Amardesh
আজঃ ঢাকা, শনিবার ১৯ ডিসেম্বর ২০০৯, ৫ পৌষ ১৪১৬, ১ মহররম ১৪৩১     আপডেট সময়ঃ সময় : রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 জব সার্চ
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 বিশেষ বিভাগ
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

রাজশাহীতে অ্যাজমা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে

রাজশাহী অফিস
আবহাওয়ার বৈচিত্র্যের কারণে রাজশাহীতে শ্বাসকষ্ট রোগের প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। এতে নানা দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন রোগীরা। বয়স্ক রোগীদের অবস্থা আরও করুণ। এসময় তাদের সতর্কতার সঙ্গে চলাফেরা করার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অবস্থিত অ্যাজমা ক্লিনিকে প্রতিদিন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। অনেকে চিকিত্সা নিয়ে বাড়ি ফেরেন। যারা গুরুতর অসুস্থ, তারা হাসপাতালের ভর্তি হচ্ছেন। প্রতিদিন প্রায় ৫০ রোগী চিকিত্সাসেবা নিচ্ছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে হাসপাতালের ডা. হাফিজা খাতুন জানান, অন্যবারের তুলনায় এবার রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। প্রতিবছর অক্টোবর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত এর তীব্রতা থাকে। তবে এর বাইরেও অনেক রোগী অসুস্থ হয়ে থাকেন। যেসব রোগীর অবস্থা নাজুক, তিনি তাদের নেবুলাইজেশন গ্যাস দিয়ে চিকিত্সাসেবা দিচ্ছেন। এজন্য রোগীপ্রতি ৩০ টাকা লাগলেও এর খরচ আরও বেশি বলে জানান তিনি। দরিদ্র রোগীদের কথা চিন্তা করে কর্তৃপক্ষ এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তিনি আরও জানান, এ রোগে প্রিকোডিল ২০ এমজি, কনটাইন, ব্রডিল প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ। তবে এসিআইর ব্রডিল, স্কয়ারের সুলটোলিন প্রভৃতি ইনহেলার গুরুত্বপূর্ণ। রোগের প্রকোপ বেড়ে গেলে তা দিয়ে চিকিত্সা নিলে ত্বরিত উপকার পাওয়া যায়। আর নেবুলাইজেশন গ্যাসের ব্যবহারে রোগী খুব উপকার পেয়ে থাকে। তা নিতে হলে হাসপাতাল ছাড়া উপায় নেই।
এদিকে কবিরাজী পদ্ধতিতে হাঁপানি রোগ শতভাগ ভালো হয় বলে বিজ্ঞাপনে প্রচারিত হলেও বাস্তবে এর প্রমাণ পাওয়া দুষ্কর।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. আবদুল্লাহ জানান, অ্যাজমা (হাঁপানি) রোগের চিকিত্সা ডায়াবেটিসের মতো। নিয়ম মেনে চললে সুস্থভাবে জীবনযাপন করা সম্ভব। তবে তা পুরোপুরি ভালো হয় না। তিনি বলেন, এ রোগের রোগীদের এসময় কোনোমতেই ঠাণ্ডা লাগানো যাবে না। তাদের দুপুরের আগেই গোসল সেরে নেয়া দরকার। কোনোভাবেই অসময়ে গোসল করা যাবে না। এলার্জিযুক্ত খাবার যেমন—ইলিশ মাছ, চিংড়ি, কুমড়া, গরুর গোস্ত প্রভৃতি পরিহার করা উচিত। ওষুধ ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে দেশে তৈরি ইনহেলার আন্তর্জাতিক মানের। তা দিয়ে দেশের ব্যাপক চাহিদা পূরণ হচ্ছে। ১৬০-১২৫০ টাকায় তা বিক্রি হয়ে থাকে। দরিদ্র রোগীদের জন্য ডাক্তাররা ১৬০-২০০ টাকা দামের ইনহেলার লিখে থাকেন। এটি অতি প্রয়োজনীয় ওষুধ হলেও একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী সুযোগ বুঝে কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করে দাম বাড়িয়ে থাকে।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?