মূল্যস্ফীতির হার এক মাসে বেড়েছে ৪৬ ভাগ
সাইফ ইসলাম দিলাল
গত সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবরে আবার মূল্যস্ফীতির হার ৪৬ ভাগ বেড়ে গেছে। এক মাসের ব্যবধানে এই হার ২ দশমিক ১১ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ। গত সেপ্টেম্বরে এই হার ছিল ৪ দশমিক ৬০ শতাংশ। এর মধ্যে শহরের চেয়ে গ্রামে গড়ে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। শহরে খাদ্যসামগ্রী খাতে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ শতাংশে। পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, খাদ্যদ্রব্য খাতে শহর এলাকায় মূল্যস্ফীতির হার দুই অংকের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, খাদ্য এবং খাদ্যবহির্ভূত নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে। সেপ্টেম্বরের চেয়ে তুলনামূলকভবে অক্টোবরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির হার শতকরা ৫৬ ভাগ। এই এক মাসে খাদ্যদ্রব্যের মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে ২ দশমিক ৮ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে এই হার ছিল ৪ দশমিক ৯৮ শতাংশ। অক্টোবরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। খাদ্য ছাড়া অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রে এ বৃদ্ধির হার ১৮ ভাগ। সেপ্টেম্বরে ছিল ৪ দশমিক ২৮ শতাংশ। অক্টোবরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ০৭ শতাংশ।
বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আবার বাড়তে শুরু করায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে মূল্যস্ফীতির ওপর। অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, জিনিসপত্রের দাম বাড়ার পাশাপাশি গত রোজার সময় ও ঈদের কারণে বাজারে টাকার প্রবাহ বেড়েছে। এসব কারণেই গত অক্টোবরে মূল্যস্ফীতির হার তুলনামূলকভাবে বেশি বেড়েছে।
এ প্রসঙ্গে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মুহাম্মদ মাহবুব আলী বলেন, সম্প্রতি সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। তিনি বলেন, সরকার এখন আন্তর্জাতিক বাজারের পণ্যমূল্য ঠিকভাবে মনিটর করে। যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে সেগুলো মজুত করতে হবে। টিসিবিকে শক্তিশালী করে পণ্যমূল্য স্বাভাবিক রাখার পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে। আর না হলে মূল্যস্ফীতির এই ঊর্ধ্বগতি চলতে থাকবে বলে মনে করেন তিনি।
শহরাঞ্চলের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি বেশি বেড়েছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে খাদ্য মূল্যস্ফীতি প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। সেপ্টেম্বরে গ্রামাঞ্চলে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ। অক্টোবরে তা বেড়ে ৬ দশমিক ৬২ শতাংশে দাঁড়িযেছে। ওই সময়ে গ্রামে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে ২ দশমিক ৬৩ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি যেখানে ৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ ছিল, অক্টোবরে তা প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ২৬ শতাংশে। ওই সময়ে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে ৩ দশমিক ৪৬ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি সেপ্টেম্বরে ছিল ৪ দশমিক ৩০ শতাংশ, অক্টোবরে তা ৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ। ওই সময় বেড়েছে ১ দশমিক ০৪ শতাংশ।
সেপ্টেম্বরে শহরাঞ্চলে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ১৫ শতাংশ। অক্টোবরে তা দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৯৬ শতাংশে। ওই সময়ে এই হার বেড়েছে শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ। খাদ্য খাতে সেপ্টেম্বরে ছিল ৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ। অক্টোবরে তা দাঁড়িয়েছে ৯ শতাংশে। বেড়েছে ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি সেপ্টেম্বরে ছিল ৪ দশমিক ২০ শতাংশ।
পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, খাদ্য এবং খাদ্যবহির্ভূত নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে। সেপ্টেম্বরের চেয়ে তুলনামূলকভবে অক্টোবরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির হার শতকরা ৫৬ ভাগ। এই এক মাসে খাদ্যদ্রব্যের মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে ২ দশমিক ৮ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে এই হার ছিল ৪ দশমিক ৯৮ শতাংশ। অক্টোবরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। খাদ্য ছাড়া অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রে এ বৃদ্ধির হার ১৮ ভাগ। সেপ্টেম্বরে ছিল ৪ দশমিক ২৮ শতাংশ। অক্টোবরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ০৭ শতাংশ।
বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আবার বাড়তে শুরু করায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে মূল্যস্ফীতির ওপর। অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, জিনিসপত্রের দাম বাড়ার পাশাপাশি গত রোজার সময় ও ঈদের কারণে বাজারে টাকার প্রবাহ বেড়েছে। এসব কারণেই গত অক্টোবরে মূল্যস্ফীতির হার তুলনামূলকভাবে বেশি বেড়েছে।
এ প্রসঙ্গে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মুহাম্মদ মাহবুব আলী বলেন, সম্প্রতি সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। তিনি বলেন, সরকার এখন আন্তর্জাতিক বাজারের পণ্যমূল্য ঠিকভাবে মনিটর করে। যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে সেগুলো মজুত করতে হবে। টিসিবিকে শক্তিশালী করে পণ্যমূল্য স্বাভাবিক রাখার পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে। আর না হলে মূল্যস্ফীতির এই ঊর্ধ্বগতি চলতে থাকবে বলে মনে করেন তিনি।
শহরাঞ্চলের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি বেশি বেড়েছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে খাদ্য মূল্যস্ফীতি প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। সেপ্টেম্বরে গ্রামাঞ্চলে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ। অক্টোবরে তা বেড়ে ৬ দশমিক ৬২ শতাংশে দাঁড়িযেছে। ওই সময়ে গ্রামে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে ২ দশমিক ৬৩ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি যেখানে ৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ ছিল, অক্টোবরে তা প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ২৬ শতাংশে। ওই সময়ে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে ৩ দশমিক ৪৬ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি সেপ্টেম্বরে ছিল ৪ দশমিক ৩০ শতাংশ, অক্টোবরে তা ৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ। ওই সময় বেড়েছে ১ দশমিক ০৪ শতাংশ।
সেপ্টেম্বরে শহরাঞ্চলে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ১৫ শতাংশ। অক্টোবরে তা দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৯৬ শতাংশে। ওই সময়ে এই হার বেড়েছে শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ। খাদ্য খাতে সেপ্টেম্বরে ছিল ৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ। অক্টোবরে তা দাঁড়িয়েছে ৯ শতাংশে। বেড়েছে ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি সেপ্টেম্বরে ছিল ৪ দশমিক ২০ শতাংশ।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


