Amardesh
আজঃ ঢাকা, রোববার ২০ ডিসেম্বর ২০০৯, ৬ পৌষ ১৪১৬, ২ মহররম ১৪৩০     আপডেট সময়ঃ রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

বোতলজাত ‘কাজলী রসা’ রফতানি হয় বিদেশেও

বৃহত্তর যশোরে এখনও যে খেজুর গাছ আছে, মূলত তা থেকে আহরিত রস, গুড়, পাটালি চাহিদা মেটায় গোটা দেশের। খেজুর রসের মৌসুম মাত্র চার মাস। অন্য সময় এই রস পাওয়া যায় না। যদি গ্রীষ্মকালেও সুস্বাদু খেজুর রস পাওয়া যেত তাহলে কেমন হতো?—এমন চিন্তা থেকে বোতলজাত খেজুররস ‘কাজলী রসা’র সৃষ্টি। বর্তমানে কাজলী রসা ঢাকার নামি মেগাশপ ছাড়াও পাওয়া যাচ্ছে ইউরোপ, আমেরিকা ও আরব-দুনিয়ায়। বৃহত্তর যশোরের শ্রীপুর উপজেলার প্রত্যন্ত একটি গ্রাম কাজলী। গ্রামের কয়েকজন বেকার তরুণের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এ গ্রামে স্থানীয়ভাবে গড়ে তোলা হয় খেজুরের রস প্রক্রিয়াজাতকরণের একটি কারখানা। তরুণদের এ সৃজনশীল কাজে পরে অর্থনৈতিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসে বেসরকারি সংস্থা অ্যাডভান্সমেন্ট প্রোগ্রাম ফর রুটলেস পিপলস (এপিআরপি)। কারখানা পরিচালক আইয়ুব হোসেন জানান, দীর্ঘ চার বছর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাদের এই প্রচেষ্টা সফল হয়। কারখানাটিতে কাঁচামাল হিসেবে স্থানীয় গাছিদের কাছ থেকে সংগৃহীত রস ব্যবহৃত হচ্ছে। এরপর তা পরিশোধন করে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় সেদ্ধ করে প্রয়োজনীয় উপাদান মিশিয়ে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বোতলজাত করা হয়। বোতলজাত এ রস তিন বছর পর্যন্ত খাওয়ার উপযোগী থাকে।
কাজলী রসা পিঠা-পায়েশের জন্য যেমন উপযোগী, তেমনি নাশতার টেবিলে জেলির বিকল্প হিসেবেও সমাদৃত হয়েছে। কাজলী রসা সুস্বাদু, সুগন্ধযুক্ত ও সুমিষ্ট। এ রস দেখতে অনেকটা মধুর মতো। তবে মধুর চেয়ে পাতলা। উদ্যোক্তারা গ্রামের নাম অনুসারে এর নাম দিয়েছেন ‘কাজলী রসা’।
উদ্যোক্তারা জানান, ২০০৪ সাল থেকে কাজলী রসা রাজধানীতে আড়ং, নন্দন প্রভৃতি বিখ্যাত মেগাশপে বিক্রি হচ্ছে। ঢাকার বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে বিদেশে রফতানিও হচ্ছে। ৩০০ এমএল ও এক লিটার বোতলে বাজারজাত করা এ রসের দামও সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে।
তবে উদ্যোক্তারা রসের প্রাপ্যতা সঙ্কট নিয়ে রীতিমত হতাশ। তারা জানান, ভরা মৌসুম চললেও এ বছর এখনও রস বোতলজাতকরণ শুরুই হয়নি। গাছিরা নিয়মিত রস সরবরাহ করতে না পারায় কারখানা সচল হচ্ছে না।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?