ওবামার প্রাতঃরাশ বৈঠকে শেখ হাসিনা
বাসস
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা গতকাল জলবায়ু এবং গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসে একটি গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর উপায় নিয়ে আলোচনার জন্য এক প্রাতঃরাশ বৈঠকের আয়োজন করেন। বিশ্বের ২০টি দেশের নেতৃবৃন্দ এতে যোগ দেন।
বেলা সেন্টারে আয়োজিত এই প্রাতঃরাশ বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে যোগ দেন সিওপি প্রেসিডেন্ট ও ড্যানিশ প্রধানমন্ত্রী লার্স লক্স রুসম্যান, জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন, চীনা প্রধানমন্ত্রী ওয়েন জিয়াবাউ, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ক্যাভিন রাড, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট সুসিলো বামবাং ইয়েধোইয়োনো এবং ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট নগুইন মিন ত্রিয়েত। বৈঠকে বারাক ওবামা আশা প্রকাশ করেন, উন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্র দূরত্ব কমানোর মাধ্যমে একটি নতুন বিশ্ব জলবায়ু চুক্তি করতে সক্ষম হবে, যা দরিদ্র দেশগুলো ও মানব জাতিকে রক্ষায় খুবই জরুরি। বৈঠক শেষে পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের জানান, প্রেসিডেন্ট ওবামা জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়ার কর্মসূচিতে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে সহায়তার লক্ষ্যে চুক্তির গুরুত্বের কথা স্বীকার করেন।
প্রতিমন্ত্রী ওবামার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘চুক্তি ছাড়া বাংলাদেশের মতো দেশগুলো, যারা জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সামান্যই দায়ী, তারা এ বিশাল সম্মেলন থেকে কী নিয়ে বাড়ি ফিরবে?’
এছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, চুক্তিতে অবশ্যই স্বচ্ছতার বিষয়টিকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সরকার অর্থের জন্য করদাতাদের কাছে দায়বদ্ধ। অভিযোজন ও প্রশমন কর্মসূচিতে যে কোনো উন্নয়নশীল দেশকে সহায়তার পদক্ষেপকে হতে হবে পরিমেয়, বর্ণনাযোগ্য ও প্রমাণসাধ্য।
ড. হাছান বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, চুক্তিতে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত জনগণ এবং অভিযোজনের জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোকে পর্যাপ্ত আর্থিক সহযোগিতার বিষয়টিকে অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
এছাড়া শেখ হাসিনা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সহজ উপায়ে প্রযুক্তি হস্তান্তরেরও আহ্বান জানান।
চীনা প্রধানমন্ত্রী ওয়েন জিয়াবাও কার্বন নির্গমন হ্রাসে তার দেশের পদক্ষেপের উল্লেখ করে এ ব্যাপারে তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিকল্পনা অনুযায়ী চীন কার্বন নির্গমন হ্রাসের বিষয়টি জানাবে, কিন্তু বাইরের কোনো যাচাই প্রক্রিয়ায় সম্মত হতে প্রস্তুত নয়।
বেলা সেন্টারে আয়োজিত এই প্রাতঃরাশ বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে যোগ দেন সিওপি প্রেসিডেন্ট ও ড্যানিশ প্রধানমন্ত্রী লার্স লক্স রুসম্যান, জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন, চীনা প্রধানমন্ত্রী ওয়েন জিয়াবাউ, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ক্যাভিন রাড, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট সুসিলো বামবাং ইয়েধোইয়োনো এবং ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট নগুইন মিন ত্রিয়েত। বৈঠকে বারাক ওবামা আশা প্রকাশ করেন, উন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্র দূরত্ব কমানোর মাধ্যমে একটি নতুন বিশ্ব জলবায়ু চুক্তি করতে সক্ষম হবে, যা দরিদ্র দেশগুলো ও মানব জাতিকে রক্ষায় খুবই জরুরি। বৈঠক শেষে পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের জানান, প্রেসিডেন্ট ওবামা জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়ার কর্মসূচিতে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে সহায়তার লক্ষ্যে চুক্তির গুরুত্বের কথা স্বীকার করেন।
প্রতিমন্ত্রী ওবামার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘চুক্তি ছাড়া বাংলাদেশের মতো দেশগুলো, যারা জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সামান্যই দায়ী, তারা এ বিশাল সম্মেলন থেকে কী নিয়ে বাড়ি ফিরবে?’
এছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, চুক্তিতে অবশ্যই স্বচ্ছতার বিষয়টিকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সরকার অর্থের জন্য করদাতাদের কাছে দায়বদ্ধ। অভিযোজন ও প্রশমন কর্মসূচিতে যে কোনো উন্নয়নশীল দেশকে সহায়তার পদক্ষেপকে হতে হবে পরিমেয়, বর্ণনাযোগ্য ও প্রমাণসাধ্য।
ড. হাছান বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, চুক্তিতে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত জনগণ এবং অভিযোজনের জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোকে পর্যাপ্ত আর্থিক সহযোগিতার বিষয়টিকে অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
এছাড়া শেখ হাসিনা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সহজ উপায়ে প্রযুক্তি হস্তান্তরেরও আহ্বান জানান।
চীনা প্রধানমন্ত্রী ওয়েন জিয়াবাও কার্বন নির্গমন হ্রাসে তার দেশের পদক্ষেপের উল্লেখ করে এ ব্যাপারে তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিকল্পনা অনুযায়ী চীন কার্বন নির্গমন হ্রাসের বিষয়টি জানাবে, কিন্তু বাইরের কোনো যাচাই প্রক্রিয়ায় সম্মত হতে প্রস্তুত নয়।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


