ধোনির সেঞ্চুরিতে ভারত তিনশ’ পার
স্পোর্টস ডেস্ক
নাগপুরের জামথায় বিদর্ভ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিন-রাতের ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং নিতে ভুল করেননি ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। ব্যস তারপরই দর্শকরা নড়েচড়ে বসেন আরেকটি শেবাগীয় ঝড় দেখার আশায়। কিন্তু তাদের হতাশ করে নজফগড়ের সুলতান ফিরে যান ৪ রানেই। শ্রীলঙ্কান পেসার ওয়েলেগেদারার প্রথম বলেই চার হাঁকিয়েছিলেন শেবাগ। কিন্তু চতুর্থ বলে ব্যাট চালিয়ে উইকেটকিপার লঙ্কান অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারাকে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরের পথ ধরেন।
১৯ রানে নেই ভারতের দ্বিতীয় উইকেট। রান আউট আরেক ইনফর্ম ব্যাটসম্যান গৌতম গম্ভীর। বিদর্ভ স্টেডিয়ামে তখন সুনসান নীরবতা। ঠেকা দিয়েছিলেন সেই শচীন টেন্ডুলকার। কিন্তু ব্যক্তিগত ৪৩ রানের মাথায় তিনি স্টেপআউট করে লঙ্কান স্পিনার অজন্তা মেন্ডিজকে মাঠছাড়া করতে চেয়েছিলেন। মিস করে নিজেই মাঠ ছাড়েন। সহজ স্টাম্পিং করেন সাঙ্গাকারা। কিস্তিমাতের আনন্দেই তখন মেতে উঠেছিলেন লঙ্কান অধিনায়ক। ৮১ রানে নেই ভারতের ৩ উইকেট। সবচেয়ে বড় কথা, ফিরে গেছে তিন বিপদ—শেবাগ, গম্ভীর ও শচীন। যাদের ব্যাটকেই বড় ভয় ছিল লঙ্কানদের। কিন্তু অন্যরকম ভাবনা ছিল সাঙ্গাকারার প্রতিপক্ষ ধোনির। ঠিক সময়ে অধিনায়কোচিত আরেকটি সেঞ্চুরি (১০৭) করেছেন তিনি। তাকে সহায়তা করে যান বিরাট কোহলি এবং সুরেশ রায়না। আর তাই ৫০ ওভার শেষে ৭ উইকেটে ৩০১ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোরই গড়েছে ভারত।
খানকতক জীবন অবশ্য পেয়েছেন ধোনি। আম্পায়ারের বদান্যতায় এলবিডব্লুিউর হাত থেকে বেঁচেছেন। ক্যাচও ফস্কেছে তার। তবে থেমে থাকেননি ভারত অধিনায়ক। ক্যারিয়ারের ছয় নম্বর ওয়ানডে সেঞ্চুরিটা তুলে দলকে ঠিকই পৌঁছে দিয়েছেন লড়াকু জায়গায়। ১১১ বলের ইনিংসে ছক্কা মেরেছেন দুটি, বাউন্ডারি আটটি। আউট হন একেবারে ৫০তম ওভারের তৃতীয় বলে। রনদিবের বলে ক্যাচ নেন দিলশান। প্রথমে ধোনির সঙ্গী ছিলেন যুবরাজের জায়গায় খেলতে নামা বিরাট কোহলী। ৬৫ বলে সাত চারে ৫৪ রানের একটি ভালো ইনিংস খেলে যান তিনি। তবে ভারতকে বড় স্কোরে নিয়ে যায় ধোনি-রায়না পঞ্চম উইকেট জুটি। রান ওঠে ১২৬। বলের আগেই দৌড়েছে রায়নার রান। কারণ ৬৮ রান করতে খরচ করেছেন ৫৫ বল। যাতে ছিল দুই ছক্কা এবং ছয় বাউন্ডারি।
শ্রীলঙ্কার হয়ে কালই ওয়ানডেতে অভিষেক হয়েছে ২৪ বছর বয়সী ডানহাতি অফস্পিনার সুরজ মোহামেদের। দেশের হয়ে প্রথম ওয়ানডেতেই সেরা বোলার তিনি। ৫১ রানে পেয়েছেন ৩ উইকেট। একটি করে উইকেট ওয়েলেগেদারা, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস এবং মেন্ডিজের।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ভারত : ৫০ ওভারে ৩০১/৭ (ধোনি ১০৭, রায়না ৬৮, কোহলি ৫৪, শচীন ৪৩; সুরজ ৩/৫১)।
১৯ রানে নেই ভারতের দ্বিতীয় উইকেট। রান আউট আরেক ইনফর্ম ব্যাটসম্যান গৌতম গম্ভীর। বিদর্ভ স্টেডিয়ামে তখন সুনসান নীরবতা। ঠেকা দিয়েছিলেন সেই শচীন টেন্ডুলকার। কিন্তু ব্যক্তিগত ৪৩ রানের মাথায় তিনি স্টেপআউট করে লঙ্কান স্পিনার অজন্তা মেন্ডিজকে মাঠছাড়া করতে চেয়েছিলেন। মিস করে নিজেই মাঠ ছাড়েন। সহজ স্টাম্পিং করেন সাঙ্গাকারা। কিস্তিমাতের আনন্দেই তখন মেতে উঠেছিলেন লঙ্কান অধিনায়ক। ৮১ রানে নেই ভারতের ৩ উইকেট। সবচেয়ে বড় কথা, ফিরে গেছে তিন বিপদ—শেবাগ, গম্ভীর ও শচীন। যাদের ব্যাটকেই বড় ভয় ছিল লঙ্কানদের। কিন্তু অন্যরকম ভাবনা ছিল সাঙ্গাকারার প্রতিপক্ষ ধোনির। ঠিক সময়ে অধিনায়কোচিত আরেকটি সেঞ্চুরি (১০৭) করেছেন তিনি। তাকে সহায়তা করে যান বিরাট কোহলি এবং সুরেশ রায়না। আর তাই ৫০ ওভার শেষে ৭ উইকেটে ৩০১ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোরই গড়েছে ভারত।
খানকতক জীবন অবশ্য পেয়েছেন ধোনি। আম্পায়ারের বদান্যতায় এলবিডব্লুিউর হাত থেকে বেঁচেছেন। ক্যাচও ফস্কেছে তার। তবে থেমে থাকেননি ভারত অধিনায়ক। ক্যারিয়ারের ছয় নম্বর ওয়ানডে সেঞ্চুরিটা তুলে দলকে ঠিকই পৌঁছে দিয়েছেন লড়াকু জায়গায়। ১১১ বলের ইনিংসে ছক্কা মেরেছেন দুটি, বাউন্ডারি আটটি। আউট হন একেবারে ৫০তম ওভারের তৃতীয় বলে। রনদিবের বলে ক্যাচ নেন দিলশান। প্রথমে ধোনির সঙ্গী ছিলেন যুবরাজের জায়গায় খেলতে নামা বিরাট কোহলী। ৬৫ বলে সাত চারে ৫৪ রানের একটি ভালো ইনিংস খেলে যান তিনি। তবে ভারতকে বড় স্কোরে নিয়ে যায় ধোনি-রায়না পঞ্চম উইকেট জুটি। রান ওঠে ১২৬। বলের আগেই দৌড়েছে রায়নার রান। কারণ ৬৮ রান করতে খরচ করেছেন ৫৫ বল। যাতে ছিল দুই ছক্কা এবং ছয় বাউন্ডারি।
শ্রীলঙ্কার হয়ে কালই ওয়ানডেতে অভিষেক হয়েছে ২৪ বছর বয়সী ডানহাতি অফস্পিনার সুরজ মোহামেদের। দেশের হয়ে প্রথম ওয়ানডেতেই সেরা বোলার তিনি। ৫১ রানে পেয়েছেন ৩ উইকেট। একটি করে উইকেট ওয়েলেগেদারা, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস এবং মেন্ডিজের।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ভারত : ৫০ ওভারে ৩০১/৭ (ধোনি ১০৭, রায়না ৬৮, কোহলি ৫৪, শচীন ৪৩; সুরজ ৩/৫১)।
-
খেলাধুলা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


