বগুড়ায় বালু দস্যুদের দৌরাত্ম্য বাড়ছেই
বগুড়া অফিস
বগুড়ায় ভূগর্ভস্থ বালু উত্তোলন করা হচ্ছে অবাধে, নষ্ট করা হচ্ছে ফসলি জমি। শুষ্ক মৌসুমের শুরুতেই বালু তোলার ধুম পড়েছে। গত কয়েকদিনে বগুড়া সদরের রাজাপুর এলাকায় একই জায়গায় ৫/৬টি শ্যালো মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করতে সরেজমিনে দেখা গেছে। গত বছর এই এলাকায় বালুচাপা পড়ে নিহত হয় এক কিশোর। এলাকায় শোকের রেশ না কাটলেও বালু দস্যুরা প্রশাসনের নজরের মধ্যেই নীরবে ধ্বংস করে যাচ্ছে ফসলি জমি। স্থানীয় জনগণ প্রতিবাদ করেও প্রভাবশালী এসব দস্যুদের কিছুই করতে পারছে না। গত বছর বগুড়া সদর থানা পুলিশ কয়েক দফা শ্যালো মেশিন আটকের মধ্য দিয়ে কিছুটা ভয় সৃষ্টি করলেও পুরোদমে আবার শুরু হয়েছে একই চিত্র। বগুড়া সদরের মাটিডালী, সুজাবাদ, রাজাপুর, গাবতলী, দুপচাঁচিয়া, শেরপুর, কাহালু, আদমদীঘি, শিবগঞ্জ, নন্দীগ্রাম এলাকায় ভূ-গর্ভ থেকে শ্যালো মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। ফলে প্রতি বছরই এসব এলাকায় ব্যাপক ভূমি অকেজো হয়ে পড়ছে, যা পরিবেশের জন্য পুরোপুরি ক্ষতিকর।
এদিকে নির্মাণ কাজের জন্য এসব বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। ভূ-গর্ভ থেকে যেসব মোটা বালি ২এফএম-এর উপরে সেগুলো প্রতি সিএফটি ১৫-১৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চিকন বালি ১০ টাকা সিএফটি দরে বিক্রি হচ্ছে। বালু বিক্রির সঙ্গে বগুড়ার একটি প্রভাবশালী মহল জড়িত, যারা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে প্রতিনিয়তই ক্ষতিকর এ কাজটি করে যাচ্ছে। তাদের রয়েছে সব জায়গায় কন্টাক্ট। এমনটি জানালেন বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কয়েকজন। এছাড়া রাজাপুর এলাকায় বর্তমান শাসক দলের একটি গ্রুপ প্রতি গাড়িতে ১শ’ টাকা করে ট্যাক্স বসিয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন।
এদিকে নির্মাণ কাজের জন্য এসব বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। ভূ-গর্ভ থেকে যেসব মোটা বালি ২এফএম-এর উপরে সেগুলো প্রতি সিএফটি ১৫-১৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চিকন বালি ১০ টাকা সিএফটি দরে বিক্রি হচ্ছে। বালু বিক্রির সঙ্গে বগুড়ার একটি প্রভাবশালী মহল জড়িত, যারা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে প্রতিনিয়তই ক্ষতিকর এ কাজটি করে যাচ্ছে। তাদের রয়েছে সব জায়গায় কন্টাক্ট। এমনটি জানালেন বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কয়েকজন। এছাড়া রাজাপুর এলাকায় বর্তমান শাসক দলের একটি গ্রুপ প্রতি গাড়িতে ১শ’ টাকা করে ট্যাক্স বসিয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


