আনন্দে মুখর নগরী
জাকির হোসেন
বিজয় উত্সব উপলক্ষে গতকাল রাজধানী ছিল আনন্দমুখর। এদিন সকাল থেকে নানা শ্রেণী-পেশার সব বয়সী মানুষ ছুটেছেন বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন আয়োজিত অনুষ্ঠান উপভোগ করতে। নগরীর অলিগলিতে সারাদিনই মাইকে বাজাতে শোনা গেছে দেশাত্মবোধক গান এবং বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ। দিনজুড়েই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে দেখা গেছে বিভিন্ন সংগঠন আয়োজিত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বর, ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবর, রায়েরবাজার শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ, মিরপুর ভাষাসৈনিক গাজীউল হক ও এটিএম শামসুদ্দিন মঞ্চ, সূত্রাপুরের জহির রায়হান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র মঞ্চ, শিশু পার্ক, জিয়া উদ্যান এবং ওসমানী উদ্যানসহ বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেখা যায় হাজারো মানুষ। গত কয়েক বছর ধরে বিজয় উত্সব উপলক্ষে লাল-সবুজ রঙের নানা ধরনের পোশাক, কপালে বাঁধা রুমালে জাতীয় পতাকা, গালে জাতীয় পতাকা আঁকার যে প্রচলন হয়েছে, এবার এর মাত্রা কয়েকগুণ বেড়েছে। এদিকে মুক্তিযুদ্ধের সময় শরণার্থী ভারত শিবিরে যারা এদেশের মানুষকে বরণ করেছিলেন, সেই মেঘালয় থেকে গারোরা এবার এসেছিলেন বাংলাদেশের বিজয় আনন্দে শামিল হতে। এদিন তারাও নেচে-গেয়ে আমাদের বিজয় উত্সবে আনন্দ প্রকাশ করেন। সকালে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ঢাকা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় শিশু-কিশোরদের কুচকাওয়াজ। এতে ৭১টি স্কুলের শিশু-কিশোর অংশ নেয়। রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান এ কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ করেন। এ অনুষ্ঠানে ৬ জনকে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা প্রদান করা হয়।
বিকালে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে সুরসপ্তক, সুরতাল, সত্যেন সেন শিল্পী গোষ্ঠী, সৃজন, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, ত্রক্রান্তি। শুরুতে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের শিল্পীরা পরিবেশন করেন দুটি গান। মোহাম্মদ আলীর লেখা ও সুরে ‘সূর্যের নতুন ভোরে মিলে গেছে কোটি প্রাণ...বজ্রমুঠি দীপ্ত শপথে রাখবো দেশের মান’ এবং ‘সোনায় মোড়ানো দেশে সোনা সোনায় ফলা দেশ’।
দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যম, শিল্পবৃত্ত। দুটি নাট্যদল মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক পথনাটক মঞ্চস্থ করে। নাট্যদল ছিল থিয়েটার (আরামবাগ) ও পদাতিক নাট্য সংসদ। একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন অনুপ ভট্টাচার্য, ফেরদৌস আরা, বিশ্বজিত্ রায়, শেখ মিলন, শোহানা ও ঝুমা খন্দকার। একক আবৃৃত্তি করেন ইস্তেকবাল হোসেন, লায়লা আফরোজ, মাহিদুল ইসলাম, লায়লা তারান্নুম কাকলী, ফয়জুল্লাহ শহীদ।
স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরে বিজ্ঞানী ড. এমএ ওয়াজেদ আলী মিয়া মঞ্চে দলীয় পরিবেশনায় ছিল দলীয় আবৃত্তি, নাচ, পথনাটক ও গান। অংশ নেয়া সংঠনগুলো হলো মুক্তধারা সংস্কৃতিচর্চা কেন্দ্র, স্বরশ্রুতি, শিল্পবৃত্ত, দৃষ্টি, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট। পথনাটক মঞ্চস্থ করে সুবচন নাট্য সংসদ, অন্তরঙ্গ থিয়েটার।
বিকাল থেকেই রবীন্দ্র সরোবরের আবদুল করিম ও হরিপ্রসন্ন মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয় দেশের স্বনামধন্য সংগঠনগুলো। তারাও মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণাদায়ী গান, আবৃত্তি ও নাচ পরিবেশন করে। অংশ নেয়া সংগঠনগুলোর মধ্য ছিল বহ্নিশিখা, পদাতিক সঙ্গীত সংসদ, স্বভূমি, মুক্তবাগ, সৃজন, মিথস্ক্রিয়া, পদাতিক নাট্য সংসদ বাংলাদেশ, বঙ্গরঙ্গ নাট্যদল প্রভৃতি। অনুষ্ঠান শেষে দেখানো হয় চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’।
রায়েরবাজারে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ মঞ্চেও ছিল মুক্তিযুদ্ধের নাচ, গান, আবৃত্তি। মমতাজ উদ্দীনের রচনায় নাটক ‘বর্ণচোর’ মঞ্চস্থ করে মৈত্রী থিয়েটার। দলীয় নৃত্যে অংশ নেয় লায়লা হাসানের পরিচালনায় নটরাজ। দলীয় আবৃত্তি করে চারুপাঠ আবৃত্তি সংসদ ও কণ্ঠশীলন। অনুষ্ঠানের শেষদিকে পরিবেশন করা হয় বাউল সঙ্গীত।
মিরপুরে ভাষাসৈনিক গাজীউল হক ও এটিএম শামসুদ্দিন মঞ্চে ছিল দলীয় সঙ্গীত, দলীয় নৃত্য, আবৃত্তি ও পথনাটক। সঞ্চারী, মিরপুর সাংস্কৃতিক একাডেমি, মুকুল ফৌজ, আমার আঙিনায়, উচ্চারণ ও বর্ণমালাসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন অংশ নেয়। গান গেয়ে শোনান মিরাজ মেহেদী, নওরোজ। আবৃত্তি করেন শাহ মোহাম্মদ জসিম। মিরপুর আউটার স্টেডিয়াম মঞ্চে পথনাটক ‘উদ্বাস্তু’ মঞ্চস্থ করে ইউনিভার্সেল থিয়েটার।
জহির রায়হান সাংস্কৃতিক মঞ্চে সন্ধ্যা ৭টায় থিয়েটার মঞ্চস্থ করে আবদুল্লাহ আল মামুন রচিত ও নির্দেশিত মুক্তিযুদ্ধের নাটক ‘মেরাজ ফকিরের মা’।
শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে ৬ দিনের বিজয় মেলার দ্বিতীয় দিনে গতকাল বিকাল ৫টা থেকে শুরু হয় বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। এর মধ্যে ছিল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীদের পরিবেশনায় মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণাদায়ী গান, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী-কলাকুশলীর মধ্যে ২৫ জনকে বিজয় স্মারক প্রদান। রাত ৮টায় বিজয় মঞ্চে দেখানো হয় প্রামাণ্য চলচ্চিত্র ‘স্টপ জেনোসাইড’ ও ‘মুক্তির গান’।
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর বিজয় উত্সবের সপ্তম দিনে গতকাল বিকালে আয়োজন করে আবৃত্তি অনুষ্ঠানের। এতে স্বরশ্রুতি, সংবৃতা এবং কথা আবৃত্তিচর্চা কেন্দ্র অংশ নেয়। এ অনুষ্ঠানের শেষাংশে কিশোরগঞ্জের আলমাস বয়াতি ও তার দল পরিবেশন করে কিস্সা।
বাংলা একাডেমী এদিন বিকাল ৩টায় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। একাডেমীর নজরুল মঞ্চে মেজর (অব.) কামরুল হাসান ভুঁইয়ার পরিচালনায় ‘একাত্তরের ব্রাত্যজনের যুদ্ধকথা’ স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করেন জহুরুল হক মুন্সী বীর প্রতীক, হজরত আলী বীর প্রতীক, তাজুল ইসলাম বীর প্রতীক, মোঃ সোবহান বীর প্রতীক, মাহবুব এলাহী রঞ্জু বীর প্রতীক, মোঃ রফিক বীর প্রতীক এবং আজাদ আলী বীর প্রতীক। আলোচনা সভায় স্বাগত ভাষণ দেন বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। আলোচনা করেন বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর, ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক মেজর (অব.) শামসুল আরেফিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ বাংলা একাডেমীর সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী।
বিকালে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে সুরসপ্তক, সুরতাল, সত্যেন সেন শিল্পী গোষ্ঠী, সৃজন, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, ত্রক্রান্তি। শুরুতে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের শিল্পীরা পরিবেশন করেন দুটি গান। মোহাম্মদ আলীর লেখা ও সুরে ‘সূর্যের নতুন ভোরে মিলে গেছে কোটি প্রাণ...বজ্রমুঠি দীপ্ত শপথে রাখবো দেশের মান’ এবং ‘সোনায় মোড়ানো দেশে সোনা সোনায় ফলা দেশ’।
দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যম, শিল্পবৃত্ত। দুটি নাট্যদল মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক পথনাটক মঞ্চস্থ করে। নাট্যদল ছিল থিয়েটার (আরামবাগ) ও পদাতিক নাট্য সংসদ। একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন অনুপ ভট্টাচার্য, ফেরদৌস আরা, বিশ্বজিত্ রায়, শেখ মিলন, শোহানা ও ঝুমা খন্দকার। একক আবৃৃত্তি করেন ইস্তেকবাল হোসেন, লায়লা আফরোজ, মাহিদুল ইসলাম, লায়লা তারান্নুম কাকলী, ফয়জুল্লাহ শহীদ।
স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরে বিজ্ঞানী ড. এমএ ওয়াজেদ আলী মিয়া মঞ্চে দলীয় পরিবেশনায় ছিল দলীয় আবৃত্তি, নাচ, পথনাটক ও গান। অংশ নেয়া সংঠনগুলো হলো মুক্তধারা সংস্কৃতিচর্চা কেন্দ্র, স্বরশ্রুতি, শিল্পবৃত্ত, দৃষ্টি, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট। পথনাটক মঞ্চস্থ করে সুবচন নাট্য সংসদ, অন্তরঙ্গ থিয়েটার।
বিকাল থেকেই রবীন্দ্র সরোবরের আবদুল করিম ও হরিপ্রসন্ন মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয় দেশের স্বনামধন্য সংগঠনগুলো। তারাও মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণাদায়ী গান, আবৃত্তি ও নাচ পরিবেশন করে। অংশ নেয়া সংগঠনগুলোর মধ্য ছিল বহ্নিশিখা, পদাতিক সঙ্গীত সংসদ, স্বভূমি, মুক্তবাগ, সৃজন, মিথস্ক্রিয়া, পদাতিক নাট্য সংসদ বাংলাদেশ, বঙ্গরঙ্গ নাট্যদল প্রভৃতি। অনুষ্ঠান শেষে দেখানো হয় চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’।
রায়েরবাজারে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ মঞ্চেও ছিল মুক্তিযুদ্ধের নাচ, গান, আবৃত্তি। মমতাজ উদ্দীনের রচনায় নাটক ‘বর্ণচোর’ মঞ্চস্থ করে মৈত্রী থিয়েটার। দলীয় নৃত্যে অংশ নেয় লায়লা হাসানের পরিচালনায় নটরাজ। দলীয় আবৃত্তি করে চারুপাঠ আবৃত্তি সংসদ ও কণ্ঠশীলন। অনুষ্ঠানের শেষদিকে পরিবেশন করা হয় বাউল সঙ্গীত।
মিরপুরে ভাষাসৈনিক গাজীউল হক ও এটিএম শামসুদ্দিন মঞ্চে ছিল দলীয় সঙ্গীত, দলীয় নৃত্য, আবৃত্তি ও পথনাটক। সঞ্চারী, মিরপুর সাংস্কৃতিক একাডেমি, মুকুল ফৌজ, আমার আঙিনায়, উচ্চারণ ও বর্ণমালাসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন অংশ নেয়। গান গেয়ে শোনান মিরাজ মেহেদী, নওরোজ। আবৃত্তি করেন শাহ মোহাম্মদ জসিম। মিরপুর আউটার স্টেডিয়াম মঞ্চে পথনাটক ‘উদ্বাস্তু’ মঞ্চস্থ করে ইউনিভার্সেল থিয়েটার।
জহির রায়হান সাংস্কৃতিক মঞ্চে সন্ধ্যা ৭টায় থিয়েটার মঞ্চস্থ করে আবদুল্লাহ আল মামুন রচিত ও নির্দেশিত মুক্তিযুদ্ধের নাটক ‘মেরাজ ফকিরের মা’।
শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে ৬ দিনের বিজয় মেলার দ্বিতীয় দিনে গতকাল বিকাল ৫টা থেকে শুরু হয় বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। এর মধ্যে ছিল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীদের পরিবেশনায় মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণাদায়ী গান, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী-কলাকুশলীর মধ্যে ২৫ জনকে বিজয় স্মারক প্রদান। রাত ৮টায় বিজয় মঞ্চে দেখানো হয় প্রামাণ্য চলচ্চিত্র ‘স্টপ জেনোসাইড’ ও ‘মুক্তির গান’।
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর বিজয় উত্সবের সপ্তম দিনে গতকাল বিকালে আয়োজন করে আবৃত্তি অনুষ্ঠানের। এতে স্বরশ্রুতি, সংবৃতা এবং কথা আবৃত্তিচর্চা কেন্দ্র অংশ নেয়। এ অনুষ্ঠানের শেষাংশে কিশোরগঞ্জের আলমাস বয়াতি ও তার দল পরিবেশন করে কিস্সা।
বাংলা একাডেমী এদিন বিকাল ৩টায় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। একাডেমীর নজরুল মঞ্চে মেজর (অব.) কামরুল হাসান ভুঁইয়ার পরিচালনায় ‘একাত্তরের ব্রাত্যজনের যুদ্ধকথা’ স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করেন জহুরুল হক মুন্সী বীর প্রতীক, হজরত আলী বীর প্রতীক, তাজুল ইসলাম বীর প্রতীক, মোঃ সোবহান বীর প্রতীক, মাহবুব এলাহী রঞ্জু বীর প্রতীক, মোঃ রফিক বীর প্রতীক এবং আজাদ আলী বীর প্রতীক। আলোচনা সভায় স্বাগত ভাষণ দেন বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। আলোচনা করেন বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর, ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক মেজর (অব.) শামসুল আরেফিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ বাংলা একাডেমীর সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


