Amardesh
আজঃ ঢাকা, রোববার ২০ ডিসেম্বর ২০০৯, ৬ পৌষ ১৪১৬, ২ মহররম ১৪৩০     আপডেট সময়ঃ রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

ভাণ্ডারিয়ায় সবজি চাষে বিপ্লব ঘটিয়েছেন আবু বকর

মোঃ ছগির হোসেন, ভাণ্ডারিয়া
ভাণ্ডারিয়া উপজেলার মাটিভাঙ্গা গ্রামের আবু বকর ছিদ্দিক সবজি চাষে বিপ্লব ঘটিয়েছেন। পেশায় শিক্ষক হলেও তাকে সবাই জানে একজন সফল কৃষক হিসেবে। আবু বকর তার খামারে বাঁধাকপি, করলা, বরবটি, লাউ, বেগুন, কাঁকরোল, কলা, পেঁপে, শসা, কুমড়া, আখসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করে প্রতিবছর কয়েক লাখ টাকা আয় করেন। এ আয় থেকে তিন একর জমি কিনে এলাকার সবাইকে অবাক করে দিয়েছেন। তাকে অনুসরণ করে সবজি চাষ করে এলাকার বেশ ক’টি পরিবার স্বাবলম্বী হয়েছে। বাওকুল চাষ করেও বেশ সাফল্য অর্জন করেছেন আবু বকর। শিক্ষকতার পাশাপাশি ৬ বছর আগে মাত্র ৬৩ শতক জমিতে কলা চাষের মধ্যদিয়ে কৃষি জীবন শুরু তার। প্রথম বছরই দ্বিগুণ লাভ হওয়ায় তার কৃষি কাজে আগ্রহ জন্মে। এর পর ধীরে ধীরে খামার সম্প্রসারিত করে বিভিন্ন হাইব্রিড জাতের সবজি চাষ করে নিজের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটান। তার পিতা এলাকার একজন বর্গাচাষী। আবু বকর ছেলেবেলা থেকেই অনেক টানাটানির মধ্য দিয়ে বড় হয়েছেন। লেখাপড়া করতে তার অনেক বাধা অতিক্রম করতে হয়েছে। দীর্ঘদিন চট্টগ্রামে শ্রমিকের কাজ করে পরে একটি গার্মেন্টস কারখানায় প্যাকিংম্যানের কাজ পান। দিনে কাজ করে রাতে লেখাপড়া করতেন তিনি। ১৯৯৪ সালে বিএ পাস করার পর বাড়িতে এসে পূর্ব মাটিভাঙ্গা মোনতাজিয়া দাখিল মাদ্রাসায় সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। কিন্তু অভাবের সংসারে ভাইবোনের লেখাপড়াসহ বিভিন্ন খরচের চাপে তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। শিক্ষকতার সামান্য বেতনে তার সংসার আর চলে না। এক পর্যায়ে এলাকা ছাড়ার কথাও তিনি চিন্তা করেন। কিন্তু তাকে আর এলাকা ছাড়তে হয়নি। ভাণ্ডারিয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পিপিআই সাইদুর রহমান বাণিজ্যিকভাবে কৃষি কাজ করার পরামর্শ দেন তাকে। সেই থেকে কৃষি কাজ শুরু করেন আবু বকর।
২০০৮ সনে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় আবু বকরের সাফল্যের সংবাদ প্রকাশের পর বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি সংস্থা তার প্রকল্প পরিদর্শন করে তাকে সহায়তা দিতে শুরু করে।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?