স্বাগত হিজরি নববর্ষ
শরীফ মুহাম্মদ
আজ ১ মহররম। হিজরি সনের প্রথম মাসের প্রথম দিন। শুরু হলো ১৪৩১ হিজরি সন। এ সনটিকে ইসলামী সন হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়। ইসলামের ইতিহাসের গভীর তাত্পর্যপূর্ণ অধ্যায় হিজরতের ঘটনাকে স্মরণ করেই এ হিজরি সনের প্রবর্তন করা হয়েছে। এ সনের গণনা হয় চাঁদের হিসেবে। এজন্য একে চান্দ্রবর্ষও বলা যায়।
ইসলামের অভ্যুদয়ের পর পবিত্র মক্কায় তত্কালীন কাফের-মুশরিক ও ইসলামের মূলোত্পাটনকারী শক্তির অকথ্য ও অব্যাহত নির্যাতনের মুখে নবুওয়তের তেরতম বছরে শেষ নবী, শ্রেষ্ঠ মানুষ সাইয়েদুল মুরসালিন হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহতায়ালার নির্দেশে তত্কালীন ইয়াসরিবে (আজকের মদিনায়) হিজরত করেন। অবশ্য এরও কয়েক বছর আগে থেকে নবীজী (সা.)-এর নির্দেশে অনেক সাহাবি একা, সপরিবারে ও কোনো কোনো পর্যায়ে কাফেলাসহ প্রথমে আবিসিনিয়ায় ও পরবর্তীকালে ইয়াসরিবে হিজরত করেন। শাশ্বত ও শান্তির ধর্ম ইসলাম গ্রহণ করায় সঙ্কটাপন্ন জীবন ও বিশ্বাসকে রক্ষায় নবীজী (সা.)-এর নির্দেশে আত্মবিশ্বাসী মুসলিমরা আপন ভূমি-ঘরবাড়ি ও স্বজন ত্যাগ করে হিজরতের পথ বেছে নেন। হিজরতের পরের জীবনে মদিনায় একদিকে মুহাজির-আনসার সাহাবিদের মাঝে বিশ্বাস, চেতনা ও আদর্শে ঐক্যবদ্ধ সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়। অপরদিকে মদিনায় বসবাসরত অপরাপর অমুসলিম গোত্র ও ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে মদিনা সনদের ভিত্তিতে গঠিত হয় সমঝোতা, সহাবস্থান ভ্রাতৃত্বের দৃষ্টান্তপূর্ণ শান্তিময় সমাজ। ইয়াসরিবের নামকরণ হয় মদিনাতুন্নবী (সা.)। সংক্ষেপে সে শহরকেই বলা হয় ‘মদিনা’। হিজরতের পর থেকেই কোণঠাসা, আক্রান্ত ও বিপন্ন মুসলমানদের ঘুরে দাঁড়ানোর যুগের সূচনা হয়। আক্রমণকারী শত্রুশক্তি পরাজিত ও বিপর্যস্ত হতে থাকে বদর, ওহুদ, খন্দক, খয়বর নানা প্রান্তে। হিজরতের অষ্টমবর্ষে ঘটে মক্কা বিজয়। প্রতিশোধ ও জিঘাংসাবিহীন এক শান্তিপূর্ণ বিজয়ের মধ্য দিয়ে এরপর থেকেই জাযিরাতুল আরব থেকে বিস্তৃত হয়ে ইসলাম ছড়িয়ে পড়তে থাকে পৃথিবীর দূর-দূরান্তের বিভিন্ন জনপদে।
ইসলামের বিকাশ ও জয়যাত্রার ইতিহাসে হিজরতের তাত্পর্য তাই ব্যাপক, বিশাল ও অপরিসীম। দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর ফারুক (রা.)-এর শাসনামলে রাষ্ট্রীয় কাজের সুবিধার্থে সন গণনার প্রয়োজন হলে এই হিজরত থেকেই ইসলামী সন গণনা ধরা হয়।
ইসলামের অভ্যুদয়ের পর পবিত্র মক্কায় তত্কালীন কাফের-মুশরিক ও ইসলামের মূলোত্পাটনকারী শক্তির অকথ্য ও অব্যাহত নির্যাতনের মুখে নবুওয়তের তেরতম বছরে শেষ নবী, শ্রেষ্ঠ মানুষ সাইয়েদুল মুরসালিন হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহতায়ালার নির্দেশে তত্কালীন ইয়াসরিবে (আজকের মদিনায়) হিজরত করেন। অবশ্য এরও কয়েক বছর আগে থেকে নবীজী (সা.)-এর নির্দেশে অনেক সাহাবি একা, সপরিবারে ও কোনো কোনো পর্যায়ে কাফেলাসহ প্রথমে আবিসিনিয়ায় ও পরবর্তীকালে ইয়াসরিবে হিজরত করেন। শাশ্বত ও শান্তির ধর্ম ইসলাম গ্রহণ করায় সঙ্কটাপন্ন জীবন ও বিশ্বাসকে রক্ষায় নবীজী (সা.)-এর নির্দেশে আত্মবিশ্বাসী মুসলিমরা আপন ভূমি-ঘরবাড়ি ও স্বজন ত্যাগ করে হিজরতের পথ বেছে নেন। হিজরতের পরের জীবনে মদিনায় একদিকে মুহাজির-আনসার সাহাবিদের মাঝে বিশ্বাস, চেতনা ও আদর্শে ঐক্যবদ্ধ সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়। অপরদিকে মদিনায় বসবাসরত অপরাপর অমুসলিম গোত্র ও ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে মদিনা সনদের ভিত্তিতে গঠিত হয় সমঝোতা, সহাবস্থান ভ্রাতৃত্বের দৃষ্টান্তপূর্ণ শান্তিময় সমাজ। ইয়াসরিবের নামকরণ হয় মদিনাতুন্নবী (সা.)। সংক্ষেপে সে শহরকেই বলা হয় ‘মদিনা’। হিজরতের পর থেকেই কোণঠাসা, আক্রান্ত ও বিপন্ন মুসলমানদের ঘুরে দাঁড়ানোর যুগের সূচনা হয়। আক্রমণকারী শত্রুশক্তি পরাজিত ও বিপর্যস্ত হতে থাকে বদর, ওহুদ, খন্দক, খয়বর নানা প্রান্তে। হিজরতের অষ্টমবর্ষে ঘটে মক্কা বিজয়। প্রতিশোধ ও জিঘাংসাবিহীন এক শান্তিপূর্ণ বিজয়ের মধ্য দিয়ে এরপর থেকেই জাযিরাতুল আরব থেকে বিস্তৃত হয়ে ইসলাম ছড়িয়ে পড়তে থাকে পৃথিবীর দূর-দূরান্তের বিভিন্ন জনপদে।
ইসলামের বিকাশ ও জয়যাত্রার ইতিহাসে হিজরতের তাত্পর্য তাই ব্যাপক, বিশাল ও অপরিসীম। দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর ফারুক (রা.)-এর শাসনামলে রাষ্ট্রীয় কাজের সুবিধার্থে সন গণনার প্রয়োজন হলে এই হিজরত থেকেই ইসলামী সন গণনা ধরা হয়।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


