সমুদ্রের পানিতে এসিড বৃদ্ধিতে খাদ্য হুমকি
এপি, বিবিসি
সমুদ্রের পানিতে এসিডের পরিমাণ বাড়ার ফলে সামুদ্রিক প্রাণী ও মানুষের খাদ্যের জন্য প্রতিনিয়ত হুমকি বাড়ছে। সম্প্রতি ব্রিটিশ পরিবেশমন্ত্রী হিলারি বেন জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়ে সবাইকে সতর্ক করেছেন। খবর বিবিসি অনলাইনের।
ব্রিটিশ পরিবেশমন্ত্রী হিলারি বেন জানিয়েছেন, সমুদ্রের পানিতে এসিডের মাত্রা বৃদ্ধির ফলে সেখানে শক্তিশালী উত্তেজক তৈরি হচ্ছে, যা বাতাস থেকে অতিরিক্ত কার্বনডাই-অক্সাইড শোষণ করে নিচ্ছে। এর ফলে সামুদ্রিক প্রাণীর জীবনধারণও হুমকির মুখোমুখি হয়ে পড়েছে। তিনি আরো বলেন, এই বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এখনি প্রয়োজন। কোপেনহেগেনে ১০০টি দেশের সরকারপ্রধান জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয় নিয়ে একটি সর্বজনীন চুক্তি করতে চাইছেন। সেখানে সমুদ্রের পানিতে এসিড বৃদ্ধির বিষয়টিও যথেষ্ট গুরুত্ব দাবি করে বলেই মনে করছেন ব্রিটিশ পরিবেশ মন্ত্রী। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, সমুদ্রের পানিতে এসিড বৃদ্ধির বিষয়টি ৫-৬ বছর আগেও এত গুরুত্বপূর্ণ কিছু ছিল না, আর ১৯৯২ সালের আগে এ বিষয়ে তেমন কিছু জানাও ছিল না কারও। বলা হচ্ছে, বাতাসে কার্বনডাই-অক্সাইডের ঘনত্ব বৃদ্ধিই সমুদ্রের পানিতে এসিড বাড়ার কারণ। এর ফলে ছোট ছোট প্রাণী, শৈবাল, এমনকি মাছের ওপরও প্রভাব পড়বে এবং সামুদ্রিক প্রোটিনজাত খাবারের ক্ষেত্রে সঙ্কট দেখা দেবে। তাই যথেষ্ট গুরুত্বসহকারে এ বিষয়টি ভাবা উচিত বলেই ব্রিটিশ এই পরিবেশমন্ত্রী মনে করছেন। এদিকে এ সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে আরও জানা গেছে, বিজ্ঞানীরা বলেছেন, আগের সময়ের চেয়ে বাতাসে কার্বনডাই-অক্সাইডের ঘনত্ব এখন শতকরা ৩০ ভাগ বেশি। এর বড় একটি অংশ সমুদ্রের পানিতে মিশে যায়। কার্বনিক এসিডের মাত্রা তাই সমুদ্রে বেড়েই চলেছে।
রাসায়নিক এই বিক্রিয়া শুরু হয়েছে প্রায় ১০০ বছর আগেই। জাতিসংঘের দ্য ইকোনমিক্স অব ইকোসিস্টেম অ্যান্ড বায়োডাইভার্সিটির (সংক্ষেপে টিব) বরাতে জানা গেছে, বিশ্বব্যাপী কার্বনডাই-অক্সাইডের ঘনত্ব ৪৫০ পিপিএম (বা পার্টস পার মিলিয়ন) পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়ার বিষয়টি শৈবাল কিটের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। সমুদ্রে পিএইচ’র মাত্রাও শূন্য দশমিক
এক’র মধ্যে নেমে এসেছে। এর
ফলে ক্যালসিয়াম কার্বনেটে গঠিত প্রাণীদের খোলের গঠনে সমস্যা দেখা দেবে।
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ব্রিটিশমন্ত্রী বেন দাবি করেছেন, ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জের (সংক্ষেপে আইপিসিসি) পরবর্তী সূচিতে যেন সমুদ্রের এসিডিটি নিয়ে অনুসন্ধান করার কর্মসূচি থাকে।
ব্রিটিশ পরিবেশমন্ত্রী হিলারি বেন জানিয়েছেন, সমুদ্রের পানিতে এসিডের মাত্রা বৃদ্ধির ফলে সেখানে শক্তিশালী উত্তেজক তৈরি হচ্ছে, যা বাতাস থেকে অতিরিক্ত কার্বনডাই-অক্সাইড শোষণ করে নিচ্ছে। এর ফলে সামুদ্রিক প্রাণীর জীবনধারণও হুমকির মুখোমুখি হয়ে পড়েছে। তিনি আরো বলেন, এই বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এখনি প্রয়োজন। কোপেনহেগেনে ১০০টি দেশের সরকারপ্রধান জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয় নিয়ে একটি সর্বজনীন চুক্তি করতে চাইছেন। সেখানে সমুদ্রের পানিতে এসিড বৃদ্ধির বিষয়টিও যথেষ্ট গুরুত্ব দাবি করে বলেই মনে করছেন ব্রিটিশ পরিবেশ মন্ত্রী। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, সমুদ্রের পানিতে এসিড বৃদ্ধির বিষয়টি ৫-৬ বছর আগেও এত গুরুত্বপূর্ণ কিছু ছিল না, আর ১৯৯২ সালের আগে এ বিষয়ে তেমন কিছু জানাও ছিল না কারও। বলা হচ্ছে, বাতাসে কার্বনডাই-অক্সাইডের ঘনত্ব বৃদ্ধিই সমুদ্রের পানিতে এসিড বাড়ার কারণ। এর ফলে ছোট ছোট প্রাণী, শৈবাল, এমনকি মাছের ওপরও প্রভাব পড়বে এবং সামুদ্রিক প্রোটিনজাত খাবারের ক্ষেত্রে সঙ্কট দেখা দেবে। তাই যথেষ্ট গুরুত্বসহকারে এ বিষয়টি ভাবা উচিত বলেই ব্রিটিশ এই পরিবেশমন্ত্রী মনে করছেন। এদিকে এ সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে আরও জানা গেছে, বিজ্ঞানীরা বলেছেন, আগের সময়ের চেয়ে বাতাসে কার্বনডাই-অক্সাইডের ঘনত্ব এখন শতকরা ৩০ ভাগ বেশি। এর বড় একটি অংশ সমুদ্রের পানিতে মিশে যায়। কার্বনিক এসিডের মাত্রা তাই সমুদ্রে বেড়েই চলেছে।
রাসায়নিক এই বিক্রিয়া শুরু হয়েছে প্রায় ১০০ বছর আগেই। জাতিসংঘের দ্য ইকোনমিক্স অব ইকোসিস্টেম অ্যান্ড বায়োডাইভার্সিটির (সংক্ষেপে টিব) বরাতে জানা গেছে, বিশ্বব্যাপী কার্বনডাই-অক্সাইডের ঘনত্ব ৪৫০ পিপিএম (বা পার্টস পার মিলিয়ন) পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়ার বিষয়টি শৈবাল কিটের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। সমুদ্রে পিএইচ’র মাত্রাও শূন্য দশমিক
এক’র মধ্যে নেমে এসেছে। এর
ফলে ক্যালসিয়াম কার্বনেটে গঠিত প্রাণীদের খোলের গঠনে সমস্যা দেখা দেবে।
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ব্রিটিশমন্ত্রী বেন দাবি করেছেন, ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জের (সংক্ষেপে আইপিসিসি) পরবর্তী সূচিতে যেন সমুদ্রের এসিডিটি নিয়ে অনুসন্ধান করার কর্মসূচি থাকে।
-
আন্তর্জাতিক


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


