লক্ষ্মীপুরে কৃষকরা ধানের ন্যায্য দাম না পেয়ে হতাশ
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুর জেলায় চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এখন জেলায় সর্বত্র আমন ধান কাটা ও মাড়াইয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। কিন্তু ন্যায্যমূল্য না পেয়ে হতাশ হচ্ছেন তারা। জানা গেছে, বিগত আউশ মৌসুমে ধানের ন্যায্য মূল্য না পওয়ায় অনেক লোকসান গুনতে হয়েছে কৃষকদের। আউশের লোকসান পুষিয়ে নিতে কৃষকরা লক্ষ্যমাত্রার বেশি জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছেন। সময়মত সার, কীটনাশক প্রয়োগ ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমনের ফলন ভালো হয়েছে। লক্ষ্মীপুর কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক আবদুর রশিদ জানান, জেলায় আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮৩ হাজার হেক্টর। এর মধ্যে ৮৪ হাজার ৬৫৫ হেক্টর জমিতে স্থানীয় ও উচ্চ ফলনশীল জাতের আমন চাষ করা হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর সদর ২৬ হাজার ৮৫০ হেক্টর, রায়পুরে ৯ হাজার ৩১৫ হেক্টর, রামগঞ্জে ৩ হাজার ৩৯৩ হেক্টর, রামগতিতে ২৩ হাজার ৭শ’ হেক্টর ও কমলনগরে ২১ হাজার ৪শ’ হেক্টর জমিতে আমনের চাষ করা হয়। রামগতি ও কমলনগরে চলতি মৌসুমে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।
রামগতি উপজেলার বালুরচর, চরসীতা, চরডাক্তার, চরগাজী ও চররমিজ এবং কমলনগর উপজেলার চরফলকন, চরজগবন্ধু, চরকালকিনি, চরকাদিরা ও চরজাঙ্গালিয়া এলাকা ঘুরে জানা যায়, আউশের লোকসান পুষিয়ে নিতে ও ধান রোপণের যথাযথ পরিবেশ থাকাসহ কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় কৃষকরা চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছেন। কৃষকরা জানান, উত্পাদন খরচের চেয়ে বাজারমূল্য কম হওয়ায় আউশ চাষ করে তাদের বড় ধরনের লোকসান গুনতে হয়েছিল। তাই সেই লোকসান পুষিয়ে নিতে তারা আমন চাষের প্রতি জোর দিয়েছেন। এ জন্য আমন নিয়ে তারা খুব আশাবাদী হন।
লক্ষ্মীপুর সদর ২৬ হাজার ৮৫০ হেক্টর, রায়পুরে ৯ হাজার ৩১৫ হেক্টর, রামগঞ্জে ৩ হাজার ৩৯৩ হেক্টর, রামগতিতে ২৩ হাজার ৭শ’ হেক্টর ও কমলনগরে ২১ হাজার ৪শ’ হেক্টর জমিতে আমনের চাষ করা হয়। রামগতি ও কমলনগরে চলতি মৌসুমে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।
রামগতি উপজেলার বালুরচর, চরসীতা, চরডাক্তার, চরগাজী ও চররমিজ এবং কমলনগর উপজেলার চরফলকন, চরজগবন্ধু, চরকালকিনি, চরকাদিরা ও চরজাঙ্গালিয়া এলাকা ঘুরে জানা যায়, আউশের লোকসান পুষিয়ে নিতে ও ধান রোপণের যথাযথ পরিবেশ থাকাসহ কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় কৃষকরা চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছেন। কৃষকরা জানান, উত্পাদন খরচের চেয়ে বাজারমূল্য কম হওয়ায় আউশ চাষ করে তাদের বড় ধরনের লোকসান গুনতে হয়েছিল। তাই সেই লোকসান পুষিয়ে নিতে তারা আমন চাষের প্রতি জোর দিয়েছেন। এ জন্য আমন নিয়ে তারা খুব আশাবাদী হন।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


