দর্শাতে হবে না। সে সময়ই প্রথমবারের মতো একজন মহিলা জানতে পারেন তিনি তালাক দিতে পারেন কি না। দেখা গেছে, বেশির ভাগ মহিলাই লেখাপড়া জানেন না। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা তাদের নেই। তারা সব সময়ই স্বামী, বাবা বা ভাইয়ের ওপর আর্থিকভাবে নির্ভরশীল। ইমান মান্দুর আরও বলেন, মিসরের গ্রামাঞ্চলগুলোয় মেয়েরা সারাক্ষণই তাদের অধিকার আদায় নিয়ে সংগ্রাম করে যাচ্ছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এসব মেয়ের কাছে জন্মের কোনো নিবন্ধন, নিজস্ব পরিচয়পত্র—কোনো কিছুই নেই। এর অর্থ হলো আইনের দৃষ্টিতে বা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কোনো অস্তিত্বই নেই। এ ক্ষেত্রে কীভাবে তারা শিক্ষার আলো পাবে? তারা কোন নামে, কোন পরিচয়ে এগিয়ে যাবে? অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে কী করে তারা অংশগ্রহণ করবে? তবে এ কথা ঠিক আরব বিশ্বে মহিলারা তাদের স্বাধীনসত্তা সম্পর্কে সচেতন হয়েছেন। বেশকিছু দেশে তার প্রমাণ মেলে। তবে তাদের সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে। কারণ শুধু কাগজ-কলমে আইন থাকলেই তাকে থাকা বলে না। এর জন্য চাই আইনের যথাযথ এবং সুষ্ঠু প্রয়োগ।
-
আন্তর্জাতিক


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


