উত্তরাঞ্চলে আলু উত্পাদন হবে ৫০ লাখ টন
রাজশাহী অফিস
উত্তরাঞ্চলের মাঠজুড়ে চলছে আলুর আবাদ। এরই মধ্যে আগাম জাতের আলু আবাদে সবুজের সমারোহ ফুটে উঠেছে। তাতে চলছে পরিচর্যা। আবার নতুন করে আলুবীজ লাগানোর প্রস্তুতি চলছে। বিরূপ আবহাওয়ায় কৃষকের দুশ্চিন্তার শেষ নেই। কুয়াশা দীর্ঘস্থায়ী হলে পাতা কুঁকড়ে মরে যায়। রোগ-বালাইয়ের প্রকোপও বাড়ে। এরপরও বাজারে আলুর দাম বেশি দেখে উত্তরাঞ্চলের কৃষকরা এবার আলু আবাদে ঝুঁকে পড়েছেন।
জানা গেছে, ধানের চেয়ে আলুর দাম বেশি পাওয়ার কারণে এবার কৃষক ঝুঁকে পড়েছেন আলু আবাদে। গত বছরের চেয়ে এবার উত্তরাঞ্চলে ১৬ জেলায় দ্বিগুণের বেশি জমিতে আলুর আবাদ হচ্ছে। আলুর আবাদ কৃষি বিভাগের সব হিসাব-নিকাশ উল্টে দিয়েছে। গতবার যেখানে আলুর আবাদ হয়েছিল প্রায় দু’লাখ হেক্টর জমিতে, এবার সেখানে কৃষি বিভাগের হিসাবমতে প্রায় চার লাখ হেক্টর জমিতে আলু আবাদ হবে বলে জানা গেছে। রাজশাহী অঞ্চলের আট জেলায় এবার আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক লাখ পঞ্চাশ হাজার হেক্টর জমিতে। অন্যদিকে রংপুর অঞ্চলের আট জেলায়ও দেড় লাখ হেক্টরের বেশি জমিতে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর এ থেকে ফল পাওয়া যাবে পঞ্চাশ লাখ মেট্রিক টনের বেশি। আলু চাষ চলবে ডিসেম্বর মাসজুড়েই। আলুর বাজার চড়া হওয়ার কারণে বেশিসংখ্যক কৃষক অন্য আবাদ বাদ দিয়ে আলু চাষে ঝুঁকে পড়ায় বীজ সঙ্কট দেখা দিয়েছে। কৃষি বিভাগ সূত্রমতে, এমনিতে যেখানে আলুবীজ প্রয়োজন হয় পাঁচ লাখ মেট্রিক টনের মতো, সেখানে বিএডিসি বীজ সরবরাহ করে তিন থেকে চার হাজার মেট্রিক টন। এবার আলু আবাদের জমিও দ্বিগুণ। তাই বাজারে আলুবীজের চাহিদা বেশি। বীজ সঙ্কটের কারণে প্রতিবস্তা বীজ (৮২ কেজি) বরাবর পাঁচশ’ টাকা থাকলেও এবার বিক্রি হচ্ছে দু’হাজার টাকারও বেশি দামে। বাজারে রয়েছে সুন্দর প্যাকেটে অনেক ফলনের আশা জাগানো সেম্লাগান সংবলিত বীজ। এসব বীজ কিনে অনেকে এরই মধ্যে প্রতারিত হয়েছেন। অনেক ক্ষেতে বীজ গজায়নি। এবার আলুর দাম বেশি হওয়ার কারণে বীজআলুও খাবার আলু হিসেবে বাজারে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ফলে বীজ সঙ্কট আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। হিমাগারে বীজআলু রাখা কয়েকজন জানান, বাজারে আলুর দাম বেশি হওয়ার কারণে হিমাগারগুলো আলু ছেড়ে দিয়েছে। খালি বীজের জন্য তারা হিমাগার চালু রাখতে বেশি আগ্রহী নয়। কারণ, হিমাগারে বীজ রাখতে তাপমাত্রা রাখতে হয় চার ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিদ্যুত্ খরচ বাঁচাতে হিমাগারগুলো ঠিকমত তাপমাত্রা সংরক্ষণ করে না।
তানোরের আলু চাষী রফিজ উদ্দিন বলেন, গতবার পনের বিঘাতে আলুর আবাদ করে মোটামুটি ভালো দাম পেয়েছি। এবার আরও পাঁচ বিঘা বাড়িয়েছি। তবে এবার আবাদ করতে গিয়ে বীজ আর মজুর খরচ বেশি পড়েছে। গাঢ় কুয়াশা তাদের ভাবিয়ে তুলেছে। বিশেষ করে ছত্রাক রোগে তাদের ভয় বেশি। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘস্থায়ী ঘন কুয়াশা আর তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে এলে আলু আবাদ বিপর্যস্ত হতে পারে।
জানা গেছে, ধানের চেয়ে আলুর দাম বেশি পাওয়ার কারণে এবার কৃষক ঝুঁকে পড়েছেন আলু আবাদে। গত বছরের চেয়ে এবার উত্তরাঞ্চলে ১৬ জেলায় দ্বিগুণের বেশি জমিতে আলুর আবাদ হচ্ছে। আলুর আবাদ কৃষি বিভাগের সব হিসাব-নিকাশ উল্টে দিয়েছে। গতবার যেখানে আলুর আবাদ হয়েছিল প্রায় দু’লাখ হেক্টর জমিতে, এবার সেখানে কৃষি বিভাগের হিসাবমতে প্রায় চার লাখ হেক্টর জমিতে আলু আবাদ হবে বলে জানা গেছে। রাজশাহী অঞ্চলের আট জেলায় এবার আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক লাখ পঞ্চাশ হাজার হেক্টর জমিতে। অন্যদিকে রংপুর অঞ্চলের আট জেলায়ও দেড় লাখ হেক্টরের বেশি জমিতে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর এ থেকে ফল পাওয়া যাবে পঞ্চাশ লাখ মেট্রিক টনের বেশি। আলু চাষ চলবে ডিসেম্বর মাসজুড়েই। আলুর বাজার চড়া হওয়ার কারণে বেশিসংখ্যক কৃষক অন্য আবাদ বাদ দিয়ে আলু চাষে ঝুঁকে পড়ায় বীজ সঙ্কট দেখা দিয়েছে। কৃষি বিভাগ সূত্রমতে, এমনিতে যেখানে আলুবীজ প্রয়োজন হয় পাঁচ লাখ মেট্রিক টনের মতো, সেখানে বিএডিসি বীজ সরবরাহ করে তিন থেকে চার হাজার মেট্রিক টন। এবার আলু আবাদের জমিও দ্বিগুণ। তাই বাজারে আলুবীজের চাহিদা বেশি। বীজ সঙ্কটের কারণে প্রতিবস্তা বীজ (৮২ কেজি) বরাবর পাঁচশ’ টাকা থাকলেও এবার বিক্রি হচ্ছে দু’হাজার টাকারও বেশি দামে। বাজারে রয়েছে সুন্দর প্যাকেটে অনেক ফলনের আশা জাগানো সেম্লাগান সংবলিত বীজ। এসব বীজ কিনে অনেকে এরই মধ্যে প্রতারিত হয়েছেন। অনেক ক্ষেতে বীজ গজায়নি। এবার আলুর দাম বেশি হওয়ার কারণে বীজআলুও খাবার আলু হিসেবে বাজারে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ফলে বীজ সঙ্কট আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। হিমাগারে বীজআলু রাখা কয়েকজন জানান, বাজারে আলুর দাম বেশি হওয়ার কারণে হিমাগারগুলো আলু ছেড়ে দিয়েছে। খালি বীজের জন্য তারা হিমাগার চালু রাখতে বেশি আগ্রহী নয়। কারণ, হিমাগারে বীজ রাখতে তাপমাত্রা রাখতে হয় চার ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিদ্যুত্ খরচ বাঁচাতে হিমাগারগুলো ঠিকমত তাপমাত্রা সংরক্ষণ করে না।
তানোরের আলু চাষী রফিজ উদ্দিন বলেন, গতবার পনের বিঘাতে আলুর আবাদ করে মোটামুটি ভালো দাম পেয়েছি। এবার আরও পাঁচ বিঘা বাড়িয়েছি। তবে এবার আবাদ করতে গিয়ে বীজ আর মজুর খরচ বেশি পড়েছে। গাঢ় কুয়াশা তাদের ভাবিয়ে তুলেছে। বিশেষ করে ছত্রাক রোগে তাদের ভয় বেশি। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘস্থায়ী ঘন কুয়াশা আর তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে এলে আলু আবাদ বিপর্যস্ত হতে পারে।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


