জমজমাট শেষের অপেক্ষায় ক্রিকেট লীগ : মোহামেডান-আবাহনী ম্যাচেই ট্রফির ফয়সালা
স্পোর্টস রিপোর্টার
২১ ডিসেম্বর।
সেদিনই লীগের শেষ ম্যাচ। সেই শেষ ম্যাচেই লীগ শিরোপা ঠিক হবে। শেষদিন সবমিলিয়ে হবে তিনটি ম্যাচ। তবে সবার নজর থাকবে মিরপুরে মোহামেডান বনাম আবাহনীর ম্যাচের ওপরই। এই ম্যাচের জয়ী দলই এবারের লীগের ট্রফি নিয়ে বাড়ি ফিরবে। কাল সুপার লীগে মোহামেডান ও আবাহনী নিজ নিজ ম্যাচে জিতে এখন ২১ ডিসেম্বরের অপেক্ষায়। সুপার লীগে কাল বিমানও জিতেছে। অবশ্য লীগ শিরোপা রেশে নেই বিমান। ২৬ পয়েন্ট নিয়ে মোহামেডান এবং ২৫ পয়েন্ট নিয়ে আবাহনী ট্রফির লড়াইয়ে মাঠে নামছে সামনের সোমবার।
মোহামেডান-কলাবাগান
মোহামেডানের জয়ের কাজটা সহজ হয়ে যায় সকালেই। সাকলাইন সজীবের পাঁচ উইকেট শিকারের ম্যাচে সকালে বেশিদূর বাড়তে পারেনি কলাবাগান ক্রীড়াচক্র। গুটিয়ে যায় মাত্র ১২০ রানে। শিরোপা প্রত্যাশী মোহামেডানের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপকে এই মামুলি সংগ্রহ দিয়ে চ্যালেঞ্জ জানানো যায় না। প্রায় ২০ ওভার ও ৫ উইকেট অক্ষত রেখেই মোহামেডান কাল মিরপুরে এই ম্যাচ জিতে নেয়।
তবে ১২০ রানের মতো সহজ টার্গেট পার করতে মোহামেডানকে কেন ৫ উইকেট হারাতে হবে—এই চিন্তাটা কিন্তু রয়েই গেল! আর রানা নাভেদকে কেন মোহামেডান ব্যাটিং অর্ডারে প্রমোশন দিচ্ছে সেই কারণটাও ঠিক স্পষ্ট নয়। পাকিস্তানি এই বোলার যেটুকু ব্যাটিং জানেন সেটাকে ছাঁচে ফেলে কোনোমতেই তাকে ‘ব্যাটসম্যান’ বলার জো নেই। ব্যাট হাতে ‘স্লগার’ শব্দটাই বেশি মানানসই তার নামের পাশে। অথচ তাকেই কাল ওপেনার হিসেবে নামিয়ে দিল মোহামেডান। যদিও কাল মোহামেডানের সেরা একাদশে তিনজন স্বীকৃত ওপেনার ছিলেন। এর আগের ম্যাচেও মিডলঅর্ডারে ব্যাট করতে নেমে ব্যর্থ হয়েছিলেন রানা নাভেদ। বলা হচ্ছে চলতি মৌসুমে মোহামেডানের ব্যাটিং লাইনআপই সবচেয়ে শক্তিশালী। তাহলে সেই শক্তির ওপর ভরসা হারিয়ে কি রানা নাভেদের ব্যাটেই আশ্রয় খুঁজছে মোহামেডান?
২১ ডিসেম্বরের আগে মোহামেডান এই প্রশ্নের সমাধান খুঁজে পেলেই হলো। সেদিন মিরপুরে আবাহনীর বিপক্ষে লীগের শেষ ম্যাচে মাঠে নামছে মোহামেডান। লীগ শিরোপা জিততে হলে সেদিন মোহামেডানকে জিততে হবে। তবেই ঘুচবে পেছনের সাত বছরের লীগ শিরোপা না জেতার দুঃখ।
কাল সকালে মোহামেডান টসে জিতে কলাবাগানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায়। শেষের দিকে ফরিদউদ্দিন মাসুদের ব্যাটে অপরাজিত ৩২ রানের সুবাদে কলাবাগানের স্কোর কোনোমতে তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছায়। কুয়াশাসিক্ত উইকেটে মোহামেডানের স্পিনার সাকলাইন সজীবের বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি কলাবাগান। ১০ ওভারে ৩৬ রান খরচ করে সাকলাইন পান ৫ উইকেট। রানা নাভেদ ২৯ রানে যে ২টি উইকেট পান—মূল্যমানের বিচারে সেটা কলাবাগানের খুব দামি কোনো উইকেট নয়।
ওপেনার হিসেবে নেমে রানা নাভেদ তেড়েফুঁড়ে চালিয়ে একটা ছক্কা হাঁকান। কিন্তু সেটাই ম্যাচে তার একমাত্র স্ট্রোক হয়ে থাকল। এনামুলের স্পিনে এলবিডব্লু হয়ে ফেরেন ৭ রানে। মোহাম্মদ আশরাফুল ২৭ রানে একই কায়দায় আউট হলেও ড্রেসিংরুমে ফেরার সময় মাথা নাড়ছিলেন। বল প্যাডে লাগার আগে ব্যাটের কানা ছুঁয়েছে বলেই আশরাফুলের বিশ্বাস। নাফিস ইকবাল ম্যাচে এনামুলের তৃতীয় শিকার হয়ে চটজলদি ফেরেন। শামসুর রহমান ৭৫ বলে ৪৩ রান করে মোহামেডানকে সম্ভাব্য বিপদ থেকে রক্ষা করেন। ৩০.৪ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে মোহামেডান ম্যাচ জিতে এখন ২১ ডিসেম্বর একই মাঠে আবাহনীর অপেক্ষায় থাকলো।
আবাহনী-সিসিএস
তার পেছনে আবাহনীর বিনিয়োগকে দারুণ মর্যাদা দিচ্ছেন আবদুল রাজ্জাক। পাকিস্তানের এই অলরাউন্ডার আরেকটি অলরাউন্ড নৈপুণ্যে আবাহনীকে জয় উপহার দিলেন। বল হাতে ২৫ রানে ৩ উইকেটের সঙ্গে ব্যাটে ৭৪ বলে ৫ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কায় ৭১ রান করে কাল আরেকবার ম্যাচসেরা আবদুল রাজ্জাক। সিসিএসের ১৭২ রান টপকে আবাহনী ম্যাচ জিতে নেয় ৪ উইকেটে।
টসে জিতে সিসিএস ব্যাটিং বেছে নেয়। ফতুল্লায় সিসিএসের ১৭২ রানের মধ্যে ওপেনার উত্তম সরকারের রানই ৭৫। আবদুল রাজ্জাক ও নাসির হোসেনের আক্রমণের সামনে সিসিএসের ইনিংস দুশও পেরুতে পারেনি। ১৭২ রানে থেমে যায় তাদের ইনিংস। জবাব দিতে নেমে আবাহনী ৯৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধাক্কা খায়। তবে হোঁচট সামলে উঠে তারা রাজ্জাকের ব্যাটিং শক্তিতে।
বিমান-ভিক্টোরিয়া
সুপার লীগের চার ম্যাচে কোনোটিতেই না হারলেও বাংলাদেশ বিমানকে এবারও ট্রফি ছাড়াই থাকতে হচ্ছে। কাল ধানমন্ডিতে লো-স্কোরের ম্যাচে ভিক্টোরিয়াকে ৮ উইকেটে হারিয়ে তাই উল্লাস করার মুডে নেই বিমান। সুপার লীগে চার ম্যাচের তিনটিতে জয় এবং একটি ‘টাই’ নিয়ে বিমান মোট ২৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে। দুই পয়েন্ট বেশি নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে আবাহনী। শেষ ম্যাচে যদি বিমান তাদের প্রতিপক্ষ সিসিএসের বিপক্ষে জয় পায় এবং আবাহনী সেদিন মোহামেডানের কাছে হারে তবেই এবারের লীগের অন্তত রানার্সআপ ট্রফিটা বিমানের ঘরে আসবে।
২১ ডিসেম্বর তাহলে বিমানকে সমর্থক হিসেবে পাচ্ছে মোহামেডান!
সংক্ষিপ্ত স্কোর : কলাবাগান : ১২০/১০ (৩৪ ওভারে, ফরিদউদ্দিন মাসুদ ৩২*, সাকলাইন সজীব ৫/৩৬, রানা নাভেদ ২/২৯)। মোহামেডান : ১২৪/৫ (৩০.৪ ওভারে, আশরাফুল ২৭, শামসুর ৪৩, এনামুল ৩/২৫)। ফল : মোহামেডান ৫ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা : সাকলাইন সজীব।
সিসিএস : ১৭২/১০ (৪৪.২ ওভারে, উত্তম সরকার ৭৫, সৈয়দ রাসেল ২০, রাজ্জাক ৩/২৫, নাসির ৪/৩৮)। আবাহনী : ১৭৪/৬ (৩৬.১ ওভারে, রনি তালুকদার ৪৫, রাজ্জাজ ৭১, আসলাম ২/১৫)। ফল : আবাহনী ৪ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা : রাজ্জাক।
ভিক্টোরিয়া : ৯৪/১০ (৩৪ ওভারে, শরীফ ২৯, অতিরিক্ত ২৪, শফিউল ৪/২৪, ইলিয়াস সানি ২/২০)। বিমান : ৯৫/২ (১৮.৪ ওভারে, মুশফিক ৩১*, জহুরুল ২৪, শরীফ ১/১৫)। ফল : বিমান ৮ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা : শফিউল।
সেদিনই লীগের শেষ ম্যাচ। সেই শেষ ম্যাচেই লীগ শিরোপা ঠিক হবে। শেষদিন সবমিলিয়ে হবে তিনটি ম্যাচ। তবে সবার নজর থাকবে মিরপুরে মোহামেডান বনাম আবাহনীর ম্যাচের ওপরই। এই ম্যাচের জয়ী দলই এবারের লীগের ট্রফি নিয়ে বাড়ি ফিরবে। কাল সুপার লীগে মোহামেডান ও আবাহনী নিজ নিজ ম্যাচে জিতে এখন ২১ ডিসেম্বরের অপেক্ষায়। সুপার লীগে কাল বিমানও জিতেছে। অবশ্য লীগ শিরোপা রেশে নেই বিমান। ২৬ পয়েন্ট নিয়ে মোহামেডান এবং ২৫ পয়েন্ট নিয়ে আবাহনী ট্রফির লড়াইয়ে মাঠে নামছে সামনের সোমবার।
মোহামেডান-কলাবাগান
মোহামেডানের জয়ের কাজটা সহজ হয়ে যায় সকালেই। সাকলাইন সজীবের পাঁচ উইকেট শিকারের ম্যাচে সকালে বেশিদূর বাড়তে পারেনি কলাবাগান ক্রীড়াচক্র। গুটিয়ে যায় মাত্র ১২০ রানে। শিরোপা প্রত্যাশী মোহামেডানের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপকে এই মামুলি সংগ্রহ দিয়ে চ্যালেঞ্জ জানানো যায় না। প্রায় ২০ ওভার ও ৫ উইকেট অক্ষত রেখেই মোহামেডান কাল মিরপুরে এই ম্যাচ জিতে নেয়।
তবে ১২০ রানের মতো সহজ টার্গেট পার করতে মোহামেডানকে কেন ৫ উইকেট হারাতে হবে—এই চিন্তাটা কিন্তু রয়েই গেল! আর রানা নাভেদকে কেন মোহামেডান ব্যাটিং অর্ডারে প্রমোশন দিচ্ছে সেই কারণটাও ঠিক স্পষ্ট নয়। পাকিস্তানি এই বোলার যেটুকু ব্যাটিং জানেন সেটাকে ছাঁচে ফেলে কোনোমতেই তাকে ‘ব্যাটসম্যান’ বলার জো নেই। ব্যাট হাতে ‘স্লগার’ শব্দটাই বেশি মানানসই তার নামের পাশে। অথচ তাকেই কাল ওপেনার হিসেবে নামিয়ে দিল মোহামেডান। যদিও কাল মোহামেডানের সেরা একাদশে তিনজন স্বীকৃত ওপেনার ছিলেন। এর আগের ম্যাচেও মিডলঅর্ডারে ব্যাট করতে নেমে ব্যর্থ হয়েছিলেন রানা নাভেদ। বলা হচ্ছে চলতি মৌসুমে মোহামেডানের ব্যাটিং লাইনআপই সবচেয়ে শক্তিশালী। তাহলে সেই শক্তির ওপর ভরসা হারিয়ে কি রানা নাভেদের ব্যাটেই আশ্রয় খুঁজছে মোহামেডান?
২১ ডিসেম্বরের আগে মোহামেডান এই প্রশ্নের সমাধান খুঁজে পেলেই হলো। সেদিন মিরপুরে আবাহনীর বিপক্ষে লীগের শেষ ম্যাচে মাঠে নামছে মোহামেডান। লীগ শিরোপা জিততে হলে সেদিন মোহামেডানকে জিততে হবে। তবেই ঘুচবে পেছনের সাত বছরের লীগ শিরোপা না জেতার দুঃখ।
কাল সকালে মোহামেডান টসে জিতে কলাবাগানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায়। শেষের দিকে ফরিদউদ্দিন মাসুদের ব্যাটে অপরাজিত ৩২ রানের সুবাদে কলাবাগানের স্কোর কোনোমতে তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছায়। কুয়াশাসিক্ত উইকেটে মোহামেডানের স্পিনার সাকলাইন সজীবের বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি কলাবাগান। ১০ ওভারে ৩৬ রান খরচ করে সাকলাইন পান ৫ উইকেট। রানা নাভেদ ২৯ রানে যে ২টি উইকেট পান—মূল্যমানের বিচারে সেটা কলাবাগানের খুব দামি কোনো উইকেট নয়।
ওপেনার হিসেবে নেমে রানা নাভেদ তেড়েফুঁড়ে চালিয়ে একটা ছক্কা হাঁকান। কিন্তু সেটাই ম্যাচে তার একমাত্র স্ট্রোক হয়ে থাকল। এনামুলের স্পিনে এলবিডব্লু হয়ে ফেরেন ৭ রানে। মোহাম্মদ আশরাফুল ২৭ রানে একই কায়দায় আউট হলেও ড্রেসিংরুমে ফেরার সময় মাথা নাড়ছিলেন। বল প্যাডে লাগার আগে ব্যাটের কানা ছুঁয়েছে বলেই আশরাফুলের বিশ্বাস। নাফিস ইকবাল ম্যাচে এনামুলের তৃতীয় শিকার হয়ে চটজলদি ফেরেন। শামসুর রহমান ৭৫ বলে ৪৩ রান করে মোহামেডানকে সম্ভাব্য বিপদ থেকে রক্ষা করেন। ৩০.৪ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে মোহামেডান ম্যাচ জিতে এখন ২১ ডিসেম্বর একই মাঠে আবাহনীর অপেক্ষায় থাকলো।
আবাহনী-সিসিএস
তার পেছনে আবাহনীর বিনিয়োগকে দারুণ মর্যাদা দিচ্ছেন আবদুল রাজ্জাক। পাকিস্তানের এই অলরাউন্ডার আরেকটি অলরাউন্ড নৈপুণ্যে আবাহনীকে জয় উপহার দিলেন। বল হাতে ২৫ রানে ৩ উইকেটের সঙ্গে ব্যাটে ৭৪ বলে ৫ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কায় ৭১ রান করে কাল আরেকবার ম্যাচসেরা আবদুল রাজ্জাক। সিসিএসের ১৭২ রান টপকে আবাহনী ম্যাচ জিতে নেয় ৪ উইকেটে।
টসে জিতে সিসিএস ব্যাটিং বেছে নেয়। ফতুল্লায় সিসিএসের ১৭২ রানের মধ্যে ওপেনার উত্তম সরকারের রানই ৭৫। আবদুল রাজ্জাক ও নাসির হোসেনের আক্রমণের সামনে সিসিএসের ইনিংস দুশও পেরুতে পারেনি। ১৭২ রানে থেমে যায় তাদের ইনিংস। জবাব দিতে নেমে আবাহনী ৯৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধাক্কা খায়। তবে হোঁচট সামলে উঠে তারা রাজ্জাকের ব্যাটিং শক্তিতে।
বিমান-ভিক্টোরিয়া
সুপার লীগের চার ম্যাচে কোনোটিতেই না হারলেও বাংলাদেশ বিমানকে এবারও ট্রফি ছাড়াই থাকতে হচ্ছে। কাল ধানমন্ডিতে লো-স্কোরের ম্যাচে ভিক্টোরিয়াকে ৮ উইকেটে হারিয়ে তাই উল্লাস করার মুডে নেই বিমান। সুপার লীগে চার ম্যাচের তিনটিতে জয় এবং একটি ‘টাই’ নিয়ে বিমান মোট ২৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে। দুই পয়েন্ট বেশি নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে আবাহনী। শেষ ম্যাচে যদি বিমান তাদের প্রতিপক্ষ সিসিএসের বিপক্ষে জয় পায় এবং আবাহনী সেদিন মোহামেডানের কাছে হারে তবেই এবারের লীগের অন্তত রানার্সআপ ট্রফিটা বিমানের ঘরে আসবে।
২১ ডিসেম্বর তাহলে বিমানকে সমর্থক হিসেবে পাচ্ছে মোহামেডান!
সংক্ষিপ্ত স্কোর : কলাবাগান : ১২০/১০ (৩৪ ওভারে, ফরিদউদ্দিন মাসুদ ৩২*, সাকলাইন সজীব ৫/৩৬, রানা নাভেদ ২/২৯)। মোহামেডান : ১২৪/৫ (৩০.৪ ওভারে, আশরাফুল ২৭, শামসুর ৪৩, এনামুল ৩/২৫)। ফল : মোহামেডান ৫ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা : সাকলাইন সজীব।
সিসিএস : ১৭২/১০ (৪৪.২ ওভারে, উত্তম সরকার ৭৫, সৈয়দ রাসেল ২০, রাজ্জাক ৩/২৫, নাসির ৪/৩৮)। আবাহনী : ১৭৪/৬ (৩৬.১ ওভারে, রনি তালুকদার ৪৫, রাজ্জাজ ৭১, আসলাম ২/১৫)। ফল : আবাহনী ৪ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা : রাজ্জাক।
ভিক্টোরিয়া : ৯৪/১০ (৩৪ ওভারে, শরীফ ২৯, অতিরিক্ত ২৪, শফিউল ৪/২৪, ইলিয়াস সানি ২/২০)। বিমান : ৯৫/২ (১৮.৪ ওভারে, মুশফিক ৩১*, জহুরুল ২৪, শরীফ ১/১৫)। ফল : বিমান ৮ উইকেটে জয়ী। ম্যাচসেরা : শফিউল।
-
খেলাধুলা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


