ইতিহাসের পাতায় যশোরের খেজুরের রস গুড় চিনি
ঠিক কত আগে থেকে যশোরে খেজুরের চাষ হচ্ছে তা নির্ণয় করার সুযোগ নেই। তবে প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই যে এ অঞ্চলের মাটিতে খেজুর গাছ জন্মাচ্ছে তা নিশ্চিত। বিচি পড়ে মাটিতে আপনাআপনিই খেজুর গাছ জন্মায় যশোরে। কোনোরকম পরিচর্যা ছাড়াই এ গাছই একসময় উপযোগী হয় রস দেয়ার। তবে আধুনিককালে চাষীরা খেজুর গাছের প্রতি বিশেষ যত্ন নেন এর আর্থিক গুরুত্বের কারণে।
ঐতিহাসিক সতীশচন্দ্র মিত্রের মতে, সুপ্রাচীনকাল থেকে যশোরের চাষীরা খেজুর গাছ কেটে তা থেকে রস বের করে গুড় ও চিনি তৈরি করে আসছে। তবে ইংরেজ আমলে কিছু উদ্যোগী সাহেব গুড়-চিনি তৈরিকে রীতিমত শিল্প হিসেবে দাঁড় করিয়ে ফেলেন। ঐতিহাসিকদের মতে, ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ইংরেজ ব্যবসায়ীরা বঙ্গে আসেন খেজুরের রস থেকে গুড় ও চিনি তৈরির কারবার করতে। পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের ধোবা নামক স্থানে ব্লেক (ইষধশব) সাহেব প্রথম কুঠি স্থাপন করে চিনি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। অব্যাহত লোকসানের মুখে তিনি কোম্পানি বিক্রি করে দিতে বাধ্য হন। প্রায় একই সময় কলকাতার গ্লাডস্টোন উইলি অ্যান্ড কোং (এষধফংঃড়হব ডুষষরব ্ পড়.) যশোরের চৌগাছায় এসে কারখানা খোলেন। এই কোম্পানি এলাকার চাষীদের কাছ থেকে রস সংগ্রহ করে গুড় ও চিনি তৈরি করতো। ক্রমেই যশোরের কোটচাঁদপুর, কেশবপুর, ত্রিমোহিনী, ঝিকরগাছা ও নারিকেলবাড়িয়ায় এই কোম্পানির কারখানা গড়ে ওঠে। ১৮৬১ সালে নিউহাউস সাহেব ভৈরব ও কপোতাক্ষের সঙ্গমস্থল চৌগাছার তাহিরপুরে একটি চিনির কল স্থাপন করে ইউরোপীয় কায়দায় চিনি প্রস্তুত শুরু করেন। একইসঙ্গে কারখানাটিতে মদও তৈরি হতো। লোকসানের মুখে ১৮৮৪ নালে কোম্পানিটি নিউহাউস সাহেবের হাতছাড়া হয়। পরে এই কোম্পানি দেশীয় জমিদার ও বণিকদের হাতে গেলেও তারাও ব্যবসার উন্নতি করতে ব্যর্থ হন। তাহিরপুরে নিউহাউস সাহেবের নির্মাণ করা চিনিকলটির ধ্বংসাবশেষ কিছুদিন আগপর্যন্তও ছিল। এখন আর এর চিহ্নমাত্র নেই।
বেঙ্গল এগ্রিকালচার ডিপার্টমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, (১৯০৮ সালে প্রকাশিত) বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকেও যশোরের বিভিন্ন স্থানে বেশকিছু চিনি ও গুড় কারখানা ছিল। ১৯০০-০১ সালে যশোরের ১১৭টি কারখানায় ১৫ লাখ টাকার চিনি উত্পাদিত হয়েছিল। সে বছর গোটা বঙ্গে (পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ববঙ্গ) ২১ লাখ ৮০ হাজার ৫৫০ মণ চিনির মধ্যে শুধু যশোরেই উত্পাদিত হয় ১৭ লাখ ৯ হাজার ৯৬০ মণ।
যশোর জেলা গেজেটিয়ার থেকে জানা যায়, ১৯৭০-৭১ সালে এ জেলায় (বৃহত্তর যশোর— যশোর, ঝিনাইদহ, নড়াইল ও মাগুরা) খেজুর চাষের আওতায় জমির মোট পরিমাণ ছিল ১১ হাজার ১৫৫ একর। এর মধ্যে ৮ হাজার ৮৫৫ একর জমির খেজুর গাছ থেকে রস পাওয়া যেত। সে সময় একরপ্রতি সাড়ে ২২ টন হিসেবে বার্ষিক রসের উত্পাদন ছিল ২ লাখ ৫৩ হাজার ৭২৫ মেট্রিক টন। ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প সংস্থার জরিপ রিপোর্টে বৃহত্তর যশোর জেলায় ৭ হাজার ১৯৩টি গুড় তৈরির কারখানা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। অবশ্য এসব কারখানার সবই গৃহভিত্তিক। ইংরেজ আমলের পর যশোরে খেজুরের রস দিয়ে গুড় বা চিনি তৈরির বৃহত্ কোনো কারখানার অস্তিত্ব চোখে পড়েনি।
লাগানো হচ্ছে ২১ লাখ খেজুর চারা
যশোরকে আবার খেজুর গাছশোভিত জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে বন বিভাগ। ‘বৃহত্তর যশোর জেলার জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ উন্নয়ন প্রকল্প’ নামে একটি প্রকল্প গত চারদলীয় জোট সরকারের পরিবেশ ও বনমন্ত্রী তরিকুল ইসলামের আগ্রহে ২০০৫-০৬ অর্থবছরে শুরু হয়। প্রকল্পটির আওতায় বৃহত্তর যশোর ও সাতক্ষীরা জেলায় রোপণ করা হচ্ছে ২১ লাখ খেজুর চারা। ইতোমধ্যে ১৮ লাখ চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যে বাদবাকি ৩ লাখ চারা লাগানো শেষ হবে। বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মনুষ্যসৃষ্ট রুক্ষ পরিবেশকে আবার গাছগাছালিতে ছেয়ে দিতে ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ‘জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ উন্নয়ন প্রকল্প’ গ্রহণ করা হয়। সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে খরচ হবে ৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা। এ অঞ্চলের সাতটি সামাজিক বনায়ন কেন্দ্র—যশোর, শার্শা, নড়াইল, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কোটচাঁদপুর এবং সাতক্ষীরায় এ প্রকল্পের কাজ চলছে। চারা রোপণ শেষ হলেও পরবর্তী দু’বছর তা পরিচর্যা করা হবে। চারা রোপণের ৫ থেকে ৬ বছরের মধ্যে খেজুর গাছ রস উত্পাদনের উপযোগী হয়। গড়ে ৩৬ বছর পর্যন্ত গাছগুলো থাকবে। পরে কেটে ফেলা হবে। জমির মালিকরা উত্পাদিত রস-গুড়ের পুরোটাই ভোগ করবেন। তবে কেটে ফেলার পর গাছের দামের ৯০ শতাংশ পাবেন জমির মালিক। বাকি ১০ শতাংশ টাকা দিয়ে নতুন করে বাগান তৈরি করা হবে।
বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রফিকুল হাসান জানান, ৭০ শতাংশ চারা বাঁচানো গেলে এই প্রকল্পকে সফল হিসেবে ধরে নেয়া হবে। সে ক্ষেত্রে যশোরে নতুন রোপিত খেজুর গাছের সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ১৫ লাখ। প্রতিটি গাছ থেকে মৌসুমে রস আহরণ ও গুড় উত্পাদন করে ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা মুনাফা করা সম্ভব। যদি গাছপ্রতি ৫০০ টাকা করেও মুনাফা আসে তবু বৃহত্তর যশোর-সাতক্ষীরার উপকারভোগীরা এ প্রকল্প থেকে মৌসুমে অন্তত ৭৫ কোটি টাকা অর্জন করতে পারবে বলে জানান বন কর্মকর্তা রফিকুল হাসান। তবে বন বিভাগের এ প্রকল্প নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগও আছে। অভিযোগ ওঠে, বন বিভাগের খেজুর গাছ খাতা-কলমে যেভাবে আছে, বাস্তবে সেভাবে নেই। এ প্রকল্পের টাকা লুটপাটই হয়েছে বেশি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, কিছু অনিয়ম সব প্রকল্পেই থাকে। এ প্রকল্পেও তেমনটি হতে পারে তবে লুটপাট হয়নি। কর্মকর্তারা বলেন, চারা ঠিকই লাগানো হয়; কিন্তু এগুলো টিকে থাকবে না বিলুপ্ত হবে তা অনেকাংশে নির্ভর করে জমি মালিকের ওপর।
ঐতিহাসিক সতীশচন্দ্র মিত্রের মতে, সুপ্রাচীনকাল থেকে যশোরের চাষীরা খেজুর গাছ কেটে তা থেকে রস বের করে গুড় ও চিনি তৈরি করে আসছে। তবে ইংরেজ আমলে কিছু উদ্যোগী সাহেব গুড়-চিনি তৈরিকে রীতিমত শিল্প হিসেবে দাঁড় করিয়ে ফেলেন। ঐতিহাসিকদের মতে, ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ইংরেজ ব্যবসায়ীরা বঙ্গে আসেন খেজুরের রস থেকে গুড় ও চিনি তৈরির কারবার করতে। পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের ধোবা নামক স্থানে ব্লেক (ইষধশব) সাহেব প্রথম কুঠি স্থাপন করে চিনি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। অব্যাহত লোকসানের মুখে তিনি কোম্পানি বিক্রি করে দিতে বাধ্য হন। প্রায় একই সময় কলকাতার গ্লাডস্টোন উইলি অ্যান্ড কোং (এষধফংঃড়হব ডুষষরব ্ পড়.) যশোরের চৌগাছায় এসে কারখানা খোলেন। এই কোম্পানি এলাকার চাষীদের কাছ থেকে রস সংগ্রহ করে গুড় ও চিনি তৈরি করতো। ক্রমেই যশোরের কোটচাঁদপুর, কেশবপুর, ত্রিমোহিনী, ঝিকরগাছা ও নারিকেলবাড়িয়ায় এই কোম্পানির কারখানা গড়ে ওঠে। ১৮৬১ সালে নিউহাউস সাহেব ভৈরব ও কপোতাক্ষের সঙ্গমস্থল চৌগাছার তাহিরপুরে একটি চিনির কল স্থাপন করে ইউরোপীয় কায়দায় চিনি প্রস্তুত শুরু করেন। একইসঙ্গে কারখানাটিতে মদও তৈরি হতো। লোকসানের মুখে ১৮৮৪ নালে কোম্পানিটি নিউহাউস সাহেবের হাতছাড়া হয়। পরে এই কোম্পানি দেশীয় জমিদার ও বণিকদের হাতে গেলেও তারাও ব্যবসার উন্নতি করতে ব্যর্থ হন। তাহিরপুরে নিউহাউস সাহেবের নির্মাণ করা চিনিকলটির ধ্বংসাবশেষ কিছুদিন আগপর্যন্তও ছিল। এখন আর এর চিহ্নমাত্র নেই।
বেঙ্গল এগ্রিকালচার ডিপার্টমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, (১৯০৮ সালে প্রকাশিত) বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকেও যশোরের বিভিন্ন স্থানে বেশকিছু চিনি ও গুড় কারখানা ছিল। ১৯০০-০১ সালে যশোরের ১১৭টি কারখানায় ১৫ লাখ টাকার চিনি উত্পাদিত হয়েছিল। সে বছর গোটা বঙ্গে (পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ববঙ্গ) ২১ লাখ ৮০ হাজার ৫৫০ মণ চিনির মধ্যে শুধু যশোরেই উত্পাদিত হয় ১৭ লাখ ৯ হাজার ৯৬০ মণ।
যশোর জেলা গেজেটিয়ার থেকে জানা যায়, ১৯৭০-৭১ সালে এ জেলায় (বৃহত্তর যশোর— যশোর, ঝিনাইদহ, নড়াইল ও মাগুরা) খেজুর চাষের আওতায় জমির মোট পরিমাণ ছিল ১১ হাজার ১৫৫ একর। এর মধ্যে ৮ হাজার ৮৫৫ একর জমির খেজুর গাছ থেকে রস পাওয়া যেত। সে সময় একরপ্রতি সাড়ে ২২ টন হিসেবে বার্ষিক রসের উত্পাদন ছিল ২ লাখ ৫৩ হাজার ৭২৫ মেট্রিক টন। ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প সংস্থার জরিপ রিপোর্টে বৃহত্তর যশোর জেলায় ৭ হাজার ১৯৩টি গুড় তৈরির কারখানা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। অবশ্য এসব কারখানার সবই গৃহভিত্তিক। ইংরেজ আমলের পর যশোরে খেজুরের রস দিয়ে গুড় বা চিনি তৈরির বৃহত্ কোনো কারখানার অস্তিত্ব চোখে পড়েনি।
লাগানো হচ্ছে ২১ লাখ খেজুর চারা
যশোরকে আবার খেজুর গাছশোভিত জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে বন বিভাগ। ‘বৃহত্তর যশোর জেলার জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ উন্নয়ন প্রকল্প’ নামে একটি প্রকল্প গত চারদলীয় জোট সরকারের পরিবেশ ও বনমন্ত্রী তরিকুল ইসলামের আগ্রহে ২০০৫-০৬ অর্থবছরে শুরু হয়। প্রকল্পটির আওতায় বৃহত্তর যশোর ও সাতক্ষীরা জেলায় রোপণ করা হচ্ছে ২১ লাখ খেজুর চারা। ইতোমধ্যে ১৮ লাখ চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যে বাদবাকি ৩ লাখ চারা লাগানো শেষ হবে। বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মনুষ্যসৃষ্ট রুক্ষ পরিবেশকে আবার গাছগাছালিতে ছেয়ে দিতে ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ‘জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ উন্নয়ন প্রকল্প’ গ্রহণ করা হয়। সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে খরচ হবে ৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা। এ অঞ্চলের সাতটি সামাজিক বনায়ন কেন্দ্র—যশোর, শার্শা, নড়াইল, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কোটচাঁদপুর এবং সাতক্ষীরায় এ প্রকল্পের কাজ চলছে। চারা রোপণ শেষ হলেও পরবর্তী দু’বছর তা পরিচর্যা করা হবে। চারা রোপণের ৫ থেকে ৬ বছরের মধ্যে খেজুর গাছ রস উত্পাদনের উপযোগী হয়। গড়ে ৩৬ বছর পর্যন্ত গাছগুলো থাকবে। পরে কেটে ফেলা হবে। জমির মালিকরা উত্পাদিত রস-গুড়ের পুরোটাই ভোগ করবেন। তবে কেটে ফেলার পর গাছের দামের ৯০ শতাংশ পাবেন জমির মালিক। বাকি ১০ শতাংশ টাকা দিয়ে নতুন করে বাগান তৈরি করা হবে।
বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রফিকুল হাসান জানান, ৭০ শতাংশ চারা বাঁচানো গেলে এই প্রকল্পকে সফল হিসেবে ধরে নেয়া হবে। সে ক্ষেত্রে যশোরে নতুন রোপিত খেজুর গাছের সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ১৫ লাখ। প্রতিটি গাছ থেকে মৌসুমে রস আহরণ ও গুড় উত্পাদন করে ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা মুনাফা করা সম্ভব। যদি গাছপ্রতি ৫০০ টাকা করেও মুনাফা আসে তবু বৃহত্তর যশোর-সাতক্ষীরার উপকারভোগীরা এ প্রকল্প থেকে মৌসুমে অন্তত ৭৫ কোটি টাকা অর্জন করতে পারবে বলে জানান বন কর্মকর্তা রফিকুল হাসান। তবে বন বিভাগের এ প্রকল্প নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগও আছে। অভিযোগ ওঠে, বন বিভাগের খেজুর গাছ খাতা-কলমে যেভাবে আছে, বাস্তবে সেভাবে নেই। এ প্রকল্পের টাকা লুটপাটই হয়েছে বেশি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, কিছু অনিয়ম সব প্রকল্পেই থাকে। এ প্রকল্পেও তেমনটি হতে পারে তবে লুটপাট হয়নি। কর্মকর্তারা বলেন, চারা ঠিকই লাগানো হয়; কিন্তু এগুলো টিকে থাকবে না বিলুপ্ত হবে তা অনেকাংশে নির্ভর করে জমি মালিকের ওপর।


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


