ভূমধ্যসাগর সৃষ্টিরহস্য উন্মোচন
বিবিসি অন লাইন
একদল গবেষক প্রাচীন ভূমধ্যসাগরীয় বন্যার রহস্যের সমাধান খুঁজে বের করেছেন। ড্যানিয়েল গার্সিয়া-ক্যাস্টেলানোসের নেতৃত্বে রিসার্চ কাউন্সিল অব স্পেনের (সিএসআইএস) গবেষকরা বলছেন, ৫০ লাখ বছরেরও আগে আকস্মিক এক ঢল ও এর মাধ্যমে সৃষ্ট বন্যায় ভূমধ্যসাগর পূর্ণ হয়েছিল।
আটলান্টিক মহাসাগরের পানি জিব্রাল্টার প্রণালীর ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূমধ্যসাগরে আছড়ে পড়ে। ক্রমে সেই ফাটল ধসে আটলান্টিক থেকে আসা বিপুল পরিমাণ পানিতে দু’বছরেই পূর্ণ হয়ে যায় ভূমধ্যসাগর। খবর বিবিসি অনলাইনের। গবেষক দল পাহাড়ি ঝর্নার বিভিন্ন মডেল থেকে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন। এই গবেষণার খবর ছাপা হয় নেচার সাময়িকীতে। পাহাড়ি লেকগুলো থেকে যেভাবে নদীর মাধ্যমে পানির প্রবাহ ঘটে সেভাবেই ভূমধ্যসাগরে বন্যার সৃষ্টি। ২০০ কিলোমিটার চ্যানেলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত পানির পরিমাণ নির্ণয় করে এই রহস্যের সমাধান করা হয়েছে। জিব্রাল্টার প্রণালীর সাগরতলে ফাটলের পরিমাণ আর বিভিন্ন সিসমিক উপাত্ত গবেষণা করে বিজ্ঞানীরা অনুমান করছেন, জিব্রাল্টার প্রণালী ছিল অনেকটা বদ্ধ দরজার মতো। সেখানে পানির প্রচণ্ড চাপ ক্রমে একটি চ্যানেল তৈরি করে। সেই চ্যানেল বড় হয়ে গিয়ে একপর্যায়ে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করে। বিভিন্ন কম্পিউটার মডেল তৈরি করে তারা বন্যার স্থায়িত্বও নির্ণয় করেন। দু’মাস থেকে দু’বছরের মধ্যে ভূমধ্যসাগরের শতকরা ৯০ ভাগ পানিতে ভর্তি হয়ে যায়। আগে অনুমান করা হতো এই সময়টা ১০ হাজার বছর। এই আকস্মিক বন্যায় পাহাড় সমান উচ্চতা নিয়ে পানি ভূমধ্যসাগরে আছড়ে পড়ে আর প্রতিদিন ১০ মিটার করে উচ্চতা
বাড়তে থাকে।
আটলান্টিক মহাসাগরের পানি জিব্রাল্টার প্রণালীর ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূমধ্যসাগরে আছড়ে পড়ে। ক্রমে সেই ফাটল ধসে আটলান্টিক থেকে আসা বিপুল পরিমাণ পানিতে দু’বছরেই পূর্ণ হয়ে যায় ভূমধ্যসাগর। খবর বিবিসি অনলাইনের। গবেষক দল পাহাড়ি ঝর্নার বিভিন্ন মডেল থেকে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন। এই গবেষণার খবর ছাপা হয় নেচার সাময়িকীতে। পাহাড়ি লেকগুলো থেকে যেভাবে নদীর মাধ্যমে পানির প্রবাহ ঘটে সেভাবেই ভূমধ্যসাগরে বন্যার সৃষ্টি। ২০০ কিলোমিটার চ্যানেলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত পানির পরিমাণ নির্ণয় করে এই রহস্যের সমাধান করা হয়েছে। জিব্রাল্টার প্রণালীর সাগরতলে ফাটলের পরিমাণ আর বিভিন্ন সিসমিক উপাত্ত গবেষণা করে বিজ্ঞানীরা অনুমান করছেন, জিব্রাল্টার প্রণালী ছিল অনেকটা বদ্ধ দরজার মতো। সেখানে পানির প্রচণ্ড চাপ ক্রমে একটি চ্যানেল তৈরি করে। সেই চ্যানেল বড় হয়ে গিয়ে একপর্যায়ে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করে। বিভিন্ন কম্পিউটার মডেল তৈরি করে তারা বন্যার স্থায়িত্বও নির্ণয় করেন। দু’মাস থেকে দু’বছরের মধ্যে ভূমধ্যসাগরের শতকরা ৯০ ভাগ পানিতে ভর্তি হয়ে যায়। আগে অনুমান করা হতো এই সময়টা ১০ হাজার বছর। এই আকস্মিক বন্যায় পাহাড় সমান উচ্চতা নিয়ে পানি ভূমধ্যসাগরে আছড়ে পড়ে আর প্রতিদিন ১০ মিটার করে উচ্চতা
বাড়তে থাকে।
-
আন্তর্জাতিক


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


