তেলেঙ্গানা নিয়ে উভয় সঙ্কটে চিদাম্বরম
পিটিআই, এনডিটিভি
তেলেঙ্গানা সঙ্কট মিটবে কত দিনে, তার কোনো সময়সীমা জানাতে পারলেন না ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম। বরং এ ব্যাপারে দৃশ্যত অসহায় তিনি। কংগ্রেস মহলেও এখন গুঞ্জন—কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেয়ার পর এই প্রথম ভয়ঙ্কর প্যাঁচে পড়েছেন তিনি।
গত তিন দিন ধরে পৃথক তেলেঙ্গানা প্রশ্নে কার্যত অচল লোকসভা। এমনকি এ ব্যাপারে কংগ্রেস সাংসদদেরই হইচইয়ে নির্ধারিত সময়ের আগে লোকসভা মুলতবি হয়ে গেল। পাশাপাশি তেলেঙ্গানা প্রশ্নে এখনও বিক্ষোভের আঁচ পোহাচ্ছে গোটা অন্ধ্র। এই প্রেক্ষাপটেই সমাধানের সময়সীমা নিয়ে প্রশ্ন করা হয় চিদাম্বরমকে। তিনি মেনে নেন, এ বিষয়ে সরকারেও কোনো সম্যক ধারণা নেই। এ সঙ্কটের পরিস্থিতিতে এখন প্রণব মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তিনিই এখন তেলেঙ্গানা সঙ্কটে সোনিয়া গান্ধীর মুশকিল আসান। ফলে কংগ্রেস নেতারাই বলছেন, এই রাউন্ডেও প্রণব মুখার্জির কাছে পরাস্ত হলেন চিদাম্বরম।
এআইসিসি সূত্রে এও বলা হচ্ছে, প্রণব মুখার্জির পরামর্শেই তেলেঙ্গানা প্রশ্নে এখন নীরব রয়েছেন সোনিয়া। সোনিয়া যখন লোকসভায় প্রবেশ করেন, তখন অন্ধ্রপ্রদেশ অটুট রাখার দাবিতে সরব ছিলেন কংগ্রেস সাংসদরা। নেতৃত্বে ছিলেন রাজশেখর রেড্ডির ছেলে জগন্মোহন। লোকসভার লবিতে নেমে পড়ে তারা স্লোগান দিতে থাকায় সোনিয়ার চলার পথই আটকে যায়। কিন্তু তাতেও কথা বলেননি নেত্রী। লোকসভার অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যাওয়ায় কংগ্রেস সংসদীয় দলের বৈঠকও আর হচ্ছে না। ফলে অদূর ভবিষ্যতেও সোনিয়ার এ নিয়ে মুখ খোলার প্রশ্ন নেই।
তবে প্রশ্নের মুখে পড়তে হবে চিদাম্বরমকে। অন্ধ্রের নেতারা চাইছেন, চিদাম্বরম যখন পৃথক রাজ্য গঠনের প্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা করেছিলেন তখন তিনিই নতুন বিবৃতি দিয়ে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করুন। মুখিয়ে রয়েছেন তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতির নেতারাও। তেলেঙ্গানা রাজ্য গঠন নিয়ে টালবাহানা হলে তারাও চেপে ধরবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেই। ফলে তারই এখন উভয় সঙ্কট। এদিকে পৃথক তেলেঙ্গানা রাজ্য অবশ্যম্ভাবী বলে জানিয়ে দিলেন সিপিআই’র সাধারণ সম্পাদক এ বি বর্ধন। কলকাতার মহাজাতি সদনে একটি সভার পর তেলেঙ্গানার বিষয়ে তার দলের অবস্থান জানতে চাওয়া বর্ধন এ কথা বলেন। তবে কোনো দলের সঙ্গে আলোচনা না করে কংগ্রেস রাতারাতি তেলেঙ্গানা রাজ্য গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলায় তাদের আপত্তি রয়েছে। বর্ধন বলেন, শুধু আমরাই নই, সব দলের সঙ্গে কথা বলে কেন্দ্র এগোলে সিপিএমও বিরোধিতা করবে না বলে আমি মনে করি। বর্ধন এ কথা বললেও ওই সভা থেকে বেরিয়ে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট কিন্তু বলেন, আমরা অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশেরই পক্ষে।
গত তিন দিন ধরে পৃথক তেলেঙ্গানা প্রশ্নে কার্যত অচল লোকসভা। এমনকি এ ব্যাপারে কংগ্রেস সাংসদদেরই হইচইয়ে নির্ধারিত সময়ের আগে লোকসভা মুলতবি হয়ে গেল। পাশাপাশি তেলেঙ্গানা প্রশ্নে এখনও বিক্ষোভের আঁচ পোহাচ্ছে গোটা অন্ধ্র। এই প্রেক্ষাপটেই সমাধানের সময়সীমা নিয়ে প্রশ্ন করা হয় চিদাম্বরমকে। তিনি মেনে নেন, এ বিষয়ে সরকারেও কোনো সম্যক ধারণা নেই। এ সঙ্কটের পরিস্থিতিতে এখন প্রণব মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তিনিই এখন তেলেঙ্গানা সঙ্কটে সোনিয়া গান্ধীর মুশকিল আসান। ফলে কংগ্রেস নেতারাই বলছেন, এই রাউন্ডেও প্রণব মুখার্জির কাছে পরাস্ত হলেন চিদাম্বরম।
এআইসিসি সূত্রে এও বলা হচ্ছে, প্রণব মুখার্জির পরামর্শেই তেলেঙ্গানা প্রশ্নে এখন নীরব রয়েছেন সোনিয়া। সোনিয়া যখন লোকসভায় প্রবেশ করেন, তখন অন্ধ্রপ্রদেশ অটুট রাখার দাবিতে সরব ছিলেন কংগ্রেস সাংসদরা। নেতৃত্বে ছিলেন রাজশেখর রেড্ডির ছেলে জগন্মোহন। লোকসভার লবিতে নেমে পড়ে তারা স্লোগান দিতে থাকায় সোনিয়ার চলার পথই আটকে যায়। কিন্তু তাতেও কথা বলেননি নেত্রী। লোকসভার অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যাওয়ায় কংগ্রেস সংসদীয় দলের বৈঠকও আর হচ্ছে না। ফলে অদূর ভবিষ্যতেও সোনিয়ার এ নিয়ে মুখ খোলার প্রশ্ন নেই।
তবে প্রশ্নের মুখে পড়তে হবে চিদাম্বরমকে। অন্ধ্রের নেতারা চাইছেন, চিদাম্বরম যখন পৃথক রাজ্য গঠনের প্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা করেছিলেন তখন তিনিই নতুন বিবৃতি দিয়ে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করুন। মুখিয়ে রয়েছেন তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতির নেতারাও। তেলেঙ্গানা রাজ্য গঠন নিয়ে টালবাহানা হলে তারাও চেপে ধরবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেই। ফলে তারই এখন উভয় সঙ্কট। এদিকে পৃথক তেলেঙ্গানা রাজ্য অবশ্যম্ভাবী বলে জানিয়ে দিলেন সিপিআই’র সাধারণ সম্পাদক এ বি বর্ধন। কলকাতার মহাজাতি সদনে একটি সভার পর তেলেঙ্গানার বিষয়ে তার দলের অবস্থান জানতে চাওয়া বর্ধন এ কথা বলেন। তবে কোনো দলের সঙ্গে আলোচনা না করে কংগ্রেস রাতারাতি তেলেঙ্গানা রাজ্য গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলায় তাদের আপত্তি রয়েছে। বর্ধন বলেন, শুধু আমরাই নই, সব দলের সঙ্গে কথা বলে কেন্দ্র এগোলে সিপিএমও বিরোধিতা করবে না বলে আমি মনে করি। বর্ধন এ কথা বললেও ওই সভা থেকে বেরিয়ে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট কিন্তু বলেন, আমরা অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশেরই পক্ষে।
-
আন্তর্জাতিক


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


