Amardesh
আজঃ ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৭ ডিসেম্বর ২০০৯, ৩ পৌষ ১৪১৬, ২৯ জিলহজ ১৪৩০     আপডেট সময়ঃ রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 বিশেষ বিভাগ
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

আওয়ামী লীগের শোভাযাত্রা : ডিজিটাল গণতান্ত্রিক সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গীকার

স্টাফ রিপোর্টার
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক ডিজিটাল সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বিজয় র্যালি বের করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলের হাজার হাজার নেতাকর্মী-সমর্থক আনন্দমুখর পরিবেশে রং-বেরংয়ের ব্যানার, ফেস্টুন-প্ল্যাকার্ড ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে বিজয় র্যালিতে অংশ নেন। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে শুরু হয়ে র্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদিক্ষণ শেষে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
বিকাল ৪টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটে ট্রাকের ওপর নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চ থেকে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী র্যালির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। র্যালি-পূর্ব ওই সমাবেশে আরও বক্তৃতা করেন দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, সাধারণ সম্পাদক এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহাবুব-উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর নানক, আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন এমপি, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ফয়েজউদ্দিন মিয়া, শেখ বজলুর রহমান, মুকুল চৌধুরী, হাজী মোঃ সেলিম প্রমুখ। এতে দলের কেন্দ্রীয় নেতা মোহাম্মদ নাসিম, আফজাল হোসেন, মির্জা আজম এমপি, প্রধানমন্ত্রীর এপিএস সাইফুজ্জামান শেখর, হাজী মকবুল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার রায় ঘোষণা হয়েছে। অচিরেই রায় কার্যকর করা হবে। বাংলার মাটিতে যুদ্ধাপরাধী ও ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাসহ জঙ্গিবাদের বিচার করা হবে বলেও তিনি ঘোষণা দেন।
আশরাফুল ইসলাম তার বক্তব্যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত আইন প্রতিমন্ত্রীর প্রতি ইঙ্গিত করে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, মন্ত্রী বাহাদুরকে বলতে চাই কোনো অজুহাত আর টালবাহনা না করে অবিলম্বে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করুন। এটাই জনতার দাবি। জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামীর নাম উচ্চারণ করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার সঙ্গে মিটিং করে রেহাই পাবেন না। বাংলার মাটিতে আপনাদের বিচার করা হবে।
র্যালিতে অংশ নিতে গতকাল দুপুরের পর থেকেই আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা রাজধানীর বিভিন্ন ওয়ার্ড, ইউনিট ও থানা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সামনে জড়ো হতে শুরু করেন। আওয়ামী লীগ ছাড়াও সহযোগী সংগঠন যুবলীগ, মহিলা লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী ঘরনার বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা পৃথক মিছিল নিয়ে আসেন। রং-বেংয়ের ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড ছাড়াও বঙ্গবন্ধুর ছবি, দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার ছবি, জাতীয় ও দলীয় পতাকা, বাদ্যযন্ত্র, ঠেলাগাড়ির ওপর তৈরি নৌকা, ডামি ট্যাংক, কামানসহ বিভিন্ন ধরনের খেলনা অস্ত্র হাতে নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা এই র্যালিতে অংশ নেন। এছাড়াও র্যালিতে অংশ নেয়া ঠেলাগাড়ি ও ট্রাকের ওপর নির্মিত বেশ কয়েকটি নৌকায় একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের খণ্ডচিত্রের প্রতিকৃতি, গ্রামের কৃষক সমাজসহ সাধারণ মানুষের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রতিকৃতি এবং শিশু-কিশোররা ডামি মুক্তিযোদ্ধা ও রাজাকার-আলবদর সেজে স্বাধীনতা বিরোধী বাহিনীর আত্মসমর্পণের ব্যাঙ্গাত্মক অভিনয় প্রদর্শন করে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে কাউকে কাউকে জাতীয় পতাকার রংয়ে তৈরি শার্ট, টি-শার্ট ও মেয়েদের একই আদলের শাড়ি কিংবা সালোয়ার-কামিজ পরতে দেখা গেছে।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?