অন্যরকম সেঞ্চুরি
খেলা প্রতিবেদক
নিজেই জানাচ্ছেন, যখন ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন, তখন এমন মাইলস্টোনে পৌঁছানোর স্বপ্নই দেখেননি। কিন্তু সেই না দেখা স্বপ্নই এখন সত্যি হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ ফাস্ট বোলার মাখায়া এনটিনির। দেশের মাটিতে গত বুধবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরিয়ানে প্রথম টেস্টে অন্যরকম সেঞ্চুরি করেছেন এই পেসার। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলেছেন মাখায়া এনটিনি। আর ক্রিকেট ইতিহাসের শুধুমাত্র ষষ্ঠ পেস বোলার হিসেবে এই তালিকায় নিজের নাম লেখালেন তিনি। ১৯৯৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কালো ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল এনটিনির। কেপটাউনে সেই টেস্টে প্রতিপক্ষ ছিল শ্রীলঙ্কা। সেই থেকে একদশক পর ক্যারিয়ারের বিশাল একটা অর্জন করে ফেলেছেন এই ফাস্ট বোলার।
পচেফস্ট্রুমে দলের অনুশীলনের ফাঁকে নিজেই বলেছেন, ‘আসলে এটা স্বপ্নের মতো। যখন ক্যারিয়ার শুরু করেছিলাম তখন এই অবধি আসতে পারব বলে ভাবিনি। পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখবেন বেশিরভাগ ফাস্ট বোলারের ক্যারিয়ার থেমে গেছে শততম টেস্টের আগেই। কারণ ফাস্ট বোলারদের খেলার আয়ু যে কম। কিন্তু এমন অর্জনের স্বপ্ন সবাই দেখে। আমি নিজে ৭০ টেস্ট খেলে ফেলার পর এ স্বপ্নটা দেখতে শুরু করেছিলাম। এবার সেটা ছোঁয়ার পালা। নিজেকে অসম্ভব সুখী বলে মনে হচ্ছে।’ এখানেই থেমে থাকেননি ৩২ বছর বয়সী এই পেসার। অকপটে বলেছেন, ‘কৃষ্ণাঙ্গ ক্রিকেটার হিসেবে আমার পক্ষে জাতীয় দলে ঢোকাটাও সহজ হয়নি। অনেক চড়াই-উত্রাই পেরোতে হয়েছে। কিন্তু কখনও হাল ছাড়িনি। কারণ আমাদের এখানে ক্রিকেটে আধিপত্য সাদাদেরই। কিন্তু এখন সময় বদলে গেছে। আমি যখন পেরেছি তখন আগামীতে আরও অনেক কৃষ্ণাঙ্গ বোলারই তা পারবে। এ আত্মবিশ্বাস তরুণ ক্রিকেটারদের ভেতরে ঢুকে গেছে।’ এনটিনি এখন দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটের অন্যতম রোল মডেল হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছেন।
ক্যারিয়ার শুরু করার সময় তার সামনে ছিল অ্যালান ডোনাল্ড, শন পোলক, ল্যান্স ক্লুসনার এবং ব্রায়ান ম্যাকমিলানের মতো পেস বোলাররা। তাদের দেখে, তাদের সঙ্গে খেলে নিজেকে গড়েছেন এনটিনি। প্রচুর উপদেশ এবং টিপস পেয়েছেন ডোনাল্ড এবং পোলকের কাছ থেকে। আর প্রয়াত অধিনায়ক হ্যান্সি ক্রনিয়ে তাকে সবসময়ই যোগাতেন উত্সাহ। তুমি পারবে। এসবই কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেছেন এনটিনি।
৯৯ টেস্টে তার উইকেট সংখ্যা ৩৮৮। দক্ষিণ আফ্রিকান বোলারদের মধ্যে উইকেট দখল সংখ্যায় রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। তার আগে কেবল অবসর নেয়া পেসার পোলক। ১০৮ টেস্টে যার উইকেট সংখ্যা ৪২১। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চার টেস্টের সিরিজে তা টপকাতে যদি নাও পারেন, তাহলেও ৪০০ উইকেটের মাইলফলক যে পেরিয়ে যাবেন সেই আত্মবিশ্বাস আছে এনটিনির। তবে এখন স্বপ্ন দেখছেন দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে টেস্টে সবচেয়ে বেশি উইকেট দখলের মালিক হওয়ার। কারণ এটি আর এখন এনটিনির কাছে অধরা বলে মনে হচ্ছে না। তবে সে জন্য ফিটনেস, ফর্ম এবং ইনজুরিমুক্ত থাকা—এই তিনটিকেই পাখির চোখ করেছেন তিনি।
পচেফস্ট্রুমে দলের অনুশীলনের ফাঁকে নিজেই বলেছেন, ‘আসলে এটা স্বপ্নের মতো। যখন ক্যারিয়ার শুরু করেছিলাম তখন এই অবধি আসতে পারব বলে ভাবিনি। পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখবেন বেশিরভাগ ফাস্ট বোলারের ক্যারিয়ার থেমে গেছে শততম টেস্টের আগেই। কারণ ফাস্ট বোলারদের খেলার আয়ু যে কম। কিন্তু এমন অর্জনের স্বপ্ন সবাই দেখে। আমি নিজে ৭০ টেস্ট খেলে ফেলার পর এ স্বপ্নটা দেখতে শুরু করেছিলাম। এবার সেটা ছোঁয়ার পালা। নিজেকে অসম্ভব সুখী বলে মনে হচ্ছে।’ এখানেই থেমে থাকেননি ৩২ বছর বয়সী এই পেসার। অকপটে বলেছেন, ‘কৃষ্ণাঙ্গ ক্রিকেটার হিসেবে আমার পক্ষে জাতীয় দলে ঢোকাটাও সহজ হয়নি। অনেক চড়াই-উত্রাই পেরোতে হয়েছে। কিন্তু কখনও হাল ছাড়িনি। কারণ আমাদের এখানে ক্রিকেটে আধিপত্য সাদাদেরই। কিন্তু এখন সময় বদলে গেছে। আমি যখন পেরেছি তখন আগামীতে আরও অনেক কৃষ্ণাঙ্গ বোলারই তা পারবে। এ আত্মবিশ্বাস তরুণ ক্রিকেটারদের ভেতরে ঢুকে গেছে।’ এনটিনি এখন দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটের অন্যতম রোল মডেল হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছেন।
ক্যারিয়ার শুরু করার সময় তার সামনে ছিল অ্যালান ডোনাল্ড, শন পোলক, ল্যান্স ক্লুসনার এবং ব্রায়ান ম্যাকমিলানের মতো পেস বোলাররা। তাদের দেখে, তাদের সঙ্গে খেলে নিজেকে গড়েছেন এনটিনি। প্রচুর উপদেশ এবং টিপস পেয়েছেন ডোনাল্ড এবং পোলকের কাছ থেকে। আর প্রয়াত অধিনায়ক হ্যান্সি ক্রনিয়ে তাকে সবসময়ই যোগাতেন উত্সাহ। তুমি পারবে। এসবই কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেছেন এনটিনি।
৯৯ টেস্টে তার উইকেট সংখ্যা ৩৮৮। দক্ষিণ আফ্রিকান বোলারদের মধ্যে উইকেট দখল সংখ্যায় রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। তার আগে কেবল অবসর নেয়া পেসার পোলক। ১০৮ টেস্টে যার উইকেট সংখ্যা ৪২১। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চার টেস্টের সিরিজে তা টপকাতে যদি নাও পারেন, তাহলেও ৪০০ উইকেটের মাইলফলক যে পেরিয়ে যাবেন সেই আত্মবিশ্বাস আছে এনটিনির। তবে এখন স্বপ্ন দেখছেন দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে টেস্টে সবচেয়ে বেশি উইকেট দখলের মালিক হওয়ার। কারণ এটি আর এখন এনটিনির কাছে অধরা বলে মনে হচ্ছে না। তবে সে জন্য ফিটনেস, ফর্ম এবং ইনজুরিমুক্ত থাকা—এই তিনটিকেই পাখির চোখ করেছেন তিনি।


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


