Amardesh
আজঃ ঢাকা, শনিবার ১৯ ডিসেম্বর ২০০৯, ৫ পৌষ ১৪১৬, ১ মহররম ১৪৩১     আপডেট সময়ঃ সময় : রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 জব সার্চ
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 বিশেষ বিভাগ
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

ডাকসু ও ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের হুশিয়ারি : তারেকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধ না হলে কঠোর আন্দোলন

স্টাফ রিপোর্টার
বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ইমেজ ক্ষুণ্ন করতে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপ রুখতে মাঠে নেমেছে ছাত্রদল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক নেতারা। বিগত তত্ত্বাবধায়ক ও বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও দেশি-বিদেশি সিন্ডিকেটের মিথ্যাচার বন্ধ না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ডাকসুর সাবেক ভিপি, জিএসসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালনকারী ছাত্রনেতারা সরকারকে এ হুশিয়ারি দেন। একইসঙ্গে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ, এশিয়ান হাইওয়ের নামে করিডোর প্রদান, জাতীয় সম্পদ তেল-গ্যাস-কয়লা রফতানির নামে দেশকে বঞ্চিত করা, বিদেশিদের হাতে বন্দর তুলে দেয়া ও সমুদ্রসীমায় বিদেশিদের হস্তক্ষেপ রুখতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেছেন, দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো চুক্তি করা হলে কঠোর সংগ্রাম গড়ে তোলা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়েন ডাকসুর সর্বশেষ ভিপি ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভি, ডাকসুর সর্বশেষ জিএস খায়রুল কবির খোকন, সাবেক নেতা শামসুজ্জামান দুদু, ফজলুল হক মিলন, হাবিবুর রহমান হাবিব, নাজিম উদ্দীন আলম, ইলিয়াস আলী, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, হাবিব উন নবী খান সোহেল, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, সাহাবউদ্দীন লাল্টু, এবিএম মোশাররফ হোসেন, আজিজুল বারী হেলাল, রফিক সিকদার, শামসুজ্জামান মেহেদী, মাহবুবুল হক নান্নু, শফিউল বারী বাবু, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, আমিরুল ইসলাম খান আলীম, শহিদুল ইসলাম বাবুল প্রমুখ।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, দেশ আজ গভীর সঙ্কটে। একদিকে শাসক দলের মন্ত্রী, এমপিসহ সন্ত্রাসী দুর্বৃত্তদের লুটপাট, দুর্নীতি, টেন্ডার ও চাঁদাবাজি, দখলবাণিজ্যের উত্সব চলছে আর অন্যদিকে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সঙ্কটের মুখোমুখি দাঁড় করানো হয়েছে। এর বিরুদ্ধে জনগণকে সম্পৃক্ত করে বিরোধী দল যাতে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারে সেজন্য জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্র চলছে। আওয়ামী লীগের দেশি ও বিদেশি ভাড়াটে বন্ধুরা সিন্ডিকেট করে জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে এ বিজয়ের মাসে বিজয়ের চেতনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে আওয়ামী লীগ সরকার।
সাবেক ছাত্রনেতারা বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দলটিকে সুসংঠিত করতে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত তৃণমূল নেতাদের ঐক্যবদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন তারেক রহমান। বিএনপির ঐক্যবদ্ধ রূপ সহ্য করতে না পেরে সাম্রাজ্যবাদের দালাল আওয়ামী লীগ ও তাদের ঘরানার কিছু মিডিয়া তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে অপপ্রচার শুরু করেছিল। তাদের সৃষ্ট বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ওই অপপ্রচারের জের ধরে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দায়ের করে। ডাকসুর সাবেক নেতারা দাবি করেন, এবার কাউন্সিলরদের মতামতের ভিত্তিতে তারেক রহমান দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর আবার তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। এ সরকার বিদেশি প্রভুদের খুশি করতে ব্যস্ত রয়েছে অভিযোগ করে সাবেক ছাত্রনেতারা বলেন, ব্যর্থ এ সরকারের বিরুদ্ধে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণ যাতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে না পারে সেজন্য, ব্যক্তিগতভাবে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে হয়রানি করা হচ্ছে। অবিলম্বে এ হয়রানি বন্ধ ও সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে তারা বলেন, অন্যায় ও জুলুম বন্ধ না হলে ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলে ১৯৯০-এর মতো বর্তমান সরকারের পতন ঘটানো হবে।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?