সুন্দরবনের জেলে বাওয়ালিরা দিশাহারা
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি
সুন্দরবনের সম্পদ আহরণের ওপর রাজস্ব পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। সম্প্রতি বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে প্রধান বনজদ্রব্য গোলপাতা, গরান এবং অপ্রধান বনজদ্রব্য চিংড়ি, সাদামাছ, কাঁকড়া আহরণে রাজস্ব দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধি করায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল দুই লক্ষাধিক জেলে বাওয়ালি। বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চিংড়ি ও সাদামাছ ধরার পারমিটে সাপ্তাহিক পারমিটপ্রতি ১৪৯ টাকা রাজস্বের স্থলে নতুন রাজস্ব ২৪৩.৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কাঁকড়া আহরণে ১০৫ টাকা রাজস্বের পরিবর্তে ১৫৮ টাকা ধার্য হয়েছে। প্রধান বনজদ্রব্য গোলপাতা কাটতে প্রতি ১০০ মণ পারমিটের জন্য ৪০০ টাকা রাজস্বের স্থলে ১ হাজার টাকা এবং গরানের জন্য ১০০ মণ পারমিটে ১ হাজার টাকা রাজস্বের স্থলে ২ হাজার ৮শ’ টাকা নতুন রাজস্ব নির্ধারণ করা হয়েছে। সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা ইব্রাহিম হোসেন, ডেপুটি রেঞ্জার জানান, নতুন রাজস্ব ধার্য হওয়ার পর স্টেশনে জেলেদের পারমিট নিতে অনীহা দেখা দিয়েছে। স্টেশন সহকারী মোস্তফা কামাল জানান, কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনে এবছর কাঁকড়া ও মাছ ধরার জন্য ৮ শতাধিক বিএলসি নিবন্ধিত হয়েছে।
কিন্তু দুইশ’র বেশি সপ্তাহে পারমিট ইস্যু হচ্ছে না। পারমিট ছাড়াই রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বেশিরভাগ জেলে সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ ধরছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
কিন্তু দুইশ’র বেশি সপ্তাহে পারমিট ইস্যু হচ্ছে না। পারমিট ছাড়াই রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বেশিরভাগ জেলে সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ ধরছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


