একটি সেতুর অভাবে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ
শফিউল আজম টুটুল, ঝালকাঠি
ঝালকাঠির পালবাড়ী খালে এখন পর্যন্ত ব্রিজ নির্মাণ সম্ভব হয়নি। প্রতিদিন নৌকায় করে হাজার হাজার যাত্রী ঝুঁকি নিয়ে খালপাড়া পার হয়। খেয়া পার হতে গিয়ে প্রায়ই এখানে ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। স্কুল-কলেজগামী ছাত্রছাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। এই খালটিতে ব্রিজ না হওয়ায় ঝালকাঠি শহরের পশ্চিম পাড় ঘেঁষে বয়ে যাওয়া পালবাড়ী খালের পশ্চিম পাড়ে বসবাসরত পশ্চিম ঝালকাঠি পৌর এলাকার মানুষ নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছে প্রতিদিন। শুধু পশ্চিম ঝালকাঠিই নয়, গাবখান, বৈদারাপুর, শেখেরহাট, কৃর্তিপাশাসহ বিভিন্ন এলাকার লোকজনকেও শহরে আসতে হয় পালবাড়ীর খেয়া পার হয়ে। শহরের পাশাপাশি বসবাস করেও বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার মধ্যে দিন কাটাতে হয় তাদের। এ এলাকার সু্কল-কলেজগামী ছাত্রছাত্রীর অভিভাবকরা বলেন, বাচ্চাদের স্কুলে পাঠিয়ে তাদের সারা দিন চিন্তায় থাকতে হয়। স্কুল থেকে আসতে দেরি হলে খোঁজ নিতে হয় খেয়াঘাটে। পালবাড়ী নদী ছোট হলেও এখানে পানির স্রোত খুবই বেশি। তারপর আবার খেয়াঘাটে যাত্রীছাউনি না থাকায় রোদে পুড়ে এবং বৃষ্টিতে ভিজে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় ছাত্রছাত্রীসহ যাত্রীদের। খেয়া পার হতে একেকটি নৌকায় যাত্রী তোলা হয় ধারণ ক্ষমতার চেয়েও অনেক বেশি। ফলে ভয় থাকে দুর্ঘটনার। খেয়াঘাটের সব যাত্রী ইজারাদারদের কাছে জিম্মি হওয়ায় কেউ প্রতিবাদ করারও সাহস পায় না। এ এলাকার স্কুল-কলেজগামী ছাত্রছাত্রীরা জানায়, নৌকায় অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করা হয়।
এ অবস্থায় অবর্ণনীয় দুর্ভোগ লাঘবে পশ্চিম ঝালকাঠিসহ আরও বেশ কয়েকটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের এখন সবচেয়ে বড় দাবি হলো অতুল মাঝির খেয়াঘাটে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা। জানা যায়, ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ আমির হোসেন আমু পালবাড়ীর খালে কয়েক মাস আগে ব্রিজ নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছেন। তাই পালবাড়ীসহ সমগ্র শহরবাসী এখন সেই আশ্বাসের বাস্তবায়ন দেখতে চায়।
এ অবস্থায় অবর্ণনীয় দুর্ভোগ লাঘবে পশ্চিম ঝালকাঠিসহ আরও বেশ কয়েকটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের এখন সবচেয়ে বড় দাবি হলো অতুল মাঝির খেয়াঘাটে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা। জানা যায়, ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ আমির হোসেন আমু পালবাড়ীর খালে কয়েক মাস আগে ব্রিজ নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছেন। তাই পালবাড়ীসহ সমগ্র শহরবাসী এখন সেই আশ্বাসের বাস্তবায়ন দেখতে চায়।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


