সরকারি পেটুয়া বাহিনীর তান্ডবে আক্রান্ত আমার দেশ
* ঢাকায় সাংবাদিকের প্রাণনাশের চেষ।টা * ঢাবিতে সম্পাদককে দেখে নেয়ার হুমকি * কুষ্টিয়ায় কুশপুত্তলিকা দাহ * খুলনায় পত্রিকায় আগুন
স্টাফ রিপোর্টার
প্রধানমন্ত্রীপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় ও সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক এলাহীর বিরুদ্ধে ৫ মিলিয়ন ডলার ঘুষ নেয়ার অভিযোগের খবর প্রকাশের পর মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতাদের হুমকির বাস্তবায়ন শুরু করেছে সরকারি পেটুয়া বাহিনী। তাদের নানামুখি তান্ডবে আক্রান্ত দৈনিক আমার দেশ। গতকাল ঢাকায় সংশ্লিষ্ট রিপোর্টারের ওপর হামলা চালিয়ে তার প্রণনাশের চেষ্টা চালিয়েছে। বনানীতে আমার দেশ এর বিশেষ প্রতিনিধি এম আবদুল্লাহ সরকারি সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হন। তান্ডব চালিয়ে ভেঙ্গে দিয়েছে তার গাড়ির গ্লাস। পিছু ধাওয়া করে ইট দিয়ে আঘাত করা হয়েছে তাকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ কর্মীরা আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়েছে। কুষ্টিয়ায় আমার দেশ সম্পাদকের কুশপুত্তলিকা দাহ করে নানা উস্কানীমূলক বক্তব্য দিয়েছে। খুলনায় আমার দেশ পত্রিকার কপিতে আগুন দিয়ে জালিয়ে দিয়েছে সরকারি দলের সন্ত্রাসীরা।
গত বৃহস্পতিবার ১৭ ডিসেম্বর আমার দেশ পত্রিকায় ‘ তৌফিক এলাহী ও জয়ের বিরুদ্ধে ৫ মিলিয়ন ডলার ঘুষ নেয়ার অভিযোগ’ শিরোনামে তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের দিনই আওয়ামী লীগের বিজয় দিবসের আলোচনায় কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল হানিফ আমারদেশ সম্পাদক ও সাংবাদিকদের রাস্তায় বের হতে না দেয়ার হুমকি দেন। এছাড়াও বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন করে রিপোর্টের প্রতিবেদক আমার দেশ এর বিশেষ প্রতিনিধি এম আবদুল্লাহকে হুমকি দেয়া হয়। ওইসব ফোন থেকে বলা হয় আপনি বেশি বাড়াবাড়ি করছেন। আপনাকে দেখে নেয়া হবে। তিনি কারো সঙ্গে কথা কাটাকাটি না করে ফোনের লাইন কেটে দেন।
এ ঘটনার পরই গতকাল এ হামলার চালানো হল। যদিও পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টের ব্যাপারে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দেয়া প্রতিবাদলিপি ও আমাদের বক্তব্য আমরা যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছি। আমরা আইনগতভাবে বিষয়টি মোকবেলার জন্যও প্রস্তুত রয়েছি বলে জানিয়েছি। কিন্তু এসবের তোয়াক্কা না করে বর্তমান সরকারি পেটুয়া বাহিনী তাদের অতীতের মত ফ্যাসিস্ট আচরনের পথ বেছে নিয়েছে।অতীতে যেমন তারা একদলীয় বাকশাল কায়েম করে সংবাদপত্রের কণ্ঠ রোধ করে দিয়েছিল, এখনও তারা একইভাবে ফ্যাসিস্ট আচরনের মাধ্যমে তাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে খবর প্রচার না করার জন্য ফ্যাসিস্ট পথ বেচে নিয়েছে।
এম আবদুল্লার প্রাণনাশের চেষ্টা : আমার দেশ এর বিশেষ প্রতিনিধি এম আবদুল্লাহ ‘তৌফিক ইলাহী ও জয়ের বিরুদ্ধে ৫ মিলিয়ন ডলার ঘুষ নেয়ার অভিযোগ’ শিরোনামে গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত রিপোর্টটি করেছিলেন আমার দেশ-এর বিশেষ প্রতিনিধি এম আবদুল্লাহ। গতকাল বিকালে তিনি টঙ্গীর বাসা থেকে অফিসে আসার সময় জিয়া বিমানবন্দর সড়কে আর্মি স্টেডিয়ামের কাছে তার গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালানো হয়। প্রথম দফা ওই হামলায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান। কিন্তু তার গাড়ির পেছনের অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরকিছুক্ষন পরই কাকলী সিগন্যালে খুব কাছ থেকে তাকে লক্ষ্য করে ইট ছুড়ে মারা হয়। ইটের আঘাতে তিনি মেরুদণ্ডে আঘাত পান। তিনি দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে একটি চলন্ত বাসে ওঠে আত্মরক্ষা করেন। মোটর সাইকেল আরোহী যুবকরা গাড়ির চালক মোঃ আক্কাস আলীকে বেধড়ক মারধর করে। পরে পুলিশ বিধ্বস্ত গাড়িটি উদ্ধার করে গুলশান থানায় নিয়ে যায়।
গাড়ি চালক আক্কাস আলী জানান, গতকাল বেলা সোয়া ৩টার দিকে টঙ্গীর বাসা থেকে কারওয়ান বাজারে আমার দেশ কার্যালয়ে আসছিলেন এম আবদুল্লাহ। দুই মোটর সাইকেলে হেলমেট পরা ৪ যুবক তাদের গাড়িটি অনুসরণ করছিল। গাড়িটি বিমানবন্দর সড়ক হয়ে বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামের কাছে আসা মাত্রই ওই যুবকদের একজন গাড়িটি লক্ষ্য করে হাতবোমা ছুড়ে মারে। বোমাটি গাড়ির পেছনের কাঁচের ওপর পড়ে বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। সঙ্গে সঙ্গে কাঁচটি ভেঙে খান খান হয়ে যায়। এম আবদুল্লাহ চালককে দ্রুত গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিলে চালক দ্রুত গতিতে গাড়িটি চালিয়ে কাকলি সিগন্যালে এসে আটকা পড়েন। মোটর সাইকেলে হেলমেট পরা যুবকরা পেছনে ধাওয়া করে কাকলী সিগন্যালে আসে। তারা মটর সাইকেল থেকে নেমে গাড়ির ভিতরে এম আবদুল্লাহর মাথা লক্ষ্য করে খুব কাছ থেকে বড় আকারের একটি ইট ছুড়ে মারে। ইটটি এম আবদুল্লাহ পিঠে মেরুদণ্ডে আঘাত করে। এ অবস্থায় এম আবদুল্লাহ গাড়ির দরজাখুলে দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে দৌড়ে একটি চলন্তবাসে ওঠে পড়েন। এসময় ওই যুবকরা তার গাড়ির চালক আক্কাস আলীকে বেধড়ক মারধর করতে থাকে। অনেকদূর থেকেও তার আত্মচিত্কার শোনা যায়। এম আবদুল্লাহ বাসে বসেই বিষয়টি জানান আমার দেশ চেয়ারম্যান মাহামুদুর রহমান, উপ-সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদকে। তারা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে গুলশান থানা পুলিশ কাকলী এলাকা থেকে বিধ্বস্ত গাড়িটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। তারা আহত অবস্থায় চালককেও উদ্ধার করে।
দুর্বৃত্তদের ছুড়ে মারা ইট এম আব্দুল্লার পিঠে পড়ায় তিনি বেশ আহত হয়েছেন। তার পিঠ ফুলে গেছে। মেরুদন্ড ও বুকে প্রচন্ড ব্যথা নিয়ে তিনি প্রথমে নিজ াফিসে পৌছান।
ঘটনার পর ঘটনাস্থলে যায় গুলশান পুলিশ । তারা গাড়িটি উদ্ধার করে গুলশান থানায় নিয়ে যায়। গুলশান জোনের এসি নূরুল আলম জানান, ইটের ভাঙা অংশ দিয়ে গাড়িটিতে হামলা চালানো হয়েছে। গাড়ির ভিতর থেকে তারা দু’টি বড় বড় ইটের টুকরো উদ্ধার করেছেন। এগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ও ঘটনাস্থল আসা র্যাবের কর্মকর্তারা বলছেন, কে বা কারা এঘটনা ঘটিয়েছে এবিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।
গত বৃহস্পতিবার ১৭ ডিসেম্বর আমার দেশ পত্রিকায় ‘ তৌফিক এলাহী ও জয়ের বিরুদ্ধে ৫ মিলিয়ন ডলার ঘুষ নেয়ার অভিযোগ’ শিরোনামে তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের দিনই আওয়ামী লীগের বিজয় দিবসের আলোচনায় কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল হানিফ আমারদেশ সম্পাদক ও সাংবাদিকদের রাস্তায় বের হতে না দেয়ার হুমকি দেন। এছাড়াও বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন করে রিপোর্টের প্রতিবেদক আমার দেশ এর বিশেষ প্রতিনিধি এম আবদুল্লাহকে হুমকি দেয়া হয়। ওইসব ফোন থেকে বলা হয় আপনি বেশি বাড়াবাড়ি করছেন। আপনাকে দেখে নেয়া হবে। তিনি কারো সঙ্গে কথা কাটাকাটি না করে ফোনের লাইন কেটে দেন।
এ ঘটনার পরই গতকাল এ হামলার চালানো হল। যদিও পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টের ব্যাপারে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দেয়া প্রতিবাদলিপি ও আমাদের বক্তব্য আমরা যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছি। আমরা আইনগতভাবে বিষয়টি মোকবেলার জন্যও প্রস্তুত রয়েছি বলে জানিয়েছি। কিন্তু এসবের তোয়াক্কা না করে বর্তমান সরকারি পেটুয়া বাহিনী তাদের অতীতের মত ফ্যাসিস্ট আচরনের পথ বেছে নিয়েছে।অতীতে যেমন তারা একদলীয় বাকশাল কায়েম করে সংবাদপত্রের কণ্ঠ রোধ করে দিয়েছিল, এখনও তারা একইভাবে ফ্যাসিস্ট আচরনের মাধ্যমে তাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে খবর প্রচার না করার জন্য ফ্যাসিস্ট পথ বেচে নিয়েছে।
এম আবদুল্লার প্রাণনাশের চেষ্টা : আমার দেশ এর বিশেষ প্রতিনিধি এম আবদুল্লাহ ‘তৌফিক ইলাহী ও জয়ের বিরুদ্ধে ৫ মিলিয়ন ডলার ঘুষ নেয়ার অভিযোগ’ শিরোনামে গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত রিপোর্টটি করেছিলেন আমার দেশ-এর বিশেষ প্রতিনিধি এম আবদুল্লাহ। গতকাল বিকালে তিনি টঙ্গীর বাসা থেকে অফিসে আসার সময় জিয়া বিমানবন্দর সড়কে আর্মি স্টেডিয়ামের কাছে তার গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালানো হয়। প্রথম দফা ওই হামলায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান। কিন্তু তার গাড়ির পেছনের অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরকিছুক্ষন পরই কাকলী সিগন্যালে খুব কাছ থেকে তাকে লক্ষ্য করে ইট ছুড়ে মারা হয়। ইটের আঘাতে তিনি মেরুদণ্ডে আঘাত পান। তিনি দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে একটি চলন্ত বাসে ওঠে আত্মরক্ষা করেন। মোটর সাইকেল আরোহী যুবকরা গাড়ির চালক মোঃ আক্কাস আলীকে বেধড়ক মারধর করে। পরে পুলিশ বিধ্বস্ত গাড়িটি উদ্ধার করে গুলশান থানায় নিয়ে যায়।
গাড়ি চালক আক্কাস আলী জানান, গতকাল বেলা সোয়া ৩টার দিকে টঙ্গীর বাসা থেকে কারওয়ান বাজারে আমার দেশ কার্যালয়ে আসছিলেন এম আবদুল্লাহ। দুই মোটর সাইকেলে হেলমেট পরা ৪ যুবক তাদের গাড়িটি অনুসরণ করছিল। গাড়িটি বিমানবন্দর সড়ক হয়ে বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামের কাছে আসা মাত্রই ওই যুবকদের একজন গাড়িটি লক্ষ্য করে হাতবোমা ছুড়ে মারে। বোমাটি গাড়ির পেছনের কাঁচের ওপর পড়ে বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। সঙ্গে সঙ্গে কাঁচটি ভেঙে খান খান হয়ে যায়। এম আবদুল্লাহ চালককে দ্রুত গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিলে চালক দ্রুত গতিতে গাড়িটি চালিয়ে কাকলি সিগন্যালে এসে আটকা পড়েন। মোটর সাইকেলে হেলমেট পরা যুবকরা পেছনে ধাওয়া করে কাকলী সিগন্যালে আসে। তারা মটর সাইকেল থেকে নেমে গাড়ির ভিতরে এম আবদুল্লাহর মাথা লক্ষ্য করে খুব কাছ থেকে বড় আকারের একটি ইট ছুড়ে মারে। ইটটি এম আবদুল্লাহ পিঠে মেরুদণ্ডে আঘাত করে। এ অবস্থায় এম আবদুল্লাহ গাড়ির দরজাখুলে দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে দৌড়ে একটি চলন্তবাসে ওঠে পড়েন। এসময় ওই যুবকরা তার গাড়ির চালক আক্কাস আলীকে বেধড়ক মারধর করতে থাকে। অনেকদূর থেকেও তার আত্মচিত্কার শোনা যায়। এম আবদুল্লাহ বাসে বসেই বিষয়টি জানান আমার দেশ চেয়ারম্যান মাহামুদুর রহমান, উপ-সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদকে। তারা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে গুলশান থানা পুলিশ কাকলী এলাকা থেকে বিধ্বস্ত গাড়িটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। তারা আহত অবস্থায় চালককেও উদ্ধার করে।
দুর্বৃত্তদের ছুড়ে মারা ইট এম আব্দুল্লার পিঠে পড়ায় তিনি বেশ আহত হয়েছেন। তার পিঠ ফুলে গেছে। মেরুদন্ড ও বুকে প্রচন্ড ব্যথা নিয়ে তিনি প্রথমে নিজ াফিসে পৌছান।
ঘটনার পর ঘটনাস্থলে যায় গুলশান পুলিশ । তারা গাড়িটি উদ্ধার করে গুলশান থানায় নিয়ে যায়। গুলশান জোনের এসি নূরুল আলম জানান, ইটের ভাঙা অংশ দিয়ে গাড়িটিতে হামলা চালানো হয়েছে। গাড়ির ভিতর থেকে তারা দু’টি বড় বড় ইটের টুকরো উদ্ধার করেছেন। এগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ও ঘটনাস্থল আসা র্যাবের কর্মকর্তারা বলছেন, কে বা কারা এঘটনা ঘটিয়েছে এবিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


