Amardesh
আজঃ ঢাকা, রোববার ২০ ডিসেম্বর ২০০৯, ৬ পৌষ ১৪১৬, ২ মহররম ১৪৩০     আপডেট সময়ঃ রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

কোপেনহেগেন সমঝোতায় যা আছে

রয়টার্স
জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলনের শেষ দিন শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, চীন ও ব্রাজিলের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছেন। ‘কোপেনহেগেন সমঝোতা’ নামে এর মধ্যে পরিচিতি পাওয়া এ সমঝোতায় যা আছে—
--দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য
বিজ্ঞান অনুযায়ী বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামিয়ে আনার জন্য বিশ্বব্যাপী কার্বন নির্গমন কমিয়ে আনতে হবে।
--বাধ্যতামূলক আইনি চুক্তি
আগামী বছরের শেষ নাগাদ একটি বাধ্যতামূলক আইনি চুক্তি প্রণয়ন করার জন্য সমঝোতার সঙ্গে একটি সুপারিশ সংযুক্ত করা হয়েছে।
--দরিদ্র দেশগুলোর জন্য অর্থ সংস্থান
চুক্তির ভাষা অনুযায়ী, ‘উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অভিযোজন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য পদক্ষেপ বাস্তবায়নে তাদেরকে অর্থের যথাযথ, নির্ভরযোগ্য ও স্থিতিশীল উত্স, প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ হয়ে উঠতে সাহায্য করবে উন্নত দেশগুলো।’ এখানে বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশ, ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র এবং আফ্রিকার দেশগুলো বেশি নাজুক অবস্থায় আছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রয়োজনসমূহ মেটাতে ২০২০ সাল পর্যন্ত উন্নত দেশগুলো যৌথভাবে প্রতিবছর ১ হাজার কোটি ডলার দেবে। এই তহবিল বিভিন্ন ধরনের উত্স থেকে আসবে যার মধ্যে সরকারি, ব্যক্তিগত, দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক উত্স থাকবে। ২০১০ থেকে ২০১২ পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদে এই তহবিল দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (১ হাজার ৬০ কোটি ডলার), জাপান (১০১ কোটি ডলার) ও যুক্তরাষ্ট্র (৩০৬ কোটি ডলার)।
--নির্গমন সংকোচন
কার্বন নির্গমন কমিয়ে আনার পরিকল্পনাটি দুটি পৃথক অংশে বিস্তারিত বলা হয়েছে। এক দিকে অংশে উন্নত দেশগুলোর জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। অপর অংশে প্রধান উন্নয়নশীল দেশগুলো স্বেচ্ছায় যে পরিমাণ কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি নেয়া হয়েছে। এগুলো বাধ্যতামূলক নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের ‘বিবেচনাধীন’ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘সাংবিধানিকভাবে গৃহীত’ এই লক্ষ্যগুলোকে প্রতিশ্রুতি বলা হচ্ছে।
--যাচাইকরণ
চীন কোনো ধরনের আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা মানতে রাজি না হওয়ায়, উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর পর্যবেক্ষণ বিষয়ক সমঝোতার অংশটি সবচেয়ে লম্বা অংশগুলোর একটি। এখানে বলা হয়েছে, উঠে আসা অর্থনীতির দেশগুলো নিজেদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রতি দুই বছর অন্তর জাতিসংঘের কাছে এর প্রতিবেদন পেশ করবে, যা পশ্চিমা স্বচ্ছতার দাবি পূরণ করার সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় সার্বভৌমত্বও নিশ্চিত করবে।
ক্স বন সংরক্ষণ
সমঝোতায় বলা হয়েছে, ‘এটি বনভূমি ধ্বংসের এবং পরিমাণে কমে যাওয়ার মাধ্যমে সৃষ্ট গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন সম্পর্কে সচেতন। তাই বনভূমি সংরক্ষণের মাধ্যমে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য উন্নত বিশ্ব থেকে আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে ‘ইতিবাচক সাহায্য’ দেয়া হবে।
ক্স কার্বন বাজার
কার্বন বাজার সম্পর্কে সমঝোতায় উল্লেখ করা হলেও বিস্তারিত বর্ণনা নেই। এতে বলা আছে, নির্গমনের মাত্রা কমিয়ে আনার জন্য বিভিন্ন সাশ্রয়ী ব্যবস্থার বাজার তৈরি করার বিভিন্ন উপায় খোঁজার জন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?