নাব্য হ্রাস : মধুমতি ও নবগঙ্গায় নৌ-চলাচল বন্ধ
শিমুল হাসান. লোহাগড়া (নড়াইল)
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত মধুমতি ও নবগঙ্গা নদী কালের স্রোতে ধীরে ধীরে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। রাক্ষুসী মধুমতি ও স্রোতস্বিনী নবগঙ্গার বুকে জেগে উঠেছে চর। স্বাধীনতার আগে মধুমতি ও নবগঙ্গা নদী দিয়ে চলত স্টিমার, লঞ্চ আর বড় বড় নৌকা। পল্লী গীতি অথবা ভাটিয়ালী সুরে মহাআনন্দে নৌকা চালাত মাঝি-মাল্লারা। এ সবই এখন মধুমতি আর নবগঙ্গার আদি কথা।
রাক্ষুসী মধুমতি ও স্রোতস্বিনী নবগঙ্গার বুকে জেগে উঠেছে অসংখ্য ছোট-বড় চর। মধুমতি নদীর প্রায় ১৬ কিলোমিটার ও নবগঙ্গা নদীর ১৫ কিলোমিটার অংশে চর জেগে উঠেছে। প্রতি বছর বর্ষার পলিমাটি পড়ায় ঐতিহ্যবাহী এ নদী দুটির অস্থিত্বই এখন হুমকির সম্মুখীন।
এক সময় লোহাগড়ায় মধুমতি ও নবগঙ্গা নদী ছাড়া লোহাগড়া উপজেলাকে কল্পনা করা যেত না। লোহাগড়া উপজেলার বাজারঘাটসহ অন্য ঘাটগুলোয় ভিড় করত বড় বড় নৌকা । নদী ঘিরে গড়ে উঠেছিল বিশাল পাটের বাজার। ্বাজারে ছিল বড় বড় পাটের গুদাম। গুদাম থেকে নৌকায় পাট বোঝাই করে নিয়ে যাওয়া হতো খুলনাসহ রাজধানীর মিল কল-কারখানায়। কিন্তু এখন মধুমতি ও নবগঙ্গার সেই জৌলুষ আর নেই। নদীর নাব্য হারানোর সঙ্গে সঙ্গে ঘাটগুলোয় লোকজনের কোলাহল তথা উপস্থিতি কমে গেছে। নদীর বুকজুড়ে বড় বড় চর জেগে ওঠায় নৌকা চলাচল প্রায় বন্ধ। ঘাটে আর ভিড়ে না বড় বড় নৌকা। ব্যবসা-বাণিজ্য প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে।
মধুমতি ও নবগঙ্গা নদী ভরাটের ফলে লোহাগড়ার জেলে সম্প্রদায়ের মাঝে নেমে এসেছে অশেষ দুর্ভোগ আর ভোগান্তি। এক সময় জেলেরা মধুমতি ও নবগঙ্গা নদীতে নৌকায় করে সারা বছরই মাছ ধরত। মাছ বিক্রি করে সুখ-শান্তিতেই তাদের দিন কাটত।
কিন্তু মধুমতি ও নবগঙ্গা মরে যাওয়ায় নৌ-যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জেলে সম্প্রদায়ের মাঝে নেমে এসেছে চরম হতাশা। নদী দুটি দীর্ঘদিনেও ড্রেজিং না করার ফলে নাব্য হারিয়ে শুকিয়ে গেছে। মধুমতি ও নবগঙ্গার বুকে জেগে ওঠা চরে নদীর পার্শ্ববর্তী কৃষকরা ইরি-বোরো চাষ করেছে। কৃষকরা প্রতি বছর একবার নদীর চরে ধান চাষ করার সুযোগ পায়। নদীর চরের মাটি পলি পড়ে অধিক উর্বর হওয়ায় আবাদকৃত জমিতে সার দেয়ার প্রয়োজন খুব বেশি পড়ে না। সেচ ব্যবস্থার বিশেষ সুবিধা থাকায় কৃষকরা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে চরে ইরি-বোরো চাষে। খুব অল্প খরচে
নদীর পাড়ের কৃষকরা চর থেকে প্রায় চার মাসের খাবার (ধান) সংগ্রহ করে থাকে।
রাক্ষুসী মধুমতি ও স্রোতস্বিনী নবগঙ্গার বুকে জেগে উঠেছে অসংখ্য ছোট-বড় চর। মধুমতি নদীর প্রায় ১৬ কিলোমিটার ও নবগঙ্গা নদীর ১৫ কিলোমিটার অংশে চর জেগে উঠেছে। প্রতি বছর বর্ষার পলিমাটি পড়ায় ঐতিহ্যবাহী এ নদী দুটির অস্থিত্বই এখন হুমকির সম্মুখীন।
এক সময় লোহাগড়ায় মধুমতি ও নবগঙ্গা নদী ছাড়া লোহাগড়া উপজেলাকে কল্পনা করা যেত না। লোহাগড়া উপজেলার বাজারঘাটসহ অন্য ঘাটগুলোয় ভিড় করত বড় বড় নৌকা । নদী ঘিরে গড়ে উঠেছিল বিশাল পাটের বাজার। ্বাজারে ছিল বড় বড় পাটের গুদাম। গুদাম থেকে নৌকায় পাট বোঝাই করে নিয়ে যাওয়া হতো খুলনাসহ রাজধানীর মিল কল-কারখানায়। কিন্তু এখন মধুমতি ও নবগঙ্গার সেই জৌলুষ আর নেই। নদীর নাব্য হারানোর সঙ্গে সঙ্গে ঘাটগুলোয় লোকজনের কোলাহল তথা উপস্থিতি কমে গেছে। নদীর বুকজুড়ে বড় বড় চর জেগে ওঠায় নৌকা চলাচল প্রায় বন্ধ। ঘাটে আর ভিড়ে না বড় বড় নৌকা। ব্যবসা-বাণিজ্য প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে।
মধুমতি ও নবগঙ্গা নদী ভরাটের ফলে লোহাগড়ার জেলে সম্প্রদায়ের মাঝে নেমে এসেছে অশেষ দুর্ভোগ আর ভোগান্তি। এক সময় জেলেরা মধুমতি ও নবগঙ্গা নদীতে নৌকায় করে সারা বছরই মাছ ধরত। মাছ বিক্রি করে সুখ-শান্তিতেই তাদের দিন কাটত।
কিন্তু মধুমতি ও নবগঙ্গা মরে যাওয়ায় নৌ-যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জেলে সম্প্রদায়ের মাঝে নেমে এসেছে চরম হতাশা। নদী দুটি দীর্ঘদিনেও ড্রেজিং না করার ফলে নাব্য হারিয়ে শুকিয়ে গেছে। মধুমতি ও নবগঙ্গার বুকে জেগে ওঠা চরে নদীর পার্শ্ববর্তী কৃষকরা ইরি-বোরো চাষ করেছে। কৃষকরা প্রতি বছর একবার নদীর চরে ধান চাষ করার সুযোগ পায়। নদীর চরের মাটি পলি পড়ে অধিক উর্বর হওয়ায় আবাদকৃত জমিতে সার দেয়ার প্রয়োজন খুব বেশি পড়ে না। সেচ ব্যবস্থার বিশেষ সুবিধা থাকায় কৃষকরা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে চরে ইরি-বোরো চাষে। খুব অল্প খরচে
নদীর পাড়ের কৃষকরা চর থেকে প্রায় চার মাসের খাবার (ধান) সংগ্রহ করে থাকে।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


