বিয়ানীবাজারে জলঢুপি কমলা চাষে বিপর্যয়
মিলাদ জয়নুল, বিয়ানীবাজার (সিলেট)
সিলেটের বিয়ানীবাজারে ঐতিহ্যবাহী কমলা চাষ চরম বিপর্যয়ের মুখে। এখানকার জলঢুপি কমলার সুদিনও হারিয়ে গেছে। স্থানীয় বাজারে জলঢুপি কমলা নেই বললেই চলে। অথচ এক সময় বিয়ানীবাজারের জলঢুপি কমলার পরিচিতি ছিল সারাদেশে। দেশের অন্যান্য উপজেলায় জলঢুপি কমলার আকাশচুম্বী কদর ছিল। কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা, পৃষ্ঠপোষকতা, পরিচর্যা ও কৃষকদের যথোপযুক্ত প্রশিক্ষণের অভাবে এখানকার কমলা চাষ স্থবির হয়ে পড়েছে।
বৃহত্তর সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, ছাতক, বড়লেখা, মাধবপুর, কমলগঞ্জ, কুলাউড়া ও শ্রীমঙ্গল উপজেলার টিলাসমৃদ্ধ অঞ্চলে একসময় প্রচুর কমলার চাষ হতো। স্থানীয়ভাবে উত্পাদিত কমলা এ এলাকার চাহিদা পূরণ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হতো। তখন কমলাই এ অঞ্চলের চাষীদের প্রধান অর্থকরী ফসল ছিল। কৃষি গবেষণার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ষাটের দশকে এ অঞ্চলের কমলা ক্ষেতে ব্যাপক মড়ক দেখা দেয়। মড়কে অধিকাংশ কমলা বাগান নষ্ট হয়ে যায়। বড় ধরনের এ ক্ষতি পোষাতে না পেরে অনেক চাষীই কমলা চাষে উত্সাহ হারিয়ে ফেলে। সূত্র আরও জানায়, বৃহত্তর সিলেটের বেশিরভাগ টিলাসমৃদ্ধ অঞ্চলে কমলা উত্পাদনের যে পরিবেশ দরকার তার সবই আছে। শুধু প্রক্রিয়ার অভাবে এ অঞ্চলে কমলা চাষ পিছিয়ে পড়েছে।
১৯৯৭ সালের এপ্রিল মাসে মেঘনা নামক ভ্রাম্যমান মৃত্তিকা গবেষণাগারের বৈজ্ঞানিকরা সিলেটের মাটির ওপর ব্যাপক পরীক্ষা চালান। একটি রিপোর্টে তারা উল্লেখ করেন, বিশেষ করে কমলা চাষের জন্য টিলাসমৃদ্ধ মাটিতে রাসায়নিক পদার্থের অভাব রয়েছে। যে কারণে সিলেটে কমলার চাষ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। তাদের মতে, যথারীতি মাটিতে সার প্রয়োগ করে গাছের সঠিক পরিচর্যা ও রোগবালাই চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে কমলা চাষ করে লাভবান হওয়া সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌসুমের শুরুতেই এ এলাকার কমলা পরিপক্ক হয়। কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে এ অঞ্চলে কমলা উত্পাদন শুরু করা হলে সিলেটের কমলা থেকে দেশের অনেকটা চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। কৃষকদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, কষ্ট করে চাষাবাদ করে এখানকার কমলার সুষ্ঠু বিপণন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থার অভাবে সঠিক মূল্য পাওয়া যায় না। তাছাড়া নানারকম রোগবালাই, খরা, ঝড়-বৃষ্টি ইত্যাদির কারণে আশানুরূপ ফল না পেয়ে অনেক কৃষকই উত্সাহ হারিয়ে ফেলেছেন।
বর্তমানে বিয়ানীবাজার উপজেলার পাড়িয়াবহর, জলঢুপ, বড়লেখা উপজেলার বড়াইল, গল্লাসাঙ্গন এবং গুলশা এলাকায় কমবেশি কমলার গাছ লাগানো হয়েছে। এ থেকে যা উত্পাদিত হয় তাতে স্থানীয় চাহিদা মেটানোই সম্ভব হয় না। বিয়ানীবাজারে টিলাভূমির সর্বোচ্চ উচ্চতা ৩০ দশমিক ৩ মিটার। বিস্তৃত টিলাভূমির পরিমাণ প্রায় ৫১ দশমিক ৮ বর্গকিলোমিটার। এসব টিলাভূমির বেশিরভাগই পতিত হিসেবে পড়ে আছে। স্থানীয় লোকদের উদ্বুদ্ধ করে এসব জমিতে কমলা চাষ করা হলে আশানুরূপ ফল পাওয়া যাবে। এ প্রসঙ্গে বিয়ানীবাজার উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা বিমল সোম জানান, জলঢুপি কমলার সুখ্যাতি ফিরিয়ে আনার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে।
বৃহত্তর সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, ছাতক, বড়লেখা, মাধবপুর, কমলগঞ্জ, কুলাউড়া ও শ্রীমঙ্গল উপজেলার টিলাসমৃদ্ধ অঞ্চলে একসময় প্রচুর কমলার চাষ হতো। স্থানীয়ভাবে উত্পাদিত কমলা এ এলাকার চাহিদা পূরণ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হতো। তখন কমলাই এ অঞ্চলের চাষীদের প্রধান অর্থকরী ফসল ছিল। কৃষি গবেষণার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ষাটের দশকে এ অঞ্চলের কমলা ক্ষেতে ব্যাপক মড়ক দেখা দেয়। মড়কে অধিকাংশ কমলা বাগান নষ্ট হয়ে যায়। বড় ধরনের এ ক্ষতি পোষাতে না পেরে অনেক চাষীই কমলা চাষে উত্সাহ হারিয়ে ফেলে। সূত্র আরও জানায়, বৃহত্তর সিলেটের বেশিরভাগ টিলাসমৃদ্ধ অঞ্চলে কমলা উত্পাদনের যে পরিবেশ দরকার তার সবই আছে। শুধু প্রক্রিয়ার অভাবে এ অঞ্চলে কমলা চাষ পিছিয়ে পড়েছে।
১৯৯৭ সালের এপ্রিল মাসে মেঘনা নামক ভ্রাম্যমান মৃত্তিকা গবেষণাগারের বৈজ্ঞানিকরা সিলেটের মাটির ওপর ব্যাপক পরীক্ষা চালান। একটি রিপোর্টে তারা উল্লেখ করেন, বিশেষ করে কমলা চাষের জন্য টিলাসমৃদ্ধ মাটিতে রাসায়নিক পদার্থের অভাব রয়েছে। যে কারণে সিলেটে কমলার চাষ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। তাদের মতে, যথারীতি মাটিতে সার প্রয়োগ করে গাছের সঠিক পরিচর্যা ও রোগবালাই চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে কমলা চাষ করে লাভবান হওয়া সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌসুমের শুরুতেই এ এলাকার কমলা পরিপক্ক হয়। কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে এ অঞ্চলে কমলা উত্পাদন শুরু করা হলে সিলেটের কমলা থেকে দেশের অনেকটা চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। কৃষকদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, কষ্ট করে চাষাবাদ করে এখানকার কমলার সুষ্ঠু বিপণন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থার অভাবে সঠিক মূল্য পাওয়া যায় না। তাছাড়া নানারকম রোগবালাই, খরা, ঝড়-বৃষ্টি ইত্যাদির কারণে আশানুরূপ ফল না পেয়ে অনেক কৃষকই উত্সাহ হারিয়ে ফেলেছেন।
বর্তমানে বিয়ানীবাজার উপজেলার পাড়িয়াবহর, জলঢুপ, বড়লেখা উপজেলার বড়াইল, গল্লাসাঙ্গন এবং গুলশা এলাকায় কমবেশি কমলার গাছ লাগানো হয়েছে। এ থেকে যা উত্পাদিত হয় তাতে স্থানীয় চাহিদা মেটানোই সম্ভব হয় না। বিয়ানীবাজারে টিলাভূমির সর্বোচ্চ উচ্চতা ৩০ দশমিক ৩ মিটার। বিস্তৃত টিলাভূমির পরিমাণ প্রায় ৫১ দশমিক ৮ বর্গকিলোমিটার। এসব টিলাভূমির বেশিরভাগই পতিত হিসেবে পড়ে আছে। স্থানীয় লোকদের উদ্বুদ্ধ করে এসব জমিতে কমলা চাষ করা হলে আশানুরূপ ফল পাওয়া যাবে। এ প্রসঙ্গে বিয়ানীবাজার উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা বিমল সোম জানান, জলঢুপি কমলার সুখ্যাতি ফিরিয়ে আনার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


