শেওড়াপাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত : বাসে অগ্নিসংযোগ
স্টাফ রিপোর্টার
রাজধানীর মিরপুর শেওড়াপাড়ায় গতকাল সড়ক দুর্ঘটনায় এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষুব্ধ জনতা একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। বাসের চালক কবির হোসেনকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। ওই সময় প্রায় এক ঘণ্টা রোকেয়া সরণিতে গাড়ি চলাচল বন্ধ ছিল।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শেওড়াপাড়া ওভারব্রিজের নিচে মিনিবাসের ধাক্কায় নিহত হয় আবদুল করিম (৩০) নামে এক যুবক। ওই সময় জনতা মিনিবাসটি আটকে এতে আগুন দেয় এবং চালককে মারধর করে।
ওই এলাকায় দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল সৈয়দ জামিউল ইসলাম বলেন, করিম ওভারব্রিজের নিচ দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিল। ওই সময় সদরঘাটগামী ইউনাইটেড পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো জ-১২১৩) একটি বাস তাকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসের ধাক্কায় নিহত ব্যক্তির মাথার মগজ বের হয়ে যায়। রক্তে ভিজে যায় পিচঢালা পথ। দুর্ঘটনার পরপরই জনতা এগিয়ে এসে বাসটি আটক করে আগুন ধরিয়ে দেয়। চালককে আটক করে ব্যাপক মারধর করে রাস্তায় শুইয়ে রাখে। ওই সময় মিরপুর গোলচত্বর থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে র্যাব ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায়।
করিমের চাচাত ভাই ইফতেখার আলম জানান, করিম শেওড়াপাড়ায় ফাইয়াস গার্মেন্টে পিয়নের চাকরি করত। গতকাল সকালে তেজগাঁও ভূমি রেজিস্ট্রি অফিসে চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছিল। তার বাবার নাম আবদুল জব্বার। মিরপুরের ১৩২/১ নম্বর পশ্চিম শেওড়াপাড়ায় বেলতলা মসজিদের কাছে বাসা। গ্রামের বাড়ি পঞ্চগড়ের আটোয়ারি উপজেলায়। কাফরুল থানার ওসি দেলোয়ার আহমেদ জানান, গণপিটুনির শিকার বাসচালকের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সড়কে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক বলে ওসি জানিয়েছেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শেওড়াপাড়া ওভারব্রিজের নিচে মিনিবাসের ধাক্কায় নিহত হয় আবদুল করিম (৩০) নামে এক যুবক। ওই সময় জনতা মিনিবাসটি আটকে এতে আগুন দেয় এবং চালককে মারধর করে।
ওই এলাকায় দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল সৈয়দ জামিউল ইসলাম বলেন, করিম ওভারব্রিজের নিচ দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিল। ওই সময় সদরঘাটগামী ইউনাইটেড পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো জ-১২১৩) একটি বাস তাকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসের ধাক্কায় নিহত ব্যক্তির মাথার মগজ বের হয়ে যায়। রক্তে ভিজে যায় পিচঢালা পথ। দুর্ঘটনার পরপরই জনতা এগিয়ে এসে বাসটি আটক করে আগুন ধরিয়ে দেয়। চালককে আটক করে ব্যাপক মারধর করে রাস্তায় শুইয়ে রাখে। ওই সময় মিরপুর গোলচত্বর থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে র্যাব ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায়।
করিমের চাচাত ভাই ইফতেখার আলম জানান, করিম শেওড়াপাড়ায় ফাইয়াস গার্মেন্টে পিয়নের চাকরি করত। গতকাল সকালে তেজগাঁও ভূমি রেজিস্ট্রি অফিসে চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছিল। তার বাবার নাম আবদুল জব্বার। মিরপুরের ১৩২/১ নম্বর পশ্চিম শেওড়াপাড়ায় বেলতলা মসজিদের কাছে বাসা। গ্রামের বাড়ি পঞ্চগড়ের আটোয়ারি উপজেলায়। কাফরুল থানার ওসি দেলোয়ার আহমেদ জানান, গণপিটুনির শিকার বাসচালকের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সড়কে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক বলে ওসি জানিয়েছেন।
-
মহানগর


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


