পার্থে এবার বোলিং আগুন
স্পোর্টস রিপোর্টার
প্রথম দু’দিন ব্যাটসম্যানদের হয়ে কথা বললেও কাল তৃতীয় দিন বোলারদের সঙ্গে পুরনো বন্ধুত্ব দেখাল পার্থের উইকেট। কাল সারাদিনে পার্থে রান উঠেছে ২৩৫। উইকেট পড়েছে ১৬টি। আগের দিন ২ উইকেটে ২১৪ রান নিয়ে কাল খেলতে নেমেই বিপদে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। গুটিয়ে যায় মাত্র ৩১২ রানে। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ফলো-অন করানোর সুযোগ পেয়েও অস্ট্রেলিয়া নিজের বোলারদের বিশ্রাম দিতেই দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে। তবে পন্টিংয়ের এই সিদ্ধান্ত কতটুকু ভালো হয়েছে সেটা প্রমাণের জন্য ম্যাচের ফলাফল পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। কারণ অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংসে ১৩৭ রান তুলতেই খুইয়ে ফেলেছে ৮ উইকেট। ম্যাচে তাদের লিড এখন ৩৪৫ রান। হাতে বাকি দু’উইকেট। ম্যাচের বাকি আরও দু’দিন।
পার্থে যে কোনো একটা দল হারছে সেটা নিশ্চিতপ্রায়। তবে জয়ী দলের নাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ নাকি অস্ট্রেলিয়া তারও প্রাথমিক একটা ধারণা পাওয়া যাবে আজ চতুর্থ দিনেই।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য দুঃসংবাদ হলো—পার্থের উইকেটের কয়েকটি স্থানে ফাটল ধরেছে। ফাস্ট বোলাররা বল হাতে ‘আগুন’ ঝরাচ্ছেন। তাছাড়া যে কোনো টেস্ট ম্যাচেরই শেষ ইনিংসে তিনশ’র বেশি টার্গেট টপকানো মোটেও সহজ কোনো কাজ নয়। আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই দলে যে এখন ব্যাটসম্যান বলতে কেবল ওই একজনই—ক্রিস গেইল।
পার্থে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে জিততে হলে ক্রিস গেইলকে প্রথম ইনিংসের চেয়ে ভালো ব্যাটিং করতে হবে। প্রথম ইনিংসে গেইলের কীর্তিটা আরেকবার মনে করিয়ে দেই—৭২ বলে ১০২ রান!
কাল তৃতীয় দিনের সকালের দ্বিতীয় বলেই উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আগের দিনের ৪২ রানের সঞ্চয়ের সঙ্গে আর কোনো রান যোগ করতে পারেননি সারওয়ান। বলিঞ্জার দিনের শুরুতেই সারওয়ানকে ফিরিয়ে দিয়ে বল হাতে যেন আগুন ঝরাতে শুরু করেন! যখন থামলেন তখন তার নামের পাশে ৭০ রানে ৫ উইকেট। টেস্ট ইনিংসে এটি তার সেরা বোলিং। ব্রেন্ডন ন্যাস ছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের আর কোনো ব্যাটসম্যান কাল পার্থের উইকেটে টিকতে পারেননি। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এই ব্যাটসম্যান পার্থের উইকেটকে চেনেন নিজের হাতের তালুর মতোই! অনেক ম্যাচ খেলেছেন এই মাঠে। পরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে নিজের ক্রিকেট ক্যারিয়ার গড়েন ন্যাস। নিজের পুরনো মাঠে ফিরে ৪৪ রান করেন ন্যাস। কাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে এটাই ছিল ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ স্কোর। শেষের ৫ উইকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ হারায় মাত্র ১৭ রানে!
২০৮ রানে এগিয়ে থেকে অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে। কিন্তু দলের কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ১২৫ রানে ৭ উইকেট হারানোর পর রিকি পন্টিং হাতে চোট নিয়েও খেলতে নামেন। কিন্তু টিকেন মাত্র ৬ বল। কেমার রোচের বলে ফরোয়ার্ড শর্ট লেগে সহজ ক্যাচ তুলে ২ রানে ফিরে আসেন পন্টিং। প্রথম ইনিংসে ২৩ রানে কনুইতে চোট পেয়ে পন্টিং রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন। সেই দফায়ও বোলার ছিলেন কেমার রোচই। পার্থ টেস্টে যেই হারুক, পন্টিংয়ের সঙ্গে ব্যক্তিগত লড়াইয়ে কিন্তু ঠিকই জিতে গেলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ২১ বছর বয়সী ফাস্ট বোলার!
পার্থে যে কোনো একটা দল হারছে সেটা নিশ্চিতপ্রায়। তবে জয়ী দলের নাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ নাকি অস্ট্রেলিয়া তারও প্রাথমিক একটা ধারণা পাওয়া যাবে আজ চতুর্থ দিনেই।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য দুঃসংবাদ হলো—পার্থের উইকেটের কয়েকটি স্থানে ফাটল ধরেছে। ফাস্ট বোলাররা বল হাতে ‘আগুন’ ঝরাচ্ছেন। তাছাড়া যে কোনো টেস্ট ম্যাচেরই শেষ ইনিংসে তিনশ’র বেশি টার্গেট টপকানো মোটেও সহজ কোনো কাজ নয়। আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই দলে যে এখন ব্যাটসম্যান বলতে কেবল ওই একজনই—ক্রিস গেইল।
পার্থে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে জিততে হলে ক্রিস গেইলকে প্রথম ইনিংসের চেয়ে ভালো ব্যাটিং করতে হবে। প্রথম ইনিংসে গেইলের কীর্তিটা আরেকবার মনে করিয়ে দেই—৭২ বলে ১০২ রান!
কাল তৃতীয় দিনের সকালের দ্বিতীয় বলেই উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আগের দিনের ৪২ রানের সঞ্চয়ের সঙ্গে আর কোনো রান যোগ করতে পারেননি সারওয়ান। বলিঞ্জার দিনের শুরুতেই সারওয়ানকে ফিরিয়ে দিয়ে বল হাতে যেন আগুন ঝরাতে শুরু করেন! যখন থামলেন তখন তার নামের পাশে ৭০ রানে ৫ উইকেট। টেস্ট ইনিংসে এটি তার সেরা বোলিং। ব্রেন্ডন ন্যাস ছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের আর কোনো ব্যাটসম্যান কাল পার্থের উইকেটে টিকতে পারেননি। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এই ব্যাটসম্যান পার্থের উইকেটকে চেনেন নিজের হাতের তালুর মতোই! অনেক ম্যাচ খেলেছেন এই মাঠে। পরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে নিজের ক্রিকেট ক্যারিয়ার গড়েন ন্যাস। নিজের পুরনো মাঠে ফিরে ৪৪ রান করেন ন্যাস। কাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে এটাই ছিল ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ স্কোর। শেষের ৫ উইকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ হারায় মাত্র ১৭ রানে!
২০৮ রানে এগিয়ে থেকে অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে। কিন্তু দলের কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ১২৫ রানে ৭ উইকেট হারানোর পর রিকি পন্টিং হাতে চোট নিয়েও খেলতে নামেন। কিন্তু টিকেন মাত্র ৬ বল। কেমার রোচের বলে ফরোয়ার্ড শর্ট লেগে সহজ ক্যাচ তুলে ২ রানে ফিরে আসেন পন্টিং। প্রথম ইনিংসে ২৩ রানে কনুইতে চোট পেয়ে পন্টিং রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন। সেই দফায়ও বোলার ছিলেন কেমার রোচই। পার্থ টেস্টে যেই হারুক, পন্টিংয়ের সঙ্গে ব্যক্তিগত লড়াইয়ে কিন্তু ঠিকই জিতে গেলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ২১ বছর বয়সী ফাস্ট বোলার!
-
খেলাধুলা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


