আজ জেলা মহানগর সম্মেলন : সিলেটে ফের ঘুরে দাঁড়াতে চায় জাতীয় পার্টি
এটিএম হায়দার, সিলেট
সিলেটে অস্তিত্ব ধরে রাখার সংগ্রামে লিপ্ত জাতীয় পার্টি ফের ঘুরে দাঁড়াতে চায়। আজ জেলা ও মহানগর সম্মেলন আয়োজনের মধ্য দিয়ে পার্টিকে চাঙ্গা রাখতে তত্পরতা চলছে বেশ জোরেশোরে। দীর্ঘ ৫ বছর পর সম্মেলন আয়োজনকে কেন্দ্র করে সিলেট মহানগরসহ উপজেলা ইউনিয়নে নেতাকর্মীরা এখন বেশ তত্পর। সম্মেলনকে সামনে রেখে এরই মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
গত সেপ্টেম্বর মাসে আমার দেশ পত্রিকায় সিলেটে জাতীয় পার্টির রাজনীতির ক্ষয়িষ্ণু ধারা চলছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর জাপার নেতৃত্বে টনক নড়ে। একসময়ে যারা জাতীয় পার্টির হাল ধরেছিলেন তারা নিষ্ক্রিয়তা কাটিয়ে আবার দলে ফিরছেন। সাবেক এমপি মকসুদ ইবনে আজিজ লামা, অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন ও আবদুল হাই কাইয়ুমসহ অনেক নেতাকর্মী দলে ফিরেছেন। এদের মধ্যে অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির দায়িত্ব পালন করছেন। এই কমিটিতে রয়েছে ১৭ জন যুগ্ম আহ্বায়ক। দলের বর্তমান সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও উপজেলা কমিটির সম্মেলন ও কাউন্সিল সম্পন্ন করা হয়েছে। সিলেটে জাপা সমর্থকদের চোখ এখন আসন্ন সম্মেলনকে ঘিরে। তবে কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন নেতা নির্বাচন হবে, না অতীতের মতো পার্টিপ্রধানের একক সিদ্ধান্তে কমিটি গঠিত হবে সেই সংশয় কাউন্সিলরদের মধ্য থেকে দূর হচ্ছে না । সর্বশেষ ২০০৪ সালে সিলেট জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তখনও পার্টিপ্রধান কেন্দ্র থেকে কমিটির নাম ঘোষণা করেছিলেন।
জাপা সূত্রে জানা যায়, নগরীর রেজিস্ট্রারি মাঠে সকাল ১০টায় জেলা জাতীয় পার্টির এবং বেলা ২টায় সারদা হলে মহানগর জাতীয় পার্টির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ প্রমুখ।
সিলেটে জাপার আগামী নেতৃত্ব সাবেক ও বর্তমান নেতৃত্বের সমন্বয়ে গড়ে ওঠার সম্ভাবনাই প্রবল হয়ে উঠেছে। সম্মেলনের মেজাজ-মর্জি এবং নেতাকর্মীদের কর্মতত্পরতায় তার আলামত স্পষ্ট হচ্ছে। জেলা সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন ও আলহাজ কুনু মিয়া, সাধারণ সম্পাদক পদে সৈয়দ আবদুল কাশেম মন্টু ও ইশরাকুল হোসেন শামীম এবং মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট আবদুল হাই কাইয়ুম ও অ্যাডভোকেট কাজী আশরাফ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক পদে বাহার খন্দকার, আবদুস শহীদ লস্কর বশীর ও মনিরুজ্জামান মনিরসহ আরও বেশ কয়েকজনের নাম শোনা যাচ্ছে। সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে গু্রপিং-লবিং।
একসময় সিলেট জেলায় জাপার আধিপত্য বিএনপির চেয়ে বেশি ছিল। তৃণমূল পর্যায়ে সিলেটে জাতীয় পার্টির রয়েছে ব্যাপক গণভিত্তি এই ধারণা দলের অনেকের মধ্যে কাজ করলেও বাস্তবতা ভিন্ন। কেন্দ্রীয় রাজনীতির গতি-প্রকৃতির সঙ্গে স্থানীয় রাজনীতির তফাত্, বিত্তবানদের হঠাত্ দলে অনুপ্রবেশ ও লেজুড়বৃত্তির রাজনীতির কারণে জাপার অবস্থান দুর্বল হতে থাকে। গত নির্বাচনে সিলেটের ৬টি আসনের একটি আসনও মহাজোট থেকে জাপাকে দেয়া হয়নি। এ বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জাপা নেতাদের জন্য পীড়াদায়ক হয়ে ওঠে। ফলে ক্ষমতাসীন দলের অংশীদার হয়েও স্থানীয় রাজনীতিতে জাপার অবস্থান ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ে। এই দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে গত দুই মাসে দলের প্রবীণ ও নতুন নেতৃত্বের মধ্যে সমন্বয় এবং ঐক্যের ধারা বজায় রাখতে জাপা নেতৃত্ব বেশ তত্পর হয়ে ওঠে। বিএনপির অভ্যন্তরীণ সমস্যাকে পুঁজি করে জাপা ফের সিলেটের গ্রামেগঞ্জে আধিপত্য বজায় রাখতে কাজ শুরু করেছে, যাতে জনসমর্থন তাদের ঘরে ফিরে আসে।
গত সেপ্টেম্বর মাসে আমার দেশ পত্রিকায় সিলেটে জাতীয় পার্টির রাজনীতির ক্ষয়িষ্ণু ধারা চলছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর জাপার নেতৃত্বে টনক নড়ে। একসময়ে যারা জাতীয় পার্টির হাল ধরেছিলেন তারা নিষ্ক্রিয়তা কাটিয়ে আবার দলে ফিরছেন। সাবেক এমপি মকসুদ ইবনে আজিজ লামা, অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন ও আবদুল হাই কাইয়ুমসহ অনেক নেতাকর্মী দলে ফিরেছেন। এদের মধ্যে অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির দায়িত্ব পালন করছেন। এই কমিটিতে রয়েছে ১৭ জন যুগ্ম আহ্বায়ক। দলের বর্তমান সাংগঠনিক স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও উপজেলা কমিটির সম্মেলন ও কাউন্সিল সম্পন্ন করা হয়েছে। সিলেটে জাপা সমর্থকদের চোখ এখন আসন্ন সম্মেলনকে ঘিরে। তবে কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন নেতা নির্বাচন হবে, না অতীতের মতো পার্টিপ্রধানের একক সিদ্ধান্তে কমিটি গঠিত হবে সেই সংশয় কাউন্সিলরদের মধ্য থেকে দূর হচ্ছে না । সর্বশেষ ২০০৪ সালে সিলেট জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তখনও পার্টিপ্রধান কেন্দ্র থেকে কমিটির নাম ঘোষণা করেছিলেন।
জাপা সূত্রে জানা যায়, নগরীর রেজিস্ট্রারি মাঠে সকাল ১০টায় জেলা জাতীয় পার্টির এবং বেলা ২টায় সারদা হলে মহানগর জাতীয় পার্টির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ প্রমুখ।
সিলেটে জাপার আগামী নেতৃত্ব সাবেক ও বর্তমান নেতৃত্বের সমন্বয়ে গড়ে ওঠার সম্ভাবনাই প্রবল হয়ে উঠেছে। সম্মেলনের মেজাজ-মর্জি এবং নেতাকর্মীদের কর্মতত্পরতায় তার আলামত স্পষ্ট হচ্ছে। জেলা সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন ও আলহাজ কুনু মিয়া, সাধারণ সম্পাদক পদে সৈয়দ আবদুল কাশেম মন্টু ও ইশরাকুল হোসেন শামীম এবং মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট আবদুল হাই কাইয়ুম ও অ্যাডভোকেট কাজী আশরাফ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক পদে বাহার খন্দকার, আবদুস শহীদ লস্কর বশীর ও মনিরুজ্জামান মনিরসহ আরও বেশ কয়েকজনের নাম শোনা যাচ্ছে। সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে গু্রপিং-লবিং।
একসময় সিলেট জেলায় জাপার আধিপত্য বিএনপির চেয়ে বেশি ছিল। তৃণমূল পর্যায়ে সিলেটে জাতীয় পার্টির রয়েছে ব্যাপক গণভিত্তি এই ধারণা দলের অনেকের মধ্যে কাজ করলেও বাস্তবতা ভিন্ন। কেন্দ্রীয় রাজনীতির গতি-প্রকৃতির সঙ্গে স্থানীয় রাজনীতির তফাত্, বিত্তবানদের হঠাত্ দলে অনুপ্রবেশ ও লেজুড়বৃত্তির রাজনীতির কারণে জাপার অবস্থান দুর্বল হতে থাকে। গত নির্বাচনে সিলেটের ৬টি আসনের একটি আসনও মহাজোট থেকে জাপাকে দেয়া হয়নি। এ বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জাপা নেতাদের জন্য পীড়াদায়ক হয়ে ওঠে। ফলে ক্ষমতাসীন দলের অংশীদার হয়েও স্থানীয় রাজনীতিতে জাপার অবস্থান ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ে। এই দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে গত দুই মাসে দলের প্রবীণ ও নতুন নেতৃত্বের মধ্যে সমন্বয় এবং ঐক্যের ধারা বজায় রাখতে জাপা নেতৃত্ব বেশ তত্পর হয়ে ওঠে। বিএনপির অভ্যন্তরীণ সমস্যাকে পুঁজি করে জাপা ফের সিলেটের গ্রামেগঞ্জে আধিপত্য বজায় রাখতে কাজ শুরু করেছে, যাতে জনসমর্থন তাদের ঘরে ফিরে আসে।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


