নালিতাবাড়ীর ৪ ডিলার ডিসেম্বরেও সার পাননি
নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি
সার পাচারের ঘটনায় নভেম্বরের পর এবার ডিসেম্বরেও যমুনা সার কারখানা কর্তৃপক্ষ চালান জমা নেয়নি নালিতাবাড়ীর চার ডিলারের। ডিলাররা হলেন মেসার্স তিনতারা এন্টারপ্রাইজের মালিক সানাউর রহমান সানা, লিন্ডা ট্রেডার্সের মালিক ভজন সাহা, এলজি ট্রেডার্সের মালিক সত্যজিত্ দত্ত সেতু এবং আল-আমিন এন্টারপ্রাইজের মালিক আবদুর রহমান। এদিকে সার পাচারের ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে আমার দেশ নালিতাবাড়ী প্রতিনিধিকে ফাঁসাতে রাজনৈতিক তত্পরতা চালাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট ডিলাররা। জানা গেছে, গত সেপ্টেম্বর মাসে বিসিআইসি কর্তৃক অনুমোদিত নালিতাবাড়ীর ১৩ সার ডিলারের মধ্যে ৯ জন তাদের নামে বরাদ্দকৃত সার উত্তোলন করেন। তাদের মধ্যে ৮ ডিলারই বেশিরভাগ সার মিল গেটে পাচারকারী চক্রের কাছে বিক্রি করে দেন। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ওই ৮ ডিলারের সার পাচারের ঘটনা দৈনিক আমার দেশ ছাড়াও বিভিন্ন তারিখে বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশ হয়। প্রথম দফায় সংবাদ প্রকাশের পর সরকারের উচ্চ পর্যায়ে টনক নড়ে। কৃষিমন্ত্রীর মৌখিক নির্দেশে বিভিন্ন পর্যায়ে ঘটনাটির তদন্ত হয়। তদন্ত শেষে হাই কমান্ডের নির্দেশে তিনতারা, লিন্ডা, এলজি ও আল-আমিন এন্টারপ্রাইজের নভেম্বর মাসের সারের চালান জমা নেয়নি যমুনা সার কারখানা কর্তৃপক্ষ। চলতি ডিসেম্বরেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত না হওয়ায় হাই কমান্ডের নির্দেশে ওই চার ডিলারের চালান নেয়নি যমুনা সার কারখানা। এদিকে দ্বিতীয় দফায় দৈনিক আমার দেশ-এ সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় আবার জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির পক্ষ থেকে তদন্ত চলছে বলে সূত্র জানিয়েছে। এর মধ্যেই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ে ডিলারদের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সার উত্তোলন, মজুত ও বিক্রি রেজিস্টার জমা করা হয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, জুলাই ও আগস্টের মজুত সার নামে-বেনামে বিক্রি রেজিস্টারে বিক্রি দেখিয়ে সেপ্টেম্বরের সার পাচারের পর বিগত সময়ের সার সেপ্টেম্বরের মজুত সার বলে চালিয়ে দেয় পাচারকারী ডিলাররা এবং তা দেখেই তত্কালীন অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মজুত যাচাই সাপেক্ষে বিক্রির অনুমতি ও প্রত্যয়নপত্র দেন।
১ কিন্তু পাচারের ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর তত্কালীন অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিখিল চন্দ্র বসাক ও শেরপুরের উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলামকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বদলি করা হয়। এরপরও পাচারকারী ডিলার চক্র প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এছাড়াও এসব ডিলার দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক, প্রকাশক ও নালিতাবাড়ী প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মামলা ছাড়াও রাজনৈতিক সুবিধা পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।
১ কিন্তু পাচারের ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর তত্কালীন অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিখিল চন্দ্র বসাক ও শেরপুরের উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলামকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বদলি করা হয়। এরপরও পাচারকারী ডিলার চক্র প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এছাড়াও এসব ডিলার দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক, প্রকাশক ও নালিতাবাড়ী প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মামলা ছাড়াও রাজনৈতিক সুবিধা পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


