এয়ারটেলের নজর এখন পুরো দক্ষিণ এশিয়ায়
জিয়াউদ্দিন সাইমুম
ভারতের স্থানীয় বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে আয় কমে যাওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়িক ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় ভারতীয় এয়ারটেল কোম্পানি এখন বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বাজার দখলের পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক টেলিকম কোম্পানি ওয়ারিদের বাংলাদেশী ইউনিট কিনে নেয়ার পথে এয়ারটেল অনেকদূর এগিয়ে গেছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে মিডিয়ায় নানা গুঞ্জন সৃষ্টি হলেও কোম্পানিটি এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি। এদিকে বাংলাদেশে ওয়ারিদের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা এ ব্যাপারে দৈনিক আমার দেশকে বলেন, তাদের কাছে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসার কারণে এয়ারটেল ইস্যুতে কোনো মন্তব্যের সুযোগ নেই।
ভারতের এ কোম্পানিটি সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার এমটিএন গ্রুপ কিনে নিতে দুই দফা চেষ্টা চালিয়েও আইনি জটিলতার কারণে পিছিয়ে আসতে বাধ্য হয় এবং এরপর অপেক্ষাকৃত অনুন্নত দেশের টেলিকম বাজার দখলের পরিকল্পনা নেয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভারতি এন্টারপ্রাইজেসের একটি প্রতিষ্ঠান ভারতি এয়ারটেল। গ্রাহকসংখ্যা ১১ কোটিরও বেশি। এটি ভারতের চতুর্থ বৃহত্তম টেলিকম কোম্পানি। ভারতে বর্তমানে টেলিফোন দ্রুত বিকাশমান শিল্প হিসেবে চিহ্নিত। কিন্তু শুল্কগত জটিলতায় আয় কমে যাওয়ার কারণে কোম্পানিটি খরচ পুষিয়ে নিতে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর টেলিকম বাজারের দিকে নজর দিয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশকে তারা সহজ শিকারে পরিণত করতে চাইছে। তবে সার্কভুক্ত পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ এবং ভুটানও তাদের নজরের বাইরে নেই বলে গতকাল নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতি এয়ারটেলের ডেপুটি গ্রুপ চিফ এক্সিকিউটিভ এবং ভারতি এন্টারপ্রাইজেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অখিল গুপ্ত সাংবাদিকদের জানান। তবে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের ধাবী গ্রুপের মালিকানাধীন ওয়ারিদের বাংলাদেশী ইউনিট কেনার খবর সম্পর্কে মন্তব্য করতে রাজি হননি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের ব্যাপারে আগ্রহী, কারণ সার্কভুক্ত দেশগুলোর ব্যাপারে আমাদের আগ্রহ রয়েছে।’ ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের ইন্টারনেট সংস্করণে গতকাল এ তথ্য দেয়া হয়েছে।
ভারতের টেলিকম বাজারে গ্রাহকসংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। বাজারের পরিধি এভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে গ্রাহক ধরে রাখতে টেলিকম কোম্পানিগুলোকে যে হারে ছাড় আর অফার দিতে হচ্ছে, তাতে তাদের লাভের অঙ্ক কমে যাচ্ছে।
ভারতি এয়ারটেল তার মুনাফা বাড়াতে বাধ্য হয়েই বিদেশি বাজারের দিকে হাত বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। আর এ বিষয়টির ব্যাপারে কোম্পানিটি গতকাল এক পৃথক বিবৃতিতে স্পষ্ট ভাষায় বলেছে, ‘আমরা আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণের সুযোগগুলো সব সময় পর্যালোচনা করি।’
গত বুধবার বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান জিয়া আহমেদ বাংলাদেশী একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে বলেছেন, বিটিআরসি ওয়ারিদ টেলিকমের বাংলাদেশী ইউনিট বিক্রি করে দেয়ার ব্যাপারে ধাবী গ্রুপ থেকে একটি চিঠি পেয়েছে। চিঠিতে ধাবী গ্রুপ ওয়ারিদের বাংলাদেশী ইউনিটের ৭০ শতাংশ শেয়ার বিক্রির আগ্রহ দেখিয়েছে।
গ্রাহকসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশে ওয়ারিদ চতুর্থ স্থানে রয়েছে বলে জানা যায়। গ্রাহকসংখ্যা ২৭ লাখ ৯০ হাজার। গ্রামীণফোনের গ্রাহক ২ কোটি ২৩ লাখ, বাংলালিংকের এক কোটি ২৭ লাখ ৭০ হাজার আর একটেলের এক কোটি ৯৯ হাজার। অন্যদিকে ভারতে এয়ারটেলের অবস্থান চতুর্থ স্থানে।
এয়ারটেল কর্মকর্তা অখিল গুপ্ত স্বীকার করেছেন, যেহেতু ভারতের শীর্ষ ২ থেকে ৩টি টেলিফোন অপারেটরের মার্কেট শেয়ার ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ, সে কারণে শীর্ষ দুটি টেলিফোন অপারেটর ছাড়া বাকিদের টিকে থাকা বেশ কষ্টকর হয়ে গেছে। অন্যদিকে আরও নতুন নতুন টেলিফোন অপারেটর কোম্পানি ভারতীয় বাজারে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। মিস্টার গুপ্ত মনে করেন, স্থানীয় বাজারে প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ার কারণে টেলিকম কোম্পানিগুলোর আয় কমে যাচ্ছে।
ভারতের এ কোম্পানিটি সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার এমটিএন গ্রুপ কিনে নিতে দুই দফা চেষ্টা চালিয়েও আইনি জটিলতার কারণে পিছিয়ে আসতে বাধ্য হয় এবং এরপর অপেক্ষাকৃত অনুন্নত দেশের টেলিকম বাজার দখলের পরিকল্পনা নেয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভারতি এন্টারপ্রাইজেসের একটি প্রতিষ্ঠান ভারতি এয়ারটেল। গ্রাহকসংখ্যা ১১ কোটিরও বেশি। এটি ভারতের চতুর্থ বৃহত্তম টেলিকম কোম্পানি। ভারতে বর্তমানে টেলিফোন দ্রুত বিকাশমান শিল্প হিসেবে চিহ্নিত। কিন্তু শুল্কগত জটিলতায় আয় কমে যাওয়ার কারণে কোম্পানিটি খরচ পুষিয়ে নিতে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর টেলিকম বাজারের দিকে নজর দিয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশকে তারা সহজ শিকারে পরিণত করতে চাইছে। তবে সার্কভুক্ত পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ এবং ভুটানও তাদের নজরের বাইরে নেই বলে গতকাল নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতি এয়ারটেলের ডেপুটি গ্রুপ চিফ এক্সিকিউটিভ এবং ভারতি এন্টারপ্রাইজেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অখিল গুপ্ত সাংবাদিকদের জানান। তবে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের ধাবী গ্রুপের মালিকানাধীন ওয়ারিদের বাংলাদেশী ইউনিট কেনার খবর সম্পর্কে মন্তব্য করতে রাজি হননি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের ব্যাপারে আগ্রহী, কারণ সার্কভুক্ত দেশগুলোর ব্যাপারে আমাদের আগ্রহ রয়েছে।’ ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের ইন্টারনেট সংস্করণে গতকাল এ তথ্য দেয়া হয়েছে।
ভারতের টেলিকম বাজারে গ্রাহকসংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। বাজারের পরিধি এভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে গ্রাহক ধরে রাখতে টেলিকম কোম্পানিগুলোকে যে হারে ছাড় আর অফার দিতে হচ্ছে, তাতে তাদের লাভের অঙ্ক কমে যাচ্ছে।
ভারতি এয়ারটেল তার মুনাফা বাড়াতে বাধ্য হয়েই বিদেশি বাজারের দিকে হাত বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। আর এ বিষয়টির ব্যাপারে কোম্পানিটি গতকাল এক পৃথক বিবৃতিতে স্পষ্ট ভাষায় বলেছে, ‘আমরা আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণের সুযোগগুলো সব সময় পর্যালোচনা করি।’
গত বুধবার বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান জিয়া আহমেদ বাংলাদেশী একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে বলেছেন, বিটিআরসি ওয়ারিদ টেলিকমের বাংলাদেশী ইউনিট বিক্রি করে দেয়ার ব্যাপারে ধাবী গ্রুপ থেকে একটি চিঠি পেয়েছে। চিঠিতে ধাবী গ্রুপ ওয়ারিদের বাংলাদেশী ইউনিটের ৭০ শতাংশ শেয়ার বিক্রির আগ্রহ দেখিয়েছে।
গ্রাহকসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশে ওয়ারিদ চতুর্থ স্থানে রয়েছে বলে জানা যায়। গ্রাহকসংখ্যা ২৭ লাখ ৯০ হাজার। গ্রামীণফোনের গ্রাহক ২ কোটি ২৩ লাখ, বাংলালিংকের এক কোটি ২৭ লাখ ৭০ হাজার আর একটেলের এক কোটি ৯৯ হাজার। অন্যদিকে ভারতে এয়ারটেলের অবস্থান চতুর্থ স্থানে।
এয়ারটেল কর্মকর্তা অখিল গুপ্ত স্বীকার করেছেন, যেহেতু ভারতের শীর্ষ ২ থেকে ৩টি টেলিফোন অপারেটরের মার্কেট শেয়ার ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ, সে কারণে শীর্ষ দুটি টেলিফোন অপারেটর ছাড়া বাকিদের টিকে থাকা বেশ কষ্টকর হয়ে গেছে। অন্যদিকে আরও নতুন নতুন টেলিফোন অপারেটর কোম্পানি ভারতীয় বাজারে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। মিস্টার গুপ্ত মনে করেন, স্থানীয় বাজারে প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ার কারণে টেলিকম কোম্পানিগুলোর আয় কমে যাচ্ছে।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


