নওগাঁয় জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালিয়ে চলেছেন মোশাররফ
শাহরুখ হোসেন আহাদ, রাণীনগর (নওগাঁ)
নওগাঁর ৮০ বছর বয়সী বইপ্রেমিক মোশাররফ হোসেন চৌধুরী ৬৩ বছর ধরে জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালিয়ে যাচ্ছেন। শারীরিক দুর্বলতা ও বয়স তার অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে দমাতে পারেনি।
নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার ভাতসাইল গ্রামে বাড়ি এই বইপ্রেমিক মোশাররফ হোসেন চৌধুরীর। ধনাঢ্য ও চৌধুরী পরিবারের সন্তান মোশাররফ অন্যের ব্যক্তিগত লাইব্রেরি দেখে মুগ্ধ হয়ে ১৯৪৬ সালে শখের বশবর্তী হয়ে তার নিজ গ্রামে ‘ভাতসাইল প্রগতি সঙ্ঘ পাঠাগার’ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথমে একটি মাটির ঘরে পাঠাগারের কার্যক্রম শুরু করেন। পাঠাগারের জন্য ১৯৫৭ সালে তার চাচাতো ভাই ১৭ শতক জমি দান করেন এবং তত্কালীন সাব-ডিভিশন অফিসার এমএ বাসিত ১৯৫৮ সালে পাঠাগারের ঘর নির্মাণের জন্য ভিত্তিপ্রস্তর স্থপন করেন। পাঠাগারের উন্নয়নে তাকে বিভিন্ন ব্যক্তি সহায়তা করেছেন। তার সংগ্রহে থাকা ৫টি বই নিয়ে এই পাঠাগার যাত্রা শুরু করে। এগুলো হলো—আলীবাবা, গোপাল ভাঁড়, শিয়াল পণ্ডিতের পাঠশালা, আনোয়ারা ও মুসলিম পঞ্চসতী। বর্তমানে বাংলা ও ইংরেজি মিলে তার পাঠাগারে প্রায় ২০ হাজার বই আছে। সংগ্রহে আছে কিছু দুর্লভ বইও। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো প্রায় ২শ’ বছরের পুরনো হাতে লেখা কোরআন শরীফ, আড়াইশ’ বছরের পুরনো তাল পাতার বই, আলিফ লায়লা ও ফেরদৌসীর লেখা শাহ্নামা ও হাতে লেখা ইমাম হানিফার জীবনী। বইপ্রেমিক মোশাররফ হোসেন তার পাঠাগারের জন্য বই সংগ্রহে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। গিয়েছেন দূর-দূরান্তের বন্ধু-বান্ধবের কাছে। বাবার কাছ থেকে হাতখরচের যে টাকা পেতেন তা দিয়ে পাঠাগারের জন্য বই সংগ্রহ করতেন। তবে এখন আর তাকে বই সংগ্রহের জন্য ছুটতে হয় না। বই ক্রয় ও পাঠাগারের ব্যবস্থাপনার জন্য প্রতি বছর সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় হতে ১৫ হাজার টাকার সহায়তা পান তিনি। এর মধ্যে ৭ হাজার ৫শ’ টাকার বই ও অবশিষ্ট টাকার চেক পান। চেকের মাধ্যমে যে টাকা পাওয়া যায় সে টাকায় তিনি বই ক্রয় করে থাকেন। অন্যান্য খরচ মেটানো হয়ে থাকে সদস্যদের চাঁদা থেকে। পাঠাগারের ৩০ জন সদস্য মাসিক ৫ টাকা হারে চাঁদা প্রদান করে থাকেন। তিনি জানান, কয়েকটি আলমারি ভেঙে গেছে, যেগুলো অর্থাভাবে মেরামত করা যায়নি। প্রায় ৪শ’ খোলা ও অর্ধছেঁড়া বই মেঝেতে পড়ে আছে, যেগুলো বাইন্ডিং করা প্রয়োজন।
নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার ভাতসাইল গ্রামে বাড়ি এই বইপ্রেমিক মোশাররফ হোসেন চৌধুরীর। ধনাঢ্য ও চৌধুরী পরিবারের সন্তান মোশাররফ অন্যের ব্যক্তিগত লাইব্রেরি দেখে মুগ্ধ হয়ে ১৯৪৬ সালে শখের বশবর্তী হয়ে তার নিজ গ্রামে ‘ভাতসাইল প্রগতি সঙ্ঘ পাঠাগার’ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথমে একটি মাটির ঘরে পাঠাগারের কার্যক্রম শুরু করেন। পাঠাগারের জন্য ১৯৫৭ সালে তার চাচাতো ভাই ১৭ শতক জমি দান করেন এবং তত্কালীন সাব-ডিভিশন অফিসার এমএ বাসিত ১৯৫৮ সালে পাঠাগারের ঘর নির্মাণের জন্য ভিত্তিপ্রস্তর স্থপন করেন। পাঠাগারের উন্নয়নে তাকে বিভিন্ন ব্যক্তি সহায়তা করেছেন। তার সংগ্রহে থাকা ৫টি বই নিয়ে এই পাঠাগার যাত্রা শুরু করে। এগুলো হলো—আলীবাবা, গোপাল ভাঁড়, শিয়াল পণ্ডিতের পাঠশালা, আনোয়ারা ও মুসলিম পঞ্চসতী। বর্তমানে বাংলা ও ইংরেজি মিলে তার পাঠাগারে প্রায় ২০ হাজার বই আছে। সংগ্রহে আছে কিছু দুর্লভ বইও। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো প্রায় ২শ’ বছরের পুরনো হাতে লেখা কোরআন শরীফ, আড়াইশ’ বছরের পুরনো তাল পাতার বই, আলিফ লায়লা ও ফেরদৌসীর লেখা শাহ্নামা ও হাতে লেখা ইমাম হানিফার জীবনী। বইপ্রেমিক মোশাররফ হোসেন তার পাঠাগারের জন্য বই সংগ্রহে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। গিয়েছেন দূর-দূরান্তের বন্ধু-বান্ধবের কাছে। বাবার কাছ থেকে হাতখরচের যে টাকা পেতেন তা দিয়ে পাঠাগারের জন্য বই সংগ্রহ করতেন। তবে এখন আর তাকে বই সংগ্রহের জন্য ছুটতে হয় না। বই ক্রয় ও পাঠাগারের ব্যবস্থাপনার জন্য প্রতি বছর সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় হতে ১৫ হাজার টাকার সহায়তা পান তিনি। এর মধ্যে ৭ হাজার ৫শ’ টাকার বই ও অবশিষ্ট টাকার চেক পান। চেকের মাধ্যমে যে টাকা পাওয়া যায় সে টাকায় তিনি বই ক্রয় করে থাকেন। অন্যান্য খরচ মেটানো হয়ে থাকে সদস্যদের চাঁদা থেকে। পাঠাগারের ৩০ জন সদস্য মাসিক ৫ টাকা হারে চাঁদা প্রদান করে থাকেন। তিনি জানান, কয়েকটি আলমারি ভেঙে গেছে, যেগুলো অর্থাভাবে মেরামত করা যায়নি। প্রায় ৪শ’ খোলা ও অর্ধছেঁড়া বই মেঝেতে পড়ে আছে, যেগুলো বাইন্ডিং করা প্রয়োজন।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


