Amardesh
আজঃ ঢাকা, শনিবার ১৯ ডিসেম্বর ২০০৯, ৫ পৌষ ১৪১৬, ১ মহররম ১৪৩১     আপডেট সময়ঃ সময় : রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 জব সার্চ
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 বিশেষ বিভাগ
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

মুক্তিযোদ্ধা আকু মিয়ার মানবেতর জীবনযাপন

আবু তাহের মুহাম্মদ, খাগড়াছড়ি
মুক্তিযোদ্ধা আকু মিয়া জীবন সায়াহ্নে এখন ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। প্রায়ই তাকে অনাহারে-অর্ধাহারে দিনাতিপাত করতে হচ্চ্ছে। ১৯৭১ সালে দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্যে রণাঙ্গন কাঁপিয়ে দেশকে শত্রুমুক্ত করলেও জীবনযুদ্ধে হেরে গেছেন খাগড়াছড়ির যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকু মিয়া। খাগড়াছড়ি শহরের শালবাগান এলাকায় ৩শ’ টাকার একটি ভাড়া ঘরে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বসবাস করছেন এই মুক্তিযোদ্ধা। চার মেয়ের জনক মুক্তিযোদ্ধা আকু মিয়া ধারদেনা করে তাদের বিয়ে দিয়ে মুক্ত হলেও ষাটোর্ধ্ব আকু মিয়ার বর্তমানে দিন যাচ্ছে ভিক্ষাবৃত্তি করে। এতে প্রায়ই অনাহার-অর্ধাহারে কাটছে তার দিন। স্ত্রী অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী। নিজের শরীরও ইদানিং ভালো যাচ্ছে না। ভিক্ষা করে যা পান তা দিয়ে সংসার চলে না। বর্তমানে তার কষ্টের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। মুক্তিযোদ্ধা আকু মিয়া জানান, ১৯৭১ সালে ছিলেন ত্রিশ বছরের টগবগে যুবক। দেশকে শত্রুমুক্ত করার জন্য ১নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়াউর রহমান ও পরে মেজর রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে যুদ্ধে অংশ নেন।
নোয়াখালীর শুভপুর ব্রিজ এলাকায় পাকিস্তানি শত্রুদের সঙ্গে সম্মুখ সমরে ডান পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। স্বাধীনতার তিন যুগ পরেও আকু মিয়া স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন মাত্র একটি মুক্তিযোদ্ধা সনদ। নিয়মিত পান না মুক্তিযোদ্ধার ভাতাও। গুচ্ছগ্রামের সরকারি একটি রেশন কার্ড পেলেও তাতেও প্রতি মাসে রেশন প্রাপ্তির নিশ্চয়তা নেই। সংসার চালানোর টানাপড়েনে মুক্তিযোদ্ধা আকু মিয়া হেরে গিয়ে অবশেষে বেছে নিলেন ভিক্ষাবৃত্তি। পার্বত্য এই জেলায় জমির অভাব না থাকলেও আকু মিয়ার মৃত্যুর পর মাটি দেয়ার মতো একখণ্ড নিজের জমিও তার ভাগ্যে জোটেনি।
মুক্তিযোদ্ধা আকু মিয়া জানান, চার মেয়ের সবাইকে বিয়ে দিয়েছেন ধারদেনা করে। এখন তার স্ত্রী রোগ শয্যায় পড়ে আছে। নিজেও অসুস্থ।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?