Amardesh
আজঃ ঢাকা, শনিবার ১৯ ডিসেম্বর ২০০৯, ৫ পৌষ ১৪১৬, ১ মহররম ১৪৩১     আপডেট সময়ঃ সময় : রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 জব সার্চ
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 বিশেষ বিভাগ
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

রাজনৈতিক দল ও পেশাজীবী সংগঠনের নিন্দা-প্রতিবাদ : এ হুমকি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা খর্ব করবে : দুদককে স্বাধীনতা দিয়ে ঘুষের ঘটনার অধিকতর তদন্ত দাবি

স্টাফ রিপোর্টার
আমার দেশ সম্পাদককে সরকারের মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতাদের হুমকি দেয়ার ঘটনায় দেশের বিশিষ্ট রাজনৈতিক দল ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। গতকাল পৃথক বিবৃতিতে তারা বলেন, এ ধরনের হুমকির ঘটনা সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে খর্ব করবে। তারা বলেন, আওয়ামী লীগের এই হুমকি গণতন্ত্রের লেবাসে তাদের বাকশালী মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই এলাহী চৌধুরীর ঘুষ নেয়ার অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে তদন্ত করানোর দাবি জানিয়ে বলেন, তা না হলে ভবিষ্যতে এই ঘুষের ঘটনার আন্তর্জাতিক তদন্ত হতে পারে।
পেশাজীবী সংগঠন: গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে হুমকি ও বিষোদগারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি শওকত মাহমুদ বলেন, ঘুষের সংবাদ প্রকাশ করার কারণে যদি সম্পাদকের চলাচলকে বাধাগ্রস্ত করার হুমকি দেয়া হয়, তাতে প্রতিষ্ঠান হিসেবে সম্পাদক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বলে আর কিছু থাকে না। আমার দেশ পত্রিকা যে খবরটি প্রকাশ করেছে, তা তাদের নিজস্ব কোনো সংবাদ নয়। মন্ত্রণালয়ের কাছে দেয়া ঘুষের একটি অভিযোগ নিয়ে তারা সংবাদ তৈরি করেছে। এই খবরকে ভিত্তি ধরে ঘটনার আরও অধিকতর তদন্ত হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তা না করে হুমকি দেয়া হয়েছে, যা কোনো গণতান্ত্রিক সমাজে কাম্য হতে পারে না। তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনকে স্বাধীনতা দিয়ে ঘুষের এই ঘটনার অধিকতর তদন্ত দাবি করে বলেন, তা না হলে এক সময় তা আন্তর্জাতিক তদন্ত করা হতে পারে।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) সভাপতি রুহুল আমিন গাজী আওয়ামী লীগ নেতাদের আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদককে হুমকি দেয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। তিনি গতকাল এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এই হুমকি দেয়ার মাধ্যমে তারা তাদের বাকশালী মনোবৃত্তিই প্রকাশ করেছেন। তারা সত্য কোনো খবরকেও সহ্য করতে পারে না। এটা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা খর্ব করার নামান্তর।
তিনি বলেন, সংবাদপত্রের খবরের প্রতিবাদের একটি নিয়ম আছে। সংবাদের সঙ্গে একমত না হলে প্রতিবাদ দেয়ার রীতি সংবাদপত্রের জন্মসময় থেকেই প্রচলিত। কিন্তু এর বদলে হুমকি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। তিনি আমার দেশ সম্পাদক ও তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হলে তার জন্য হুমকিদাতাদেরই দায়ী থাকতে হবে বলে উল্লেখ করেন।
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) সভাপতি আবদুস শহীদ বলেন, ডিইউজে মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। হুমকি দিয়ে এই মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে কেউ বিপন্ন করুক, তা আমরা চাই না। হুমকি দিয়ে মতপ্রকাশ বা সংবাদ প্রকাশে বাধা সৃষ্টি করলে, তা গণতন্ত্রকে দুর্বল করে দেবে। এ ধরনের কাজ গণতান্ত্রিক সমাজে কাম্য হতে পারে না। তিনি বলেন, সংবাদ প্রকাশ করায় যারা হুমকি দিয়েছে, তারা সাংবাদিকতার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করেছে। তিনি এসব কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তা না হলে গণতন্ত্র বিপন্ন হবে।
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ বাকের হোসাইন শেখ হাসিনা তনয় সজিব ওয়াজেদ জয় ও সরকারের উপদেষ্টা ড. তৌফিক ই এলাহী চৌধুরীর ঘুষ নেয়ার অভিযোগের খবরের ঘটনায় আমার দেশ সম্পাদককে হুমকি দেয়ার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি গতকাল এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এই ধরনের হুমকি স্বাধীন সংবাদপত্র বিকাশের পথে অন্তরায়। এটা কোনো গণতান্ত্রিক সমাজে কাম্য হতে পারে না। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিজেকে গণতান্ত্রিক সরকার হিসেবে দাবি করে। কিন্তু সরকার বা নিজেদের বিরুদ্ধে কোনো সংবাদ সহ্য করতে পারে না। এতে প্রমাণ হয়, তাদের লেবাস গণতান্ত্রিক হলেও, আসলে তাদের ভেতরে লুকিয়ে আছে স্বৈরাচারী মানসিকতা। সাংবাদিকদের কাজ হচ্ছে দেশ, সমাজ ও রাষ্ট্রের অস্বচ্ছতা তুলে ধরা। এতে গণতন্ত্র সুদৃঢ় হয়। এ কারণে সাংবাদিকদের হুমকি দেয়া বাকশালি মনোবৃত্তিরই নামান্তর মাত্র।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, সত্য কথা বলায় এভাবে হুমকি গণতন্ত্র ও মুক্ত সাংবাদিকতা চর্চার জন্য প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করবে। আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাজে ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি জনসম্মুখে তুলে ধরেছেন। এক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে গঠনমূলক প্রতিবাদ জানানো যেত। সংবাদে কোনো ধরনের মিথ্যা তথ্য থাকলে সে বিষয়টি স্পষ্ট করা যেত। কিন্তু পত্রিকার সম্পাদককে হুমকি প্রদানের মাধ্যমে আমাদের মন্ত্রীরা জনগণকে স্বৈরশাসনের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন। ড. ওবায়েদুল ইসলাম বলেন, যাদের বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ আনা হয়েছে, তারা দুধে ধোয়া তুলসী পাতা নন। এর আগেও তৌফিক এলাহী অপরাধ করে কারাবরণ করেছিলেন। সজীব ওয়াজেদ জয় কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন, কীভাবে ও কোন পথে টাকা আয় করেছেন, তাও খতিয়ে দেখা যেতে পারে।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ বলেন, আমার দেশ সম্পাদককে আওয়ামী লীগ নেতারা যে হুমকি দিয়েছেন, তা অনভিপ্রেত। খবরের ব্যাপারে কোনো মন্তব্য থাকলে তা লিখিত আকারে সংবাদপত্রে উপস্থাপন করা যায়। কিন্তু হুমকি দিয়ে সংবাদপত্রের কাজকে বাধাগ্রস্ত করা উচিত নয়। গণতন্ত্র সুদৃঢ়করণে স্বাধীন সংবাদপত্র অন্যতম শর্ত। তাই গণতন্ত্র ও আইনের শাসন কায়েমের জন্য সংবাদপত্রের স্বাধীনতা থাকা প্রয়োজন।
শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়াসহ ১০১ শিক্ষকনেতা এক যুক্ত বিবৃতিতে আমার দেশ সম্পাদককে হুমকি প্রদানের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা দেশের সাধারণ জনগণ ভালো চোখে দেখছে না। অবিলম্বে হুমকি প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিক্ষকনেতারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। বিবৃতি প্রদানকারী অন্য শিক্ষকনেতারা হলেন কাজী আবদুর রাজ্জাক, সিএম মাহমুদ, মাওলানা এমএ লতিফ, মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ কামরুজ্জামান প্রমুখ।
অ্যাগ্রিকালচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের আহ্বায়ক আনোয়ারুন নবী মজুমদারসহ ৩১ কৃষিবিদ নেতা এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। এভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গকে দমানো স্বৈরশাসনের নামান্তর। অবিলম্বে হমুকি প্রদানকারী আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ঘুষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত করার দাবি জানান তারা। বিবৃতিদাতা অন্য কৃষিবিদরা হলেন কৃষিবিদ দেওয়ান হোসেন আহমেদ, প্রফেসর ড. রফিকুল ইসলাম, প্রফেসর ড. সালাউদ্দিন মাহমুদ চৌধুরী, ড. রাশেদুল হাসান হারুন, ড. রেজাউল করিম মিয়া, প্রফেসর ড. করিম ওয়াহিদী, ড. শামসুল আলম তোফা, শামিমুর রহমান শামীম, গোলাম হাফিজ কেনেডি, চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল ফারুক প্রমুখ।
রাজনৈতিক দল ও সংগঠন : বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মিজানুর রহমান মিনু বলেন, আমার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিক্রিয়া হিসেবে আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল নেতা ও মন্ত্রীরা যে মন্তব্য করেছেন তা অগণতান্ত্রিক ও অপরিপকস্ফ বলে জনগণের কাছে মনে হয়েছে। তাদের হুমকিমূলক মন্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করে নিয়ে গণতান্ত্রিক আচরণ করার আহ্বান জানিয়ে মিজানুর রহমান মিনু বলেন, সরকার যে বাকশালের পথে যাচ্ছে না, তা প্রমাণ করতে হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) সভাপতি শফিউল আলম প্রধান এক বিবৃতিতে হুমকির ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ কারও পৈতৃক জমিদারি নয়। শেখ হাসিনা তনয় জয় ও তৌফিক এলাহী চৌধুরীর দুর্নীতির প্রকাশিত রিপোর্ট সম্পর্কে আপত্তি থাকলে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীরা প্রতিবাদ, প্রেস কমিশন, আইন-আদালতের আশ্রয় নিতে পারেন। কিন্তু মতিয়া চৌধুরীর মতো প্রবীণ রাজনীতিকরা যখন হুমকি দেন একজন সম্পাদককে ‘ঘরের বাইরে বের হতে দেয়া হবে না’, তখন বুঝতে বাকি থাকে না মহাজোট সরকারের পায়ের তলায় মাটি নেই। এ ধরনের হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, বিচার না করলে হুমকিদাতাদের প্রতিরোধ করতে গিয়ে জনগণ সরকারের পতন আন্দোলনের সূত্রপাত করবে।
যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ডাকসু’র সাবেক জিএস খায়রুল কবির খোকন, ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, ছাত্রদলের সাবেক নেতা সাহাবুদ্দিন লাল্টু, এবিএম মোশাররফ হোসেন, আজিজুল বারী হেলাল, শামসুজ্জামান মেহেদী, ছাত্রদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম, ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক আবদুল মতিন, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, দক্ষিণের আহ্বায়ক হাবিবুর রশিদ হাবিব, জিয়া সেনার কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুর রহমান তপন ও সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর হোসেন, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ-এর সভাপতি ওয়ালীউল্লাহ আরমান ও সেক্রেটারি ফেরদৌস মাহমুদ, বাগেরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম ও সাধারণ সম্পাদক আলী রেজা বাবু, বাংলাদেশ মফস্বল মানবাধিকার সাংবাদিক ফোরামের সাখাওয়াত হোসেন মঈন চৌধুরী পৃথক বিবৃতিতে আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে হুমকি দেয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান।
বরিশাল অফিস জানায়, বরিশাল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক মেয়র অ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার এমপি, বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের সদস্যসচিব অ্যাড. নজরুল ইসলাম খান রাজন, বরিশাল চেম্বার অব কর্মাসের সভাপতি শেখ আবদুর রহিম, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান হাবিব কামাল, নাগরিক সমাজের সদস্যসচিব ডা. মিজানুর রহমান, মহানগর জামায়াতের আমীর অ্যাড. মুয়াযযম হোসাইন হেলাল পৃথক বিবৃতিতে আমার দেশ সম্পাদককে হুমকি দেয়ার বিষয়ে বলেন, আওয়ামী লীগের এ হুমকি ১৯৭৫ সালের ১৬ জুনকে স্মরণ করিয়ে দেয়। সংবাদপত্র বা সাংবাদিকদের হুমকি দেয়ার বিষয়টি বর্তমান শাসক গোষ্ঠীর কাছে নতুন কিছু নয়।
চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, আমার দেশ সম্পাদক প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমানের প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে এবং বিবৃতিতে নিন্দা জানিয়েছে বিএনপিসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন।
মহানগর বিএনপির চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ ও বায়েজিদ থানার উদ্যোগে গতকাল বিকালে নগরীর বহদ্দারহাট চত্বরে এক প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। আশরাফ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইসকান্দর মির্জা, আনোয়ার হোসেন লিপু, জিএম আইয়ুব খান, আহমদ হোসেন, ইদ্রিস আলী, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, মোহাম্মদ আসলাম, জাফর আহমদ, বখতেয়ার উদ্দিন, জানে আলম জিকু, জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ হামিদ।
এদিকে নগর বিএনপির সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, উত্তর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন পৃথক বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা ও মন্ত্রীদের প্রকাশ্য সভায় আমার দেশ সম্পাদকের প্রাণনাশের হুমকির তীব্র নিন্দা জানান।
ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি ও বিএমএ চট্টগ্রাম জেলার সাবেক সভাপতি ডা. গোলাম মর্তুজা হারুন, সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, ড্যাব চিটাগাং মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি ও বিএমএ চট্টগ্রাম জেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ডা. তমিজউদ্দিন মানিক, ড্যাব মহানগর সভাপতি আশরাফুল কবির, সাধারণ সম্পাদক ডা. জসিম উদ্দিন, বিএমএ চট্টগ্রাম জেলার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবু নাসেরসহ প্রমুখ নেতা এক যুক্ত বিবৃতিতে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবু উল আলম ও স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানকের মতো নেতারা প্রকাশ্য সভায় একজন পত্রিকা সম্পাদকের প্রাণনাশের যে হুমকি দিয়েছেন তা দেশের সাধারণ মানুষকে ভীতসন্ত্রস্ত ও বিচলিত করে তুলেছে। এ ধরনের বক্তব্য দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার পরিপন্থী বলে পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন। এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল চট্টগ্রাম নগর শাখার সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি, সাধারণ সম্পাদক আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল ও দফতর সম্পাদক তৌহিদুস সালাম নিশাদসহ অন্যান্য নেতা।
রাজশাহী অফিস জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ঘুষ নেয়ার অভিযোগ সম্পর্কে রিপোর্ট প্রকাশ করায় দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগ নেতাদের হুমকির ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজশাহীর বিভিন্ন মহল।
এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তারা বলেন, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালনকারী এবং সরকারের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের কঠোর সমালোচক এই ব্যক্তিকে হুমকি দেয়া অত্যন্ত নিন্দনীয়। একটি বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকার সম্পাদককে আওয়ামী নেতাদের প্রকাশ্যে হুমকি দেয়া মানে গণমাধ্যমকে গলাটিপে ধরার শামিল।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু, সাবেক এমপি আজিজুর রহমান, সাবেক এমপি জাহান পান্না, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি রেজাউল করিম রাজু, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি এসএমএ কাদের ও রাজশাহী সিটি প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আরইউজের অর্থ সম্পাদক সরদার এম আনিছুর রহমান প্রমুখ এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন।
এদিকে আমাদের রাবি প্রতিনিধি জানান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় জিয়া পরিষদ, সেন্টার ফর সোশ্যাল স্টাডিজ, ইসলামিক স্টাডি সার্কেল, রাবির সাবেক ভিসি, রাবি প্রেসক্লাব, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, রাবি শাখা ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠন ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন।
বিবৃতিদানকারীরা হলেন রাবির সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. ফাইসুল ইসলাম ফারুকী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর রফিকুল ইসলাম, সাবেক প্রোভিসি প্রফেসর কেএএম শাহাদাত হোসেন মণ্ডল, রাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ জিল্লূর রহমান, জিয়া পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রফেসর আঃ হামিদ ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর সিএম মোস্তফা, সেন্টার ফর সোশ্যাল স্টাডিজ ও ইসলামিক স্টাডি সার্কেলের সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ বেলাল হোসেন, রাবি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এরশাদুল বারী কর্নেল ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাবি শাখার সভাপতি আলী আজগর খোকন।
সিলেট অফিস জানায়, আমার দেশ সম্পাদককে হুমকি দেয়ার নিন্দা জানিয়ে সিলেটের নেতারা বলেন, এর মধ্য দিয়ে আওয়ামী নেতাদের ফ্যাসিস্ট চরিত্রের প্রকাশ ঘটেছে। নেতারা এই ঘটনাসহ আওয়ামী লীগের সব ফ্যাসিস্ট কর্মকাণ্ড রুখে দাঁড়ানোর জন্য দেশপ্রেমিক গণতন্ত্রকামী মানুষের প্রতি আহ্বান জানান। এ বিষয়ে পৃথক বিবৃতি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান, জেলা বিএনপির নেতা ও সাবেক এমপি এম ইলিয়াস আলী, যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি কাইয়ুম চৌধুরী, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহরিয়ার হুসেন চৌধুরী প্
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?